মুন্সিগঞ্জে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স। এ সময় অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা এড়াতে ও অগ্নিনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পূজা উদযাপন কমিটির সদস্যদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
মুন্সিগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা জানান, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে বিভিন্ন পূজামণ্ডপে অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ ও পরিদর্শন করা হচ্ছে। এ সময় জরুরি সেবার জন্য ফায়ার সার্ভিসের হটলাইন নম্বর ১০২ প্রচারের পাশাপাশি অগ্নিনির্বাপণ বিষয়ে সচেতনতামূলক দিকনির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রতিটি পূজামণ্ডপে অন্তত একটি ৫ কেজি ওজনের ফায়ার এক্সটিংগুইশার (অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র) রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, যাতে আগুন লাগলে শুরুতেই প্রাথমিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা যায়।
দর্শনার্থী ও পূজারিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিমা বিসর্জন পর্যন্ত ফায়ার সার্ভিসের এই বিশেষ টহল ও পরিদর্শন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ অক্টোবর ২০২৬
মুন্সিগঞ্জে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স। এ সময় অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা এড়াতে ও অগ্নিনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পূজা উদযাপন কমিটির সদস্যদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
মুন্সিগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা জানান, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে বিভিন্ন পূজামণ্ডপে অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ ও পরিদর্শন করা হচ্ছে। এ সময় জরুরি সেবার জন্য ফায়ার সার্ভিসের হটলাইন নম্বর ১০২ প্রচারের পাশাপাশি অগ্নিনির্বাপণ বিষয়ে সচেতনতামূলক দিকনির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রতিটি পূজামণ্ডপে অন্তত একটি ৫ কেজি ওজনের ফায়ার এক্সটিংগুইশার (অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র) রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, যাতে আগুন লাগলে শুরুতেই প্রাথমিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা যায়।
দর্শনার্থী ও পূজারিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিমা বিসর্জন পর্যন্ত ফায়ার সার্ভিসের এই বিশেষ টহল ও পরিদর্শন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

আপনার মতামত লিখুন