রংপুরের তারাগঞ্জে পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশনের (পিডিবিএফ) কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঋণ দেওয়ার নামে গ্রাহক হয়রানি এবং এক নারী সদস্যকে কুপ্রস্তাব দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগী ওই নারী উপজেলার কুর্শা ইউনিয়নের বৌদ্ধনাথপুর গ্রামের বাসিন্দা। সম্প্রতি স্থানীয় সাংবাদিকদের কাছে এই অন্যায়ের বিচার চেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী নারীকে ঋণ দেওয়ার কথা বলে পিডিবিএফের মাঠকর্মী আশীষ কুমার রায় সঞ্চয় বাবদ ৪ হাজার ৮০০ টাকা জমা নেন। তবে সঞ্চয়ের টাকা জমা দেওয়ার পর দীর্ঘদিন পার হলেও তাকে কোনো ঋণ না দিয়ে টালবাহানা শুরু করা হয়। একপর্যায়ে ওই কর্মকর্তা মুঠোফোনে কল দিয়ে তাকে বিভিন্ন অনৈতিক ও কুপ্রস্তাব দেন বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী। ওই প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় পরবর্তীতে তাকে ঋণ দেওয়া হয়নি বলে জানান তিনি।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত মাঠকর্মী আশীষ কুমার রায় দাবি করেন, ওই ঋণকেন্দ্রের সদস্যদের আর্থিক লেনদেন সন্তোষজনক না হওয়ায় ওই সদস্যকে ঋণ দেওয়া সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে তারাগঞ্জ উপজেলা পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশনের (পিডিবিএফ) কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘অভিযুক্ত মাঠকর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানিয়ে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
এদিকে ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্ত করে অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দ্রুত বিভাগীয় ও দৃষ্টান্তমূলক আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী নারীসহ স্থানীয় এলাকাবাসী।

শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ অক্টোবর ২০২৬
রংপুরের তারাগঞ্জে পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশনের (পিডিবিএফ) কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঋণ দেওয়ার নামে গ্রাহক হয়রানি এবং এক নারী সদস্যকে কুপ্রস্তাব দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগী ওই নারী উপজেলার কুর্শা ইউনিয়নের বৌদ্ধনাথপুর গ্রামের বাসিন্দা। সম্প্রতি স্থানীয় সাংবাদিকদের কাছে এই অন্যায়ের বিচার চেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী নারীকে ঋণ দেওয়ার কথা বলে পিডিবিএফের মাঠকর্মী আশীষ কুমার রায় সঞ্চয় বাবদ ৪ হাজার ৮০০ টাকা জমা নেন। তবে সঞ্চয়ের টাকা জমা দেওয়ার পর দীর্ঘদিন পার হলেও তাকে কোনো ঋণ না দিয়ে টালবাহানা শুরু করা হয়। একপর্যায়ে ওই কর্মকর্তা মুঠোফোনে কল দিয়ে তাকে বিভিন্ন অনৈতিক ও কুপ্রস্তাব দেন বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী। ওই প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় পরবর্তীতে তাকে ঋণ দেওয়া হয়নি বলে জানান তিনি।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত মাঠকর্মী আশীষ কুমার রায় দাবি করেন, ওই ঋণকেন্দ্রের সদস্যদের আর্থিক লেনদেন সন্তোষজনক না হওয়ায় ওই সদস্যকে ঋণ দেওয়া সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে তারাগঞ্জ উপজেলা পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশনের (পিডিবিএফ) কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘অভিযুক্ত মাঠকর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানিয়ে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
এদিকে ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্ত করে অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দ্রুত বিভাগীয় ও দৃষ্টান্তমূলক আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী নারীসহ স্থানীয় এলাকাবাসী।

আপনার মতামত লিখুন