বিশ্বকাপের সোনালী মঞ্চে স্পেনকে চ্যাম্পিয়ন করার পর এবার ব্যক্তিগত স্বীকৃতির মঞ্চেও সেরার আসনে লুইস দে লা ফুয়েন্তে। তবে মর্যাদাপূর্ণ এই পুরস্কার হাতে পেয়ে নিজের কৃতিত্বের কথা আলাদা করে না বলে সাফল্যের পুরো কৃতিত্ব খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফদের উৎসর্গ করেছেন স্প্যানিশ এই কোচ। তার মতে, এই অর্জন কোনো একক ব্যক্তির নয়, বরং একটি ঐক্যবদ্ধ দলের সম্মিলিত সাধনার ফল।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাতে লন্ডনের প্যালাডিয়াম থিয়েটারে অনুষ্ঠিত ২০২৬ সালের ব্যালন ডি’অর অনুষ্ঠানে বর্ষসেরা পুরুষ ফুটবল কোচের স্বীকৃতি তুলে দেওয়া হয় ৬৫ বছর বয়সী ফুয়েন্তের হাতে। আর্সেনালের মিকেল আরতেতা, পিএসজির লুইস এনরিকে, অ্যাস্টন ভিলার উনাই এমেরি ও বায়ার্ন মিউনিখের ভিনসেন্ট কোম্পানির মতো বিশ্বসেরা কোচদের পেছনে ফেলে এই পুরস্কার জিতে নেন তিনি। মূলত ২০২৬ বিশ্বকাপে স্পেনকে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়ন করার অনন্য কৃতিত্বই তাকে এই মর্যাদার আসনে বসিয়েছে।
পুরস্কার গ্রহণের পর আবেগ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে দে লা ফুয়েন্তে বলেন, বর্ষসেরা হওয়ার চেয়েও মনোনীত অন্য কোচদের সঙ্গে একই মঞ্চে দাঁড়ানোটা তার জন্য অনেক বড় সম্মানের। প্রতিদ্বন্দ্বী কোচদের অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, তারাও এই পুরস্কার পাওয়ার পূর্ণ দাবিদার ছিলেন।
২০২২ সালের ডিসেম্বরে স্পেনের জাতীয় দলের প্রধান কোচের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই দলটির চেহারা সম্পূর্ণ পাল্টে দিয়েছেন দে লা ফুয়েন্তে। তার নিখুঁত কৌশলগত কোচিংয়ে স্পেন একে একে জিতেছে ২০২৩ সালের উয়েফা নেশনস লিগ, ২০২৪ সালের ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ এবং সর্বশেষ ২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপ। জাতীয় দলের হয়ে অল্প সময়ে তিনটি বড় আন্তর্জাতিক শিরোপা জয়ের এই অভাবনীয় ধারাবাহিকতা তাকে কোচিং দুনিয়ায় অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে।
/

মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ অক্টোবর ২০২৬
বিশ্বকাপের সোনালী মঞ্চে স্পেনকে চ্যাম্পিয়ন করার পর এবার ব্যক্তিগত স্বীকৃতির মঞ্চেও সেরার আসনে লুইস দে লা ফুয়েন্তে। তবে মর্যাদাপূর্ণ এই পুরস্কার হাতে পেয়ে নিজের কৃতিত্বের কথা আলাদা করে না বলে সাফল্যের পুরো কৃতিত্ব খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফদের উৎসর্গ করেছেন স্প্যানিশ এই কোচ। তার মতে, এই অর্জন কোনো একক ব্যক্তির নয়, বরং একটি ঐক্যবদ্ধ দলের সম্মিলিত সাধনার ফল।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাতে লন্ডনের প্যালাডিয়াম থিয়েটারে অনুষ্ঠিত ২০২৬ সালের ব্যালন ডি’অর অনুষ্ঠানে বর্ষসেরা পুরুষ ফুটবল কোচের স্বীকৃতি তুলে দেওয়া হয় ৬৫ বছর বয়সী ফুয়েন্তের হাতে। আর্সেনালের মিকেল আরতেতা, পিএসজির লুইস এনরিকে, অ্যাস্টন ভিলার উনাই এমেরি ও বায়ার্ন মিউনিখের ভিনসেন্ট কোম্পানির মতো বিশ্বসেরা কোচদের পেছনে ফেলে এই পুরস্কার জিতে নেন তিনি। মূলত ২০২৬ বিশ্বকাপে স্পেনকে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়ন করার অনন্য কৃতিত্বই তাকে এই মর্যাদার আসনে বসিয়েছে।
পুরস্কার গ্রহণের পর আবেগ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে দে লা ফুয়েন্তে বলেন, বর্ষসেরা হওয়ার চেয়েও মনোনীত অন্য কোচদের সঙ্গে একই মঞ্চে দাঁড়ানোটা তার জন্য অনেক বড় সম্মানের। প্রতিদ্বন্দ্বী কোচদের অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, তারাও এই পুরস্কার পাওয়ার পূর্ণ দাবিদার ছিলেন।
২০২২ সালের ডিসেম্বরে স্পেনের জাতীয় দলের প্রধান কোচের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই দলটির চেহারা সম্পূর্ণ পাল্টে দিয়েছেন দে লা ফুয়েন্তে। তার নিখুঁত কৌশলগত কোচিংয়ে স্পেন একে একে জিতেছে ২০২৩ সালের উয়েফা নেশনস লিগ, ২০২৪ সালের ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ এবং সর্বশেষ ২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপ। জাতীয় দলের হয়ে অল্প সময়ে তিনটি বড় আন্তর্জাতিক শিরোপা জয়ের এই অভাবনীয় ধারাবাহিকতা তাকে কোচিং দুনিয়ায় অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে।
/

আপনার মতামত লিখুন