গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় জমি নিয়ে সংঘর্ষে একজন নিহত ও ১০ জন আহত হয়েছেন। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে নারী-পুরুষসহ ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। আহতরা বিভিন্ন হাসপাতালে ও স্থানীয় চিকিৎসকের কাছে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ফজরের নামাজের পর উপজেলার চণ্ডিপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ সীচা ছাতিনামারী গ্রামে।
থানা-পুলিশ ও স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা যায়, গত দুই মাস ধরে ছাতিনামারী গ্রামের মকবুল হোসেনের (৭০) সঙ্গে প্রতিবেশী মো. শাহাবুদ্দিনের জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। এরই জের ধরে বৃহস্পতিবার ফজরের নামাজের পর ওই দুজনের মধ্যে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে সংঘর্ষ বাধে। এতে শাহাবুদ্দিনের লোকজন লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে মকবুল হোসেনসহ তার লোকজনকে এলোপাতাড়ি আঘাত ও মারপিট করে। এ সময় ঘটনাস্থলেই মকবুল হোসেনের মৃত্যু হয়। সেই সঙ্গে অন্তত ১০ জন আহত হন। আহতরা হলেন মো. একাব্বর হোসেন, মো. হায়দার আলী, মো. আব্দুল জলিল মিয়া, মো. সুজা মিয়া, মো. ছামিউল ইসলাম, মো. ময়নুল হোসেন, মো. শাহাবুদ্দিন, মো. লিটন মিয়া, মো. নজরুল ইসলাম ও মো. মিন্টু মিয়া। এলাকায় চলছে শোকের মাতম।
খবর পেয়ে কঞ্চিবাড়ি তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ ও থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে নারী-পুরুষসহ ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করেন। গ্রেপ্তাররা হলেন মো. রাশেদুল ইসলাম, মো. রেজাউল করিম, মো. মোকছেদুল ইসলাম, মো. আবিল হোসেন, মো. মিন্টু মিয়া, মো. মঞ্জু মিয়া, মো. লিটন মিয়া, মো. শাহাবুদ্দিন, মো. নজরুল ইসলাম, মো. নিরফুল মিয়া, মোছা. কল্পনা বেগম, মোছা. নুরভানু বেগম, মোছা. শিল্পী বেগম, মোছা. খোরশেদা বেগম, মোছা. ফাতেমা বেগম ও মোছা. সাবানা খাতুন।
নিহতের ছোট ছেলে মো. সুজা মিয়া বলেন, শাহাবুদ্দিনের লোকজন নির্মমভাবে তার পিতার মাথায় আঘাত করে তাকে মেরে ফেলেছে। তিনি তার পিতার হত্যাকারীদের ফাঁসি এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন। সুজা বলেন, তারা দুই ভাই ও এক বোন; তাদের মা বেঁচে আছেন এবং বড় ভাই মো. হাশেম আলী ঢাকায় থাকেন।
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সেলিম রেজা বলেন, ঘটনার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সেই সঙ্গে ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ নিয়ে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ অক্টোবর ২০২৬
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় জমি নিয়ে সংঘর্ষে একজন নিহত ও ১০ জন আহত হয়েছেন। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে নারী-পুরুষসহ ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। আহতরা বিভিন্ন হাসপাতালে ও স্থানীয় চিকিৎসকের কাছে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ফজরের নামাজের পর উপজেলার চণ্ডিপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ সীচা ছাতিনামারী গ্রামে।
থানা-পুলিশ ও স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা যায়, গত দুই মাস ধরে ছাতিনামারী গ্রামের মকবুল হোসেনের (৭০) সঙ্গে প্রতিবেশী মো. শাহাবুদ্দিনের জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। এরই জের ধরে বৃহস্পতিবার ফজরের নামাজের পর ওই দুজনের মধ্যে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে সংঘর্ষ বাধে। এতে শাহাবুদ্দিনের লোকজন লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে মকবুল হোসেনসহ তার লোকজনকে এলোপাতাড়ি আঘাত ও মারপিট করে। এ সময় ঘটনাস্থলেই মকবুল হোসেনের মৃত্যু হয়। সেই সঙ্গে অন্তত ১০ জন আহত হন। আহতরা হলেন মো. একাব্বর হোসেন, মো. হায়দার আলী, মো. আব্দুল জলিল মিয়া, মো. সুজা মিয়া, মো. ছামিউল ইসলাম, মো. ময়নুল হোসেন, মো. শাহাবুদ্দিন, মো. লিটন মিয়া, মো. নজরুল ইসলাম ও মো. মিন্টু মিয়া। এলাকায় চলছে শোকের মাতম।
খবর পেয়ে কঞ্চিবাড়ি তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ ও থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে নারী-পুরুষসহ ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করেন। গ্রেপ্তাররা হলেন মো. রাশেদুল ইসলাম, মো. রেজাউল করিম, মো. মোকছেদুল ইসলাম, মো. আবিল হোসেন, মো. মিন্টু মিয়া, মো. মঞ্জু মিয়া, মো. লিটন মিয়া, মো. শাহাবুদ্দিন, মো. নজরুল ইসলাম, মো. নিরফুল মিয়া, মোছা. কল্পনা বেগম, মোছা. নুরভানু বেগম, মোছা. শিল্পী বেগম, মোছা. খোরশেদা বেগম, মোছা. ফাতেমা বেগম ও মোছা. সাবানা খাতুন।
নিহতের ছোট ছেলে মো. সুজা মিয়া বলেন, শাহাবুদ্দিনের লোকজন নির্মমভাবে তার পিতার মাথায় আঘাত করে তাকে মেরে ফেলেছে। তিনি তার পিতার হত্যাকারীদের ফাঁসি এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন। সুজা বলেন, তারা দুই ভাই ও এক বোন; তাদের মা বেঁচে আছেন এবং বড় ভাই মো. হাশেম আলী ঢাকায় থাকেন।
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সেলিম রেজা বলেন, ঘটনার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সেই সঙ্গে ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ নিয়ে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন