ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার ১০টি কলেজের মধ্যে এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ও জিপিএ-৫ পাওয়ার দিক দিয়ে শীর্ষে রয়েছে সরকারি নজরুল কলেজ।
প্রকাশিত ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, সরকারি নজরুল কলেজে পাসের হার ৭০ দশমিক ৯৭ শতাংশ। প্রতিষ্ঠানটি থেকে সর্বোচ্চ ১১ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে।
উপজেলার অন্য কলেজগুলোর মধ্যে ত্রিশাল মহিলা কলেজে পাসের হার ৪০ দশমিক ১৬ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ জন শিক্ষার্থী। ভালুকা-ত্রিশাল মৈত্রী কলেজে ৩৭ দশমিক ৪৬ শতাংশ পাসের পাশাপাশি জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন। এছাড়া ত্রিশাল আইডিয়াল কলেজে পাসের হার ৬০ শতাংশ হলেও সেখান থেকে কেউ জিপিএ-৫ পায়নি।
অন্যদিকে হাজী চেরাগ আলী কলেজে পাসের হার ৩৪ দশমিক ৬৯ শতাংশ, ইসলামী একাডেমি স্কুল অ্যান্ড কলেজে ২৯ দশমিক ৪১ শতাংশ, মোক্ষপুর কলেজে ১৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ এবং কাঁঠাল হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজে পাসের হার ১৫ শতাংশ। এসব প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই জিপিএ-৫ অর্জন করতে পারেনি।
ফলাফলে সবচেয়ে বাজে পরিস্থিতি ধলা স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং আউলিয়া নগর কলেজে। ধলা স্কুল অ্যান্ড কলেজে পাসের হার মাত্র ৫ দশমিক ৮৮ শতাংশ। আর আউলিয়া নগর কলেজ থেকে এ বছর কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি।
ফলাফলের বিষয়ে সরকারি নজরুল কলেজের জ্যেষ্ঠ শিক্ষক ও সাবেক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এনামুল হক বলেন, “শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের চেয়ে আমাদের কলেজের ফল তুলনামূলক ভালো হয়েছে। তবে পাসের হার আরও বেশি হলে ভালো হতো। সামনের দিনগুলোতে আরও ভালো ফল অর্জনে আমরা কাজ করছি।”

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ নভেম্বর ২০২৬
ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার ১০টি কলেজের মধ্যে এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ও জিপিএ-৫ পাওয়ার দিক দিয়ে শীর্ষে রয়েছে সরকারি নজরুল কলেজ।
প্রকাশিত ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, সরকারি নজরুল কলেজে পাসের হার ৭০ দশমিক ৯৭ শতাংশ। প্রতিষ্ঠানটি থেকে সর্বোচ্চ ১১ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে।
উপজেলার অন্য কলেজগুলোর মধ্যে ত্রিশাল মহিলা কলেজে পাসের হার ৪০ দশমিক ১৬ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ জন শিক্ষার্থী। ভালুকা-ত্রিশাল মৈত্রী কলেজে ৩৭ দশমিক ৪৬ শতাংশ পাসের পাশাপাশি জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন। এছাড়া ত্রিশাল আইডিয়াল কলেজে পাসের হার ৬০ শতাংশ হলেও সেখান থেকে কেউ জিপিএ-৫ পায়নি।
অন্যদিকে হাজী চেরাগ আলী কলেজে পাসের হার ৩৪ দশমিক ৬৯ শতাংশ, ইসলামী একাডেমি স্কুল অ্যান্ড কলেজে ২৯ দশমিক ৪১ শতাংশ, মোক্ষপুর কলেজে ১৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ এবং কাঁঠাল হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজে পাসের হার ১৫ শতাংশ। এসব প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই জিপিএ-৫ অর্জন করতে পারেনি।
ফলাফলে সবচেয়ে বাজে পরিস্থিতি ধলা স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং আউলিয়া নগর কলেজে। ধলা স্কুল অ্যান্ড কলেজে পাসের হার মাত্র ৫ দশমিক ৮৮ শতাংশ। আর আউলিয়া নগর কলেজ থেকে এ বছর কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি।
ফলাফলের বিষয়ে সরকারি নজরুল কলেজের জ্যেষ্ঠ শিক্ষক ও সাবেক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এনামুল হক বলেন, “শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের চেয়ে আমাদের কলেজের ফল তুলনামূলক ভালো হয়েছে। তবে পাসের হার আরও বেশি হলে ভালো হতো। সামনের দিনগুলোতে আরও ভালো ফল অর্জনে আমরা কাজ করছি।”

আপনার মতামত লিখুন