টাঙ্গাইলের সখিপুর উপজেলার বগা প্রতিমা গ্রামে বনের জমি দখল করে গোপনে ঘর নির্মাণের সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুই সুতার (কাঠমিস্ত্রি) গুরুতর আহত হয়েছেন। শনিবার (৭ নভেম্বর) সকালে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, যার মধ্যে কাজের প্রধান সুতারের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
আহত ব্যক্তিরা হলেন সানবান্দা গ্রামের আতোয়ার রহমানের ছেলে হাসমত (৫০) এবং বগা প্রতিমা গ্রামের রজব আলীর ছেলে সাগর (২৫)।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বগা প্রতিমা এলাকার ঠান্ডু মিয়ার ছেলে নুরুল মিয়া স্থানীয় আব্দুল হামিদের মধ্যস্থতায় বনের সরকারি জমি দখল করে গোপনে ঘর নির্মাণের উদ্যোগ নেন। শনিবার সকালে ঘর নির্মাণের কাজ চলাকালে বিদ্যুতের তারের সংস্পর্শে এসে কাজ করতে থাকা দুই সুতার গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয় লোকজন তাঁদের উদ্ধার করে সখিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
এ বিষয়ে বহেড়াতৈল বিট কর্মকর্তা রোমিওজ্জামান জানান, ‘সংবাদ পাওয়ার পর ওই প্লটে ঘর নির্মাণের কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে রাজনৈতিক নেতাদের পক্ষ থেকে আমাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করা সত্ত্বেও আমরা কাজ বন্ধ রাখার কঠোর নির্দেশনা দিই এবং আইনগত ব্যবস্থার ব্যাপারে সতর্ক করি। কিন্তু বন বিভাগের চোখ ফাঁকি দিয়ে শনিবার সকালে আবারও ঘর নির্মাণ শুরু করা হয়। এ ঘটনায় বন বিভাগের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ নভেম্বর ২০২৬
টাঙ্গাইলের সখিপুর উপজেলার বগা প্রতিমা গ্রামে বনের জমি দখল করে গোপনে ঘর নির্মাণের সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুই সুতার (কাঠমিস্ত্রি) গুরুতর আহত হয়েছেন। শনিবার (৭ নভেম্বর) সকালে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, যার মধ্যে কাজের প্রধান সুতারের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
আহত ব্যক্তিরা হলেন সানবান্দা গ্রামের আতোয়ার রহমানের ছেলে হাসমত (৫০) এবং বগা প্রতিমা গ্রামের রজব আলীর ছেলে সাগর (২৫)।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বগা প্রতিমা এলাকার ঠান্ডু মিয়ার ছেলে নুরুল মিয়া স্থানীয় আব্দুল হামিদের মধ্যস্থতায় বনের সরকারি জমি দখল করে গোপনে ঘর নির্মাণের উদ্যোগ নেন। শনিবার সকালে ঘর নির্মাণের কাজ চলাকালে বিদ্যুতের তারের সংস্পর্শে এসে কাজ করতে থাকা দুই সুতার গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয় লোকজন তাঁদের উদ্ধার করে সখিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
এ বিষয়ে বহেড়াতৈল বিট কর্মকর্তা রোমিওজ্জামান জানান, ‘সংবাদ পাওয়ার পর ওই প্লটে ঘর নির্মাণের কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে রাজনৈতিক নেতাদের পক্ষ থেকে আমাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করা সত্ত্বেও আমরা কাজ বন্ধ রাখার কঠোর নির্দেশনা দিই এবং আইনগত ব্যবস্থার ব্যাপারে সতর্ক করি। কিন্তু বন বিভাগের চোখ ফাঁকি দিয়ে শনিবার সকালে আবারও ঘর নির্মাণ শুরু করা হয়। এ ঘটনায় বন বিভাগের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

আপনার মতামত লিখুন