জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত সার্বভৌমত্ব র্যালিতে নেতাকর্মীদের সঙ্গে হেঁটে অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। নয়াপল্টনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ শেষে তিনি এই র্যালিতে যোগ দেন।
শনিবার (৭ নভেম্বর) বিকেল ৩টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে র্যালিটি শুরু হয়। এর আগে বিকেল পৌনে ৩টা থেকে ৩টা ১০ মিনিট পর্যন্ত সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়াই ছিল মুক্তিযুদ্ধের মূল লক্ষ্য। বাংলাদেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নিয়ে বাকশাল চাপিয়ে দেওয়া হয়েছিল। ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতা আবারও গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরিয়ে এনেছে এবং স্বৈরাচারকে দেশ থেকে বিতাড়িত করেছে।
তিনি বলেন, ‘পরাজিত শক্তি এখন আবার ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। যারা বাংলাদেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার ও দেশের সার্বভৌমত্ব মেনে নিতে পারেনি, তাদের ষড়যন্ত্র থেমে থাকেনি। এ দেশের মানুষকে দাবিয়ে রাখা যাবে না। সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে আবারও ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করতে হবে।’
দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে সবাইকে এক হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আজকের র্যালি হোক দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার র্যালি।’
নয়াপল্টনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ শেষে নাইটিঙ্গেল মোড় থেকে বিজয় সরণি বিমান মোড়ের অভিমুখে র্যালিটি যাত্রা শুরু করে। র্যালিতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদ, বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস, স্থায়ী কমিটির সদস্য ও অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সমাজকল্যাণ ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী এজেডএম জাহিদ হোসেন, আমানউল্লাহ আমান এবং ফরহাদ হালিম ডোনার।
এছাড়া ভাইস চেয়ারম্যান ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান, ভাইস চেয়ারম্যান ও জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি, বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুস সালাম, যুগ্ম মহাসচিব ও সংসদ সদস্য খায়রুল কবির খোকন, যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন-নবী-খান সোহেল, কোষাধ্যক্ষ ও বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং প্রচার সম্পাদক ও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু উপস্থিত রয়েছেন।
র্যালিতে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপি এবং ঢাকা বিভাগের অন্তর্গত বিভিন্ন জেলার ইউনিটের নেতাকর্মীরাও অংশ নেন।
র্যালিটি কাকরাইল, প্রধান বিচারপতির বাসভবনের সামনে, হেয়ার রোড, মিন্টো রোড, হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়, বাংলামোটর ও ফার্মগেট হয়ে জাতীয় সংসদ ভবনের সামনের মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে গিয়ে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ নভেম্বর ২০২৬
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত সার্বভৌমত্ব র্যালিতে নেতাকর্মীদের সঙ্গে হেঁটে অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। নয়াপল্টনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ শেষে তিনি এই র্যালিতে যোগ দেন।
শনিবার (৭ নভেম্বর) বিকেল ৩টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে র্যালিটি শুরু হয়। এর আগে বিকেল পৌনে ৩টা থেকে ৩টা ১০ মিনিট পর্যন্ত সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়াই ছিল মুক্তিযুদ্ধের মূল লক্ষ্য। বাংলাদেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নিয়ে বাকশাল চাপিয়ে দেওয়া হয়েছিল। ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতা আবারও গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরিয়ে এনেছে এবং স্বৈরাচারকে দেশ থেকে বিতাড়িত করেছে।
তিনি বলেন, ‘পরাজিত শক্তি এখন আবার ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। যারা বাংলাদেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার ও দেশের সার্বভৌমত্ব মেনে নিতে পারেনি, তাদের ষড়যন্ত্র থেমে থাকেনি। এ দেশের মানুষকে দাবিয়ে রাখা যাবে না। সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে আবারও ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করতে হবে।’
দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে সবাইকে এক হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আজকের র্যালি হোক দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার র্যালি।’
নয়াপল্টনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ শেষে নাইটিঙ্গেল মোড় থেকে বিজয় সরণি বিমান মোড়ের অভিমুখে র্যালিটি যাত্রা শুরু করে। র্যালিতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদ, বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস, স্থায়ী কমিটির সদস্য ও অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সমাজকল্যাণ ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী এজেডএম জাহিদ হোসেন, আমানউল্লাহ আমান এবং ফরহাদ হালিম ডোনার।
এছাড়া ভাইস চেয়ারম্যান ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান, ভাইস চেয়ারম্যান ও জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি, বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুস সালাম, যুগ্ম মহাসচিব ও সংসদ সদস্য খায়রুল কবির খোকন, যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন-নবী-খান সোহেল, কোষাধ্যক্ষ ও বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং প্রচার সম্পাদক ও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু উপস্থিত রয়েছেন।
র্যালিতে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপি এবং ঢাকা বিভাগের অন্তর্গত বিভিন্ন জেলার ইউনিটের নেতাকর্মীরাও অংশ নেন।
র্যালিটি কাকরাইল, প্রধান বিচারপতির বাসভবনের সামনে, হেয়ার রোড, মিন্টো রোড, হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়, বাংলামোটর ও ফার্মগেট হয়ে জাতীয় সংসদ ভবনের সামনের মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে গিয়ে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন