"সমবায় গড়বো, দেশ সবার জন্য বাংলাদেশ", এই উদ্দীপনাময় অঙ্গীকারকে হৃদয়ে ধারণ করে পঞ্চগড়ের সীমান্তবেষ্টিত তেঁতুলিয়া উপজেলায় জাকজমকপূর্ণ পরিবেশে পালিত হয়েছে ৫৫তম জাতীয় সমবায় দিবস।
আজ ৮ নভেম্বর, রবিবার দিনটি উপলক্ষে স্থানীয় উপজেলা সমবায় অফিসের উদ্যোগে এক আনন্দমুখর র্যালি ও তথ্যবহুল আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
দিবসের সূচনায় উপজেলার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে এক বিশাল বর্ণাঢ্য র্যালি। এতে অংশ নেন তেঁতুলিয়া অঞ্চলের ১৮৩টি নিবন্ধিত সমবায় সমিতির সভাপতি, সম্পাদক ও সদস্যবৃন্দ। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার গণমাধ্যমকর্মীদের পদচারণায় পুরো র্যালি এলাকা উৎসবমুখর রূপ নেয়। র্যালি শেষে বিকেলে উপজেলা পরিষদ হলরুমে অনুষ্ঠিত হয় মূল আলোচনা সভা।
তেঁতুলিয়া উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মামুনুর রশিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আনোয়ার হোসেন। তিনি তার বক্তব্যে স্থানীয় অর্থনীতিকে গতিশীল রাখতে সমবায়ের অপরিহার্যতা তুলে ধরে বলেন, "একটি সুন্দর ও স্বাবলম্বী সমাজ গঠনে সমবায় আন্দোলনের কোনো বিকল্প নেই। প্রতিটি সমবায় সমিতিকে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে পরিচালিত করে সাধারণ মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে কাজ করে যেতে হবে।"
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন তেঁতুলিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি শাহাদাত হোসেন রঞ্জু। তিনি বলেন, "বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের অংশীদারিত্ব নিশ্চিত করাই আজকের দিনের মূল প্রতিপাদ্য। সমবায়ীদের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টাই দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে অর্থনৈতিক স্বাধীনতা দিতে পারে।"
তেঁতুলিয়া কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতির চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাসুদ আল করীম সরকার তার বক্তব্যে বলেন, "সমবায়ীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও মেধা কাজে লাগিয়ে আমাদের স্বাবলম্বী হতে হবে। প্রতিটি প্রান্তিক সদস্যের অধিকার রক্ষায় কেন্দ্রীয় সমিতি সবসময় পাশে থাকবে।"
এছাড়া জিয়া পরিষদের সভাপতি এম এ জব্বার তাঁর বক্তব্যে সমবায়ের মাধ্যমে তরুণদের উদ্বুদ্ধ করার আহ্বান জানান এবং তেঁতুলিয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি সোহরাব আলী স্থানীয় সমবায় আন্দোলনকে বস্তুনিষ্ঠভাবে গণমাধ্যমে তুলে ধরার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।
সভায় মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা ও তরুণদের আশাবাদের কথা তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক আবু নোমান এনাম, বেরং পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতির সম্পাদক তাজ উদ্দিন আহমেদ, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক নুরুজ্জামান দুলাল, মাঝিপাড়া সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম এবং কৃষি সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. নুর ইসলাম। বক্তারা সবাই সমবায় খাতকে আরও আধুনিকায়ন ও স্বচ্ছ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

রোববার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ নভেম্বর ২০২৬
"সমবায় গড়বো, দেশ সবার জন্য বাংলাদেশ", এই উদ্দীপনাময় অঙ্গীকারকে হৃদয়ে ধারণ করে পঞ্চগড়ের সীমান্তবেষ্টিত তেঁতুলিয়া উপজেলায় জাকজমকপূর্ণ পরিবেশে পালিত হয়েছে ৫৫তম জাতীয় সমবায় দিবস।
আজ ৮ নভেম্বর, রবিবার দিনটি উপলক্ষে স্থানীয় উপজেলা সমবায় অফিসের উদ্যোগে এক আনন্দমুখর র্যালি ও তথ্যবহুল আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
দিবসের সূচনায় উপজেলার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে এক বিশাল বর্ণাঢ্য র্যালি। এতে অংশ নেন তেঁতুলিয়া অঞ্চলের ১৮৩টি নিবন্ধিত সমবায় সমিতির সভাপতি, সম্পাদক ও সদস্যবৃন্দ। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার গণমাধ্যমকর্মীদের পদচারণায় পুরো র্যালি এলাকা উৎসবমুখর রূপ নেয়। র্যালি শেষে বিকেলে উপজেলা পরিষদ হলরুমে অনুষ্ঠিত হয় মূল আলোচনা সভা।
তেঁতুলিয়া উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মামুনুর রশিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আনোয়ার হোসেন। তিনি তার বক্তব্যে স্থানীয় অর্থনীতিকে গতিশীল রাখতে সমবায়ের অপরিহার্যতা তুলে ধরে বলেন, "একটি সুন্দর ও স্বাবলম্বী সমাজ গঠনে সমবায় আন্দোলনের কোনো বিকল্প নেই। প্রতিটি সমবায় সমিতিকে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে পরিচালিত করে সাধারণ মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে কাজ করে যেতে হবে।"
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন তেঁতুলিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি শাহাদাত হোসেন রঞ্জু। তিনি বলেন, "বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের অংশীদারিত্ব নিশ্চিত করাই আজকের দিনের মূল প্রতিপাদ্য। সমবায়ীদের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টাই দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে অর্থনৈতিক স্বাধীনতা দিতে পারে।"
তেঁতুলিয়া কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতির চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাসুদ আল করীম সরকার তার বক্তব্যে বলেন, "সমবায়ীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও মেধা কাজে লাগিয়ে আমাদের স্বাবলম্বী হতে হবে। প্রতিটি প্রান্তিক সদস্যের অধিকার রক্ষায় কেন্দ্রীয় সমিতি সবসময় পাশে থাকবে।"
এছাড়া জিয়া পরিষদের সভাপতি এম এ জব্বার তাঁর বক্তব্যে সমবায়ের মাধ্যমে তরুণদের উদ্বুদ্ধ করার আহ্বান জানান এবং তেঁতুলিয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি সোহরাব আলী স্থানীয় সমবায় আন্দোলনকে বস্তুনিষ্ঠভাবে গণমাধ্যমে তুলে ধরার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।
সভায় মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা ও তরুণদের আশাবাদের কথা তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক আবু নোমান এনাম, বেরং পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতির সম্পাদক তাজ উদ্দিন আহমেদ, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক নুরুজ্জামান দুলাল, মাঝিপাড়া সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম এবং কৃষি সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. নুর ইসলাম। বক্তারা সবাই সমবায় খাতকে আরও আধুনিকায়ন ও স্বচ্ছ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

আপনার মতামত লিখুন