টাইম ম্যাগাজিনে বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নাম অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় জাতীয় সংসদে তাকে ধন্যবাদ জানানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার
জাতীয় সংসদের অধিবেশন চলাকালে চিফ হুইপ মো.
নূরুল ইসলাম মনি প্রসঙ্গটি উত্থাপন
করে সংসদকে অবহিত করেন এবং প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানান।
চিফ
হুইপ বলেন, “টাইম ম্যাগাজিনে বিশ্বের
১০০ জন প্রভাবশালী ব্যক্তির
মধ্যে আমাদের প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা
তারেক রহমান সাহেবের নাম রয়েছে এবং
তিনি সম্মানিত হয়েছেন। তিনি সম্মানিত মানে
দেশকে সম্মানিত করা, তিনি এই
জাতিকে সম্মানিত করেছেন। সংসদের তরফ থেকে তাকে
আন্তরিক মোবারকবাদ জানাচ্ছি, ধন্যবাদ জানাচ্ছি।”
টাইম
ম্যাগাজিনের প্রভাবশালীদের তালিকা
নিউইয়র্কভিত্তিক
টাইম ম্যাগাজিন বুধবার বিশ্বের প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির তালিকা
প্রকাশ করে। প্রধানমন্ত্রী ও
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ তালিকায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার, পোপ লিও চতুর্দশ,
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, নেপালের
প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ, কানাডার প্রধানমন্ত্রী
মার্ক কার্নি, ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন, মেক্সিকোর
প্রেসিডেন্ট ক্লাউদিয়া শেনবাউম, নামিবিয়ার প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট নান্দি
নাদাইতওয়া, নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানি,
আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) মহাপরিচালক রাফায়েল মারিয়ানো গ্রসি, জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি ও ইউরোপী ইউনিয়নের
প্রযুক্তি প্রধান হেনা ভিরকুনেনসহ বিভিন্ন
খ্যাতিমান ব্যক্তি স্থান পেয়েছেন।
‘লিডারস’
(নেতৃত্ব) ক্যাটাগরিতে এ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত
হয়েছেন তারেক রহমান।
চিফ
হুইপ যা বললেন
বৃহস্পতিবার
সংসদে চিফ হুইপ নূরুল
ইসলাম মনি বলেন, “সংসদ
নেতা ১৭ বছর নির্বাসিত
ছিলেন। পরে দেশে এসে
মানুষের মধ্যে আশা জাগিয়েছেন। অনুপ্রাণিত
হয়ে সারা দেশের মানুষ
তাকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করে
এই সংসদে পাঠিয়েছে। তার কাছে এই
দেশের মানুষের অনেক প্রত্যাশা। আঙুলের
কালি মোছার আগেই তিনি তার
নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছেন এবং
এর মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড অন্যতম। তিনি কৃষক কার্ডের
উদ্বোধন করেছেন এই পহেলা বৈশাখে।
এটা একটা বিপ্লব এবং
যুগান্তকারী ঘটনা বাংলাদেশের জন্য।
তিনি আমাদের ইমাম এবং মুয়াজ্জিনদের
জন্য ভাতা চালু করেছেন।
বিভিন্ন ধর্মের পুরোহিতদের জন্য তিনি সম্মানীর
ব্যবস্থা করেছেন। ১০ হাজার টাকা
কৃষি ঋণের সুদ মওকুফ
করেছেন।”
চিফ
হুইপ বলেন, “বাংলাদেশের মানুষ তাকে স্বীকৃতি দিয়ে
সংসদে পাঠিয়েছে। বিশ্ব তাকে স্বীকৃতি দিয়ে
আজকে টাইম ম্যাগাজিনে স্থান
করে দিয়েছে।’
তারেক
রহমান প্রসঙ্গে কি লিখেছে টাইম
টাইম
ম্যাগাজিন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রোফাইলে লিখেছে, কয়েক মাস আগেও
দক্ষিণ-পশ্চিম লন্ডনে নির্বাসিত জীবন কাটাচ্ছিলেন তারেক
রহমান। কিন্তু ২০২৪ সালে স্বৈরাচারী
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পতন
হলে তিনি বিরোধী আন্দোলনের
নেতা থেকে সম্ভাব্য জাতীয়
নেতায় পরিণত হন, ১৭ বছর
মাতৃভূমি থেকে বিচ্ছিন্ন থাকার
পর ফেব্রুয়ারিতে বিপুল ভোটে জয়ের মধ্য
দিয়ে তিনি সেই গন্তব্যে
পৌঁছান।
প্রতিবেদনে
আরও বলা হয়, এ
বিজয়ের মাধ্যমে তিনি তার মা
খালেদা জিয়ার পথ অনুসরণ করেন,
যিনি বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ছিলেন
এবং ঢাকায় তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনের পাঁচ দিনের মাথায়
মারা যান।
ম্যাগাজিনটি
জানায়, জানুয়ারিতে টাইমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তারেক রহমান বলেন, ব্যক্তিগত শোককে তিনি দেশের ঐক্য
প্রতিষ্ঠা ও অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত
করার কাজে নিয়োজিত করবেন।

বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ এপ্রিল ২০২৬
টাইম ম্যাগাজিনে বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নাম অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় জাতীয় সংসদে তাকে ধন্যবাদ জানানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার
জাতীয় সংসদের অধিবেশন চলাকালে চিফ হুইপ মো.
নূরুল ইসলাম মনি প্রসঙ্গটি উত্থাপন
করে সংসদকে অবহিত করেন এবং প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানান।
চিফ
হুইপ বলেন, “টাইম ম্যাগাজিনে বিশ্বের
১০০ জন প্রভাবশালী ব্যক্তির
মধ্যে আমাদের প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা
তারেক রহমান সাহেবের নাম রয়েছে এবং
তিনি সম্মানিত হয়েছেন। তিনি সম্মানিত মানে
দেশকে সম্মানিত করা, তিনি এই
জাতিকে সম্মানিত করেছেন। সংসদের তরফ থেকে তাকে
আন্তরিক মোবারকবাদ জানাচ্ছি, ধন্যবাদ জানাচ্ছি।”
টাইম
ম্যাগাজিনের প্রভাবশালীদের তালিকা
নিউইয়র্কভিত্তিক
টাইম ম্যাগাজিন বুধবার বিশ্বের প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির তালিকা
প্রকাশ করে। প্রধানমন্ত্রী ও
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ তালিকায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার, পোপ লিও চতুর্দশ,
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, নেপালের
প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ, কানাডার প্রধানমন্ত্রী
মার্ক কার্নি, ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন, মেক্সিকোর
প্রেসিডেন্ট ক্লাউদিয়া শেনবাউম, নামিবিয়ার প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট নান্দি
নাদাইতওয়া, নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানি,
আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) মহাপরিচালক রাফায়েল মারিয়ানো গ্রসি, জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি ও ইউরোপী ইউনিয়নের
প্রযুক্তি প্রধান হেনা ভিরকুনেনসহ বিভিন্ন
খ্যাতিমান ব্যক্তি স্থান পেয়েছেন।
‘লিডারস’
(নেতৃত্ব) ক্যাটাগরিতে এ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত
হয়েছেন তারেক রহমান।
চিফ
হুইপ যা বললেন
বৃহস্পতিবার
সংসদে চিফ হুইপ নূরুল
ইসলাম মনি বলেন, “সংসদ
নেতা ১৭ বছর নির্বাসিত
ছিলেন। পরে দেশে এসে
মানুষের মধ্যে আশা জাগিয়েছেন। অনুপ্রাণিত
হয়ে সারা দেশের মানুষ
তাকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করে
এই সংসদে পাঠিয়েছে। তার কাছে এই
দেশের মানুষের অনেক প্রত্যাশা। আঙুলের
কালি মোছার আগেই তিনি তার
নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছেন এবং
এর মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড অন্যতম। তিনি কৃষক কার্ডের
উদ্বোধন করেছেন এই পহেলা বৈশাখে।
এটা একটা বিপ্লব এবং
যুগান্তকারী ঘটনা বাংলাদেশের জন্য।
তিনি আমাদের ইমাম এবং মুয়াজ্জিনদের
জন্য ভাতা চালু করেছেন।
বিভিন্ন ধর্মের পুরোহিতদের জন্য তিনি সম্মানীর
ব্যবস্থা করেছেন। ১০ হাজার টাকা
কৃষি ঋণের সুদ মওকুফ
করেছেন।”
চিফ
হুইপ বলেন, “বাংলাদেশের মানুষ তাকে স্বীকৃতি দিয়ে
সংসদে পাঠিয়েছে। বিশ্ব তাকে স্বীকৃতি দিয়ে
আজকে টাইম ম্যাগাজিনে স্থান
করে দিয়েছে।’
তারেক
রহমান প্রসঙ্গে কি লিখেছে টাইম
টাইম
ম্যাগাজিন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রোফাইলে লিখেছে, কয়েক মাস আগেও
দক্ষিণ-পশ্চিম লন্ডনে নির্বাসিত জীবন কাটাচ্ছিলেন তারেক
রহমান। কিন্তু ২০২৪ সালে স্বৈরাচারী
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পতন
হলে তিনি বিরোধী আন্দোলনের
নেতা থেকে সম্ভাব্য জাতীয়
নেতায় পরিণত হন, ১৭ বছর
মাতৃভূমি থেকে বিচ্ছিন্ন থাকার
পর ফেব্রুয়ারিতে বিপুল ভোটে জয়ের মধ্য
দিয়ে তিনি সেই গন্তব্যে
পৌঁছান।
প্রতিবেদনে
আরও বলা হয়, এ
বিজয়ের মাধ্যমে তিনি তার মা
খালেদা জিয়ার পথ অনুসরণ করেন,
যিনি বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ছিলেন
এবং ঢাকায় তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনের পাঁচ দিনের মাথায়
মারা যান।
ম্যাগাজিনটি
জানায়, জানুয়ারিতে টাইমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তারেক রহমান বলেন, ব্যক্তিগত শোককে তিনি দেশের ঐক্য
প্রতিষ্ঠা ও অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত
করার কাজে নিয়োজিত করবেন।

আপনার মতামত লিখুন