চলতি বছর ফের ভারত সফরে আসতে পারেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিন। ক্রেমলিন সূত্রে এমনই ইঙ্গিত মিলেছে। আগামী সেপ্টেম্বরে দিল্লিতে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে ১৮তম বিআরআইসিএস শীর্ষ সম্মেলন, আর সেই মঞ্চেই পুতিনের উপস্থিতির সম্ভাবনা জোরালো হচ্ছে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে, এক বছরের মধ্যেই দ্বিতীয়বার ভারতের মাটিতে পা রাখতে পারেন রুশ প্রেসিডেন্ট।
রাশিয়ার উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রেই রুডেঙ্কো আগেই এই সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। তার কথায়, বর্তমানে এমন কোনও কূটনৈতিক বা বাস্তবিক বাধা নেই যা পুতিনের ভারত সফরকে আটকে দিতে পারে। ফলে আন্তর্জাতিক মহলে এই সফর নিয়ে জল্পনা ক্রমশ বাড়ছে।
এবারের বিআরআইসিএস সম্মেলন শুধু একটি নিয়মিত বৈঠক নয়-বরং বিশ্ব রাজনীতির এক গুরুত্বপূর্ণ মোড়ের সাক্ষী হতে পারে। ব্রিকসের মূল লক্ষ্যই হল পশ্চিমা প্রভাবের বাইরে একটি বিকল্প অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক মঞ্চ তৈরি করা। বিশেষ করে ডলারের প্রভাব কমানো, নিজস্ব মুদ্রায় বাণিজ্য বৃদ্ধি, এবং উন্নয়নশীল দেশগুলির মধ্যে সহযোগিতা জোরদার করা, এই বিষয়গুলোই এবারের আলোচনার কেন্দ্রে থাকতে পারে।
ভারত, রাশিয়া, চিন, ব্রাজিল ও দক্ষিণ আফ্রিকা—এই পাঁচ দেশের জোট হিসেবে শুরু হলেও, এখন ব্রিকসের পরিধি আরও বিস্তৃত হয়েছে। নতুন সদস্য যুক্ত হওয়ায় এই জোটের প্রভাব ও গুরুত্ব আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে অনেকটাই বেড়েছে। ফলে দিল্লির সম্মেলন ঘিরে কূটনৈতিক তৎপরতাও তুঙ্গে।
এই প্রেক্ষাপটে ভ্লাদিমির পুতিন-এর সম্ভাব্য ভারত সফর নিঃসন্দেহে তাৎপর্যপূর্ণ। একদিকে ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে পশ্চিমা বিশ্বের সঙ্গে রাশিয়ার সম্পর্ক যখন তলানিতে, অন্যদিকে ভারত-রাশিয়া সম্পর্ক এখনও কৌশলগতভাবে মজবুত। তাই এই সফর শুধু আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং বৈশ্বিক শক্তির ভারসাম্যে নতুন বার্তা দিতেও পারে।
সব মিলিয়ে, দিল্লির মাটিতে এবারের বিআরআইসিএস সম্মেলন ঘিরে নজর এখন গোটা বিশ্বেও সেই কেন্দ্রবিন্দুতেই রয়েছেন পুতিন।

শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ এপ্রিল ২০২৬
চলতি বছর ফের ভারত সফরে আসতে পারেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিন। ক্রেমলিন সূত্রে এমনই ইঙ্গিত মিলেছে। আগামী সেপ্টেম্বরে দিল্লিতে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে ১৮তম বিআরআইসিএস শীর্ষ সম্মেলন, আর সেই মঞ্চেই পুতিনের উপস্থিতির সম্ভাবনা জোরালো হচ্ছে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে, এক বছরের মধ্যেই দ্বিতীয়বার ভারতের মাটিতে পা রাখতে পারেন রুশ প্রেসিডেন্ট।
রাশিয়ার উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রেই রুডেঙ্কো আগেই এই সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। তার কথায়, বর্তমানে এমন কোনও কূটনৈতিক বা বাস্তবিক বাধা নেই যা পুতিনের ভারত সফরকে আটকে দিতে পারে। ফলে আন্তর্জাতিক মহলে এই সফর নিয়ে জল্পনা ক্রমশ বাড়ছে।
এবারের বিআরআইসিএস সম্মেলন শুধু একটি নিয়মিত বৈঠক নয়-বরং বিশ্ব রাজনীতির এক গুরুত্বপূর্ণ মোড়ের সাক্ষী হতে পারে। ব্রিকসের মূল লক্ষ্যই হল পশ্চিমা প্রভাবের বাইরে একটি বিকল্প অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক মঞ্চ তৈরি করা। বিশেষ করে ডলারের প্রভাব কমানো, নিজস্ব মুদ্রায় বাণিজ্য বৃদ্ধি, এবং উন্নয়নশীল দেশগুলির মধ্যে সহযোগিতা জোরদার করা, এই বিষয়গুলোই এবারের আলোচনার কেন্দ্রে থাকতে পারে।
ভারত, রাশিয়া, চিন, ব্রাজিল ও দক্ষিণ আফ্রিকা—এই পাঁচ দেশের জোট হিসেবে শুরু হলেও, এখন ব্রিকসের পরিধি আরও বিস্তৃত হয়েছে। নতুন সদস্য যুক্ত হওয়ায় এই জোটের প্রভাব ও গুরুত্ব আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে অনেকটাই বেড়েছে। ফলে দিল্লির সম্মেলন ঘিরে কূটনৈতিক তৎপরতাও তুঙ্গে।
এই প্রেক্ষাপটে ভ্লাদিমির পুতিন-এর সম্ভাব্য ভারত সফর নিঃসন্দেহে তাৎপর্যপূর্ণ। একদিকে ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে পশ্চিমা বিশ্বের সঙ্গে রাশিয়ার সম্পর্ক যখন তলানিতে, অন্যদিকে ভারত-রাশিয়া সম্পর্ক এখনও কৌশলগতভাবে মজবুত। তাই এই সফর শুধু আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং বৈশ্বিক শক্তির ভারসাম্যে নতুন বার্তা দিতেও পারে।
সব মিলিয়ে, দিল্লির মাটিতে এবারের বিআরআইসিএস সম্মেলন ঘিরে নজর এখন গোটা বিশ্বেও সেই কেন্দ্রবিন্দুতেই রয়েছেন পুতিন।

আপনার মতামত লিখুন