হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলায় একাধিক ডাকাতি মামলার আসামি ওয়াহিদ মিয়ার বসতঘরে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। রবিবার (৩১ মে) দিবাগত মধ্যরাতে উপজেলার কালিয়ারভাঙ্গা ইউনিয়নের পুরানগাঁও গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। গ্রামবাসীর অভিযোগ, ওয়াহিদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে অতিষ্ঠ হয়ে একদল লোক এই অগ্নিসংযোগ করেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রবিবার রাতে পুরানগাঁও গ্রামে স্থানীয় পঞ্চায়েত কমিটির একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় গ্রামের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং একাধিক ডাকাতি মামলার আসামি ওয়াহিদ মিয়ার কর্মকাণ্ড নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। স্থানীয়দের দাবি, ওয়াহিদের কারণে এলাকায় গ্রামের সুনাম ক্ষুণ্ন হচ্ছে। এ নিয়ে সভায় উপস্থিত লোকজনের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
অভিযোগ উঠেছে, সভা শেষ হওয়ার কিছুক্ষণ পরই একদল লোক সংঘবদ্ধ হয়ে ওয়াহিদ মিয়ার বসতঘরে আগুন ধরিয়ে দেন। মুহূর্তের মধ্যে আগুনের শিখা দাউ দাউ করে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে নবীগঞ্জ থানা-পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। আগুনে ঘরটির আসবাবপত্রসহ সব মালামাল পুড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোনায়েম মিয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “ওয়াহিদ মিয়ার বিরুদ্ধে একাধিক ডাকাতি মামলা রয়েছে। তার বাড়িতে আগুন দেওয়ার খবর পেয়ে রাতেই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে এবং এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
অগ্নিসংযোগের ঘটনার পর থেকে এলাকায় কিছুটা উত্তেজনা বিরাজ করলেও পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

সোমবার, ০১ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ জুন ২০২৬
হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলায় একাধিক ডাকাতি মামলার আসামি ওয়াহিদ মিয়ার বসতঘরে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। রবিবার (৩১ মে) দিবাগত মধ্যরাতে উপজেলার কালিয়ারভাঙ্গা ইউনিয়নের পুরানগাঁও গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। গ্রামবাসীর অভিযোগ, ওয়াহিদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে অতিষ্ঠ হয়ে একদল লোক এই অগ্নিসংযোগ করেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রবিবার রাতে পুরানগাঁও গ্রামে স্থানীয় পঞ্চায়েত কমিটির একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় গ্রামের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং একাধিক ডাকাতি মামলার আসামি ওয়াহিদ মিয়ার কর্মকাণ্ড নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। স্থানীয়দের দাবি, ওয়াহিদের কারণে এলাকায় গ্রামের সুনাম ক্ষুণ্ন হচ্ছে। এ নিয়ে সভায় উপস্থিত লোকজনের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
অভিযোগ উঠেছে, সভা শেষ হওয়ার কিছুক্ষণ পরই একদল লোক সংঘবদ্ধ হয়ে ওয়াহিদ মিয়ার বসতঘরে আগুন ধরিয়ে দেন। মুহূর্তের মধ্যে আগুনের শিখা দাউ দাউ করে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে নবীগঞ্জ থানা-পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। আগুনে ঘরটির আসবাবপত্রসহ সব মালামাল পুড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোনায়েম মিয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “ওয়াহিদ মিয়ার বিরুদ্ধে একাধিক ডাকাতি মামলা রয়েছে। তার বাড়িতে আগুন দেওয়ার খবর পেয়ে রাতেই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে এবং এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
অগ্নিসংযোগের ঘটনার পর থেকে এলাকায় কিছুটা উত্তেজনা বিরাজ করলেও পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

আপনার মতামত লিখুন