দীর্ঘ সংঘাতের পর অবশেষে কার্যকর হলো ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যকার ঐতিহাসিক ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি। গত বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) থেকে এই চুক্তি কার্যকর হয়েছে। একই সঙ্গে দুই দেশের শীর্ষ নেতাদের মধ্যে প্রথমবারের মতো সরাসরি বৈঠকের উদ্যোগ নিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, গ্রিনিচ মান সময় ২১টা থেকে
এই যুদ্ধবিরতি শুরু হয়েছে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন
নেতানিয়াহু এবং লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন এই চুক্তিতে সম্মত হন। ট্রাম্প তার
'ট্রুথ সোশ্যাল' হ্যান্ডেলে জানান, দুই নেতার সঙ্গে ‘চমৎকার’ ফোনালাপের পর এই ১০ দিনের
যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত হয়েছে। আগামী চার-পাঁচ দিনের মধ্যেই দুই নেতা হোয়াইট হাউসে ঐতিহাসিক
বৈঠকে মিলিত হতে পারেন।
চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের সূত্র ধরে
মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতা শুরু হয়। ২ মার্চ হিজবুল্লাহর রকেট হামলার পর লেবাননও এই যুদ্ধে
জড়িয়ে পড়ে। এরপর থেকে লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ২ হাজার মানুষ নিহত এবং প্রায়
১০ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। যুদ্ধবিরতি শুরুর ঠিক আগ মুহূর্ত পর্যন্ত হামলা-পাল্টা
হামলা চলেছে। দক্ষিণ লেবাননের গাজিয়া শহরে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত সাতজন নিহত হওয়ার
খবর জানিয়েছে লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এই যুদ্ধবিরতিকে
‘ঐতিহাসিক শান্তিচুক্তির’ সুযোগ হিসেবে দেখছেন। তবে তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, হিজবুল্লাহর
নিরস্ত্রীকরণ এবং দক্ষিণ লেবানন সীমান্তে ১০ কিলোমিটারের ‘নিরাপত্তা অঞ্চল’ বজায় রাখা
হবে তার প্রধান শর্ত।
অন্যদিকে, হিজবুল্লাহর আইনপ্রণেতা ইব্রাহিম আল-মুসাউই জানিয়েছেন,
ইসরায়েল হামলা বন্ধ রাখলে তারা ‘সতর্কতার সঙ্গে’ এই যুদ্ধবিরতি মেনে চলবে। এই চুক্তির
জন্য তারা ইরানকে ধন্যবাদ জানিয়েছে।
বৈরুতের সাধারণ মানুষের মধ্যে এই যুদ্ধবিরতি নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
দেখা গেছে। দীর্ঘ যুদ্ধের ক্লান্তিতে গৃহিণী জামাল শেহাব এই উদ্যোগকে স্বাগত জানালেও,
তারেক বু খলিলের মতো অনেক লেবানিজ নাগরিক ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর প্রতিশ্রুতি নিয়ে কিছুটা
সংশয় প্রকাশ করেছেন।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আশা প্রকাশ করেছেন যে,
এই সাময়িক বিরতি শেষ পর্যন্ত ইরান-ইসরায়েল সংঘাত নিরসন এবং মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘস্থায়ী
শান্তি প্রতিষ্ঠায় সহায়ক হবে।

রোববার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ এপ্রিল ২০২৬
দীর্ঘ সংঘাতের পর অবশেষে কার্যকর হলো ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যকার ঐতিহাসিক ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি। গত বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) থেকে এই চুক্তি কার্যকর হয়েছে। একই সঙ্গে দুই দেশের শীর্ষ নেতাদের মধ্যে প্রথমবারের মতো সরাসরি বৈঠকের উদ্যোগ নিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, গ্রিনিচ মান সময় ২১টা থেকে
এই যুদ্ধবিরতি শুরু হয়েছে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন
নেতানিয়াহু এবং লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন এই চুক্তিতে সম্মত হন। ট্রাম্প তার
'ট্রুথ সোশ্যাল' হ্যান্ডেলে জানান, দুই নেতার সঙ্গে ‘চমৎকার’ ফোনালাপের পর এই ১০ দিনের
যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত হয়েছে। আগামী চার-পাঁচ দিনের মধ্যেই দুই নেতা হোয়াইট হাউসে ঐতিহাসিক
বৈঠকে মিলিত হতে পারেন।
চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের সূত্র ধরে
মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতা শুরু হয়। ২ মার্চ হিজবুল্লাহর রকেট হামলার পর লেবাননও এই যুদ্ধে
জড়িয়ে পড়ে। এরপর থেকে লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ২ হাজার মানুষ নিহত এবং প্রায়
১০ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। যুদ্ধবিরতি শুরুর ঠিক আগ মুহূর্ত পর্যন্ত হামলা-পাল্টা
হামলা চলেছে। দক্ষিণ লেবাননের গাজিয়া শহরে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত সাতজন নিহত হওয়ার
খবর জানিয়েছে লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এই যুদ্ধবিরতিকে
‘ঐতিহাসিক শান্তিচুক্তির’ সুযোগ হিসেবে দেখছেন। তবে তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, হিজবুল্লাহর
নিরস্ত্রীকরণ এবং দক্ষিণ লেবানন সীমান্তে ১০ কিলোমিটারের ‘নিরাপত্তা অঞ্চল’ বজায় রাখা
হবে তার প্রধান শর্ত।
অন্যদিকে, হিজবুল্লাহর আইনপ্রণেতা ইব্রাহিম আল-মুসাউই জানিয়েছেন,
ইসরায়েল হামলা বন্ধ রাখলে তারা ‘সতর্কতার সঙ্গে’ এই যুদ্ধবিরতি মেনে চলবে। এই চুক্তির
জন্য তারা ইরানকে ধন্যবাদ জানিয়েছে।
বৈরুতের সাধারণ মানুষের মধ্যে এই যুদ্ধবিরতি নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
দেখা গেছে। দীর্ঘ যুদ্ধের ক্লান্তিতে গৃহিণী জামাল শেহাব এই উদ্যোগকে স্বাগত জানালেও,
তারেক বু খলিলের মতো অনেক লেবানিজ নাগরিক ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর প্রতিশ্রুতি নিয়ে কিছুটা
সংশয় প্রকাশ করেছেন।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আশা প্রকাশ করেছেন যে,
এই সাময়িক বিরতি শেষ পর্যন্ত ইরান-ইসরায়েল সংঘাত নিরসন এবং মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘস্থায়ী
শান্তি প্রতিষ্ঠায় সহায়ক হবে।

আপনার মতামত লিখুন