সংবাদ

রামিসা হত্যাকাণ্ড: শেষ হলো সাক্ষ্যগ্রহণ, এবার ‘কাঠগড়ায় খুনিরা’


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ২ জুন ২০২৬, ০৯:২৯ পিএম

রামিসা হত্যাকাণ্ড: শেষ হলো সাক্ষ্যগ্রহণ, এবার ‘কাঠগড়ায় খুনিরা’

  • আদালত জুড়ে শুধুই কান্না; তদন্ত কর্মকর্তা থেকে বাবা-মা, চোখের জল ধরে রাখতে পারলেন না কেউই

আট বছরের ছোট্ট শিশু রামিসা আক্তার। মিরপুর-১১ নম্বরের বাসাটিতে যে চঞ্চল পায়ে সে ঘুরে বেড়াতো, সেই পায়ের একটি মাত্র জুতো এখন এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের সবচেয়ে বড় সাক্ষী।

গত ১৯ মে ফুটফুটে এই মেয়েটির মস্তকবিহীন লাশ উদ্ধার করা হয়েছিলো পাশের ফ্ল্যাটের খাটের নিচ থেকে, আর কাটা মাথাটি পড়েছিল বাথরুমে। সেই পাশবিক, রোমহর্ষক ঘটনার বিচার এখন চূড়ান্ত পর্বে। মাত্র দুই দিনেরেকর্ড গতিতে’ শেষ হয়েছে মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ। আদালত কক্ষে যখন একের পর এক আলামত, কাটা গ্রিল আর ডিএনএ রিপোর্ট উপস্থাপন করা হচ্ছিলো, তখন পুরো আদালত চত্বরের বাতাস ভারী হয়ে উঠেছিল রামিসার বাবা-মায়ের বুকফাটা আর্তনাদে।

ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে দিনভর চলে ১৬ জন সাক্ষীর জবানবন্দি জেরা। ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের এজলাসে যখন রামিসার বাবা-মা এবং তদন্ত সংশ্লিষ্টরা ঘটনার বর্ণনা দিচ্ছিলেন, তখন উপস্থিত আইনজীবী থেকে শুরু করে খোদ পুলিশ সদস্যরাও চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি।

মামলার পর্যায় শেষে আগামীকাল বুধবার আসামিদের আত্মপক্ষ সমর্থন ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারায় সাফাই সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য করেছেন আদালত।

সরাসরি হাসপাতাল থেকে অ্যাম্বুলেন্সে চড়ে মেয়ের বিচার চাইতে আসেন বাবা

নিহত রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা অসুস্থ। মেয়ের এই মর্মান্তিক পরিণতির পর থেকেই তিনি শয্যাশায়ী। কিন্তু কলিজার টুকরোর খুনিদের শেষ দেখতে আজ সরাসরি হাসপাতাল থেকে অ্যাম্বুলেন্সে চড়ে এসেছিলেন আদালত প্রাঙ্গণে। কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে প্রথম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিতে গিয়ে তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন। দাঁড়িয়ে থাকার শক্তি হারিয়ে ফেললে আদালত তাকে বসার জন্য একটি চেয়ারের ব্যবস্থা করে দেন।

আদালতকে হান্নান মোল্লা বলেন, ‘ঘটনার দিন সকালে অফিসে যাওয়ার পর স্ত্রী ফোন করে জরুরি ভিত্তিতে বাসায় আসতে বলেন। বাসায় ফিরে দেখেন ফ্ল্যাটের সামনে অনেক মানুষ জড়ো হয়েছে এবং পাশের ফ্ল্যাটের দরজা কেউ খুলছে না। পরে হাতুড়ি দিয়ে দরজার লক ভেঙে ভেতরে ঢুকি। ভেতরে ঢুকে টয়লেটের সামনে সামান্য রক্ত দেখতে পাই।

এই দৃশ্য দেখার পর এক বাবার বুকে যে ঝড় উঠেছিলো, তা বর্ণনা করার ভাষা আদালত কক্ষের কারও জানা ছিলো না। শুনানি শেষে বিকেলে আবার সেই অ্যাম্বুলেন্সে করেই তিনি ফিরে যান হাসপাতালে। যাওয়ার আগে শুধু একটি কথাই উচ্চস্বরে বলতে পেরেছেন, ‘আমার মেয়ের হত্যার বিচার চাই, খুনিদের সর্বোচ্চ শাস্তি চাই।

কান্নাভেজা কণ্ঠে ঘটনার লোমহর্ষক বর্ণনা দিলেন মা পারভীন আক্তার

দ্বিতীয় সাক্ষী হিসেবে যখন রামিসার মা পারভীন আক্তার কাঠগড়ায় দাঁড়ালেন, তখন পুরো এজলাসে পিনপতন নীরবতা। তিনি জবানবন্দিতে জানান, ‘ঘটনার সময় আমি বাসায় রান্না করছিলাম। সময় একটি শিশুর চিৎকার শুনলেও সেটিকে পাশের বাসার কোনো শিশুর চিৎকার ভেবেছিলাম। পরে মেয়েকে খুঁজতে গিয়ে বিভিন্ন জায়গায় অনুসন্ধান করি। একপর্যায়ে পাশের ফ্ল্যাটের সামনে রামিসার একটি জুতা দেখতে পাই। তখন মনে হয়, আগে যে চিৎকার শুনেছিলাম সেটি হয়তো আমার মেয়েরই ছিল।

পারভীন আক্তার কাঁদতে কাঁদতে আরও বলেন, ‘পাশের ফ্ল্যাটের দরজা খুলছিলো না। আমি বার বার স্বপ্না আক্তারকে বোন বলে ডাকলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। পরে লোকজন দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করলে রক্ত দেখতে পাই।

মায়ের এই জবানবন্দি চলাকালে ট্রাইব্যুনালের বাইরে থাকা সাংবাদিকদের চোখের কোণও ভিজে ওঠে। রামিসার ছোট বোন রাইসা আক্তার অপ্রাপ্তবয়স্কা হওয়ায় তার মানসিক সুরক্ষার কথা ভেবে ক্যামেরা ট্রায়ালের মাধ্যমে বন্ধ কামরায় তার বক্তব্য রেকর্ড করেন বিচারক।

কাঠগড়ায় ঘাতক সোহেল তার স্ত্রী

বিকেলের দিকে আদালতে তদন্তের সময় জব্দ করা কাটা গ্রিলসহ বিভিন্ন রক্তমাখা আলামত উপস্থাপন করা হয়। প্রযুক্তিগত বিশেষজ্ঞ সাক্ষী হিসেবে এসব আলামত উপস্থাপন করতে গিয়ে আবেগ ধরে রাখতে পারেননি এসআই ইকবাল হোসেন। ঘটনার ভয়াবহতা আর আট বছরের শিশুর ওপর চলা পৈশাচিকতার বিবরণ দিতে গিয়ে এই পুলিশ কর্মকর্তা এজলাসেই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।

এদিকে কেরানীগঞ্জ কাশিমপুর কারাগার থেকে কড়া নিরাপত্তায় আদালতে আনা হয় মূল ঘাতক সোহেল রানা তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে। আগের দিন প্রধান আসামি সোহেল রানা প্রিজন ভ্যানে ওঠার সময় গণমাধ্যমের সামনে চিৎকার করে নাটকীয় বক্তব্য দেওয়ায় আজ পুলিশী নিরাপত্তা ছিলো বেশি। আদালত ভবন থেকে হাজতখানায় নেওয়ার সময় ১৫ থেকে ২০ জন পুলিশ সদস্য তাদের ঘিরে রাখেন এবং সোহেল রানার মুখে শক্ত করে মাস্ক পরিয়ে দেওয়া হয়। সাংবাদিকরা যেন তার কোনো বক্তব্য রেকর্ড করতে না পারেন, সেজন্য পুরো পথজুড়ে পুলিশ সদস্যরা মুহুর্মুহু বাঁশি বাজাতে থাকেন।

রাষ্ট্রপক্ষের বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট আজিজুর রহমান দুলু শুনানির বিরতিতে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, ‘আজকের সাক্ষ্য জেরার বিভিন্ন অংশে মামলার গুরুত্বপূর্ণ ইনক্রিমিনেটিং এভিডেন্স ট্রাইব্যুনালের সামনে এসেছে। দুই আসামির সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি প্রতিষ্ঠার মতো গুরুত্বপূর্ণ উপাদান পাওয়া গেছে।

ঢাকা মহানগর আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ওমর ফারুকও একই সুরে বলেন, ‘আসামিপক্ষ জেরা করলেও সাক্ষীদের মূল বক্তব্য খণ্ডন করতে পারেনি। তারা যা দেখেছেন এবং যে পরিস্থিতিতে দেখেছেন, তা স্পষ্টভাবে আদালতে বলেছেন।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬


রামিসা হত্যাকাণ্ড: শেষ হলো সাক্ষ্যগ্রহণ, এবার ‘কাঠগড়ায় খুনিরা’

প্রকাশের তারিখ : ০২ জুন ২০২৬

featured Image

  • আদালত জুড়ে শুধুই কান্না; তদন্ত কর্মকর্তা থেকে বাবা-মা, চোখের জল ধরে রাখতে পারলেন না কেউই

আট বছরের ছোট্ট শিশু রামিসা আক্তার। মিরপুর-১১ নম্বরের বাসাটিতে যে চঞ্চল পায়ে সে ঘুরে বেড়াতো, সেই পায়ের একটি মাত্র জুতো এখন এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের সবচেয়ে বড় সাক্ষী।

গত ১৯ মে ফুটফুটে এই মেয়েটির মস্তকবিহীন লাশ উদ্ধার করা হয়েছিলো পাশের ফ্ল্যাটের খাটের নিচ থেকে, আর কাটা মাথাটি পড়েছিল বাথরুমে। সেই পাশবিক, রোমহর্ষক ঘটনার বিচার এখন চূড়ান্ত পর্বে। মাত্র দুই দিনেরেকর্ড গতিতে’ শেষ হয়েছে মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ। আদালত কক্ষে যখন একের পর এক আলামত, কাটা গ্রিল আর ডিএনএ রিপোর্ট উপস্থাপন করা হচ্ছিলো, তখন পুরো আদালত চত্বরের বাতাস ভারী হয়ে উঠেছিল রামিসার বাবা-মায়ের বুকফাটা আর্তনাদে।

ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে দিনভর চলে ১৬ জন সাক্ষীর জবানবন্দি জেরা। ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের এজলাসে যখন রামিসার বাবা-মা এবং তদন্ত সংশ্লিষ্টরা ঘটনার বর্ণনা দিচ্ছিলেন, তখন উপস্থিত আইনজীবী থেকে শুরু করে খোদ পুলিশ সদস্যরাও চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি।

মামলার পর্যায় শেষে আগামীকাল বুধবার আসামিদের আত্মপক্ষ সমর্থন ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারায় সাফাই সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য করেছেন আদালত।

সরাসরি হাসপাতাল থেকে অ্যাম্বুলেন্সে চড়ে মেয়ের বিচার চাইতে আসেন বাবা

নিহত রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা অসুস্থ। মেয়ের এই মর্মান্তিক পরিণতির পর থেকেই তিনি শয্যাশায়ী। কিন্তু কলিজার টুকরোর খুনিদের শেষ দেখতে আজ সরাসরি হাসপাতাল থেকে অ্যাম্বুলেন্সে চড়ে এসেছিলেন আদালত প্রাঙ্গণে। কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে প্রথম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিতে গিয়ে তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন। দাঁড়িয়ে থাকার শক্তি হারিয়ে ফেললে আদালত তাকে বসার জন্য একটি চেয়ারের ব্যবস্থা করে দেন।

আদালতকে হান্নান মোল্লা বলেন, ‘ঘটনার দিন সকালে অফিসে যাওয়ার পর স্ত্রী ফোন করে জরুরি ভিত্তিতে বাসায় আসতে বলেন। বাসায় ফিরে দেখেন ফ্ল্যাটের সামনে অনেক মানুষ জড়ো হয়েছে এবং পাশের ফ্ল্যাটের দরজা কেউ খুলছে না। পরে হাতুড়ি দিয়ে দরজার লক ভেঙে ভেতরে ঢুকি। ভেতরে ঢুকে টয়লেটের সামনে সামান্য রক্ত দেখতে পাই।

এই দৃশ্য দেখার পর এক বাবার বুকে যে ঝড় উঠেছিলো, তা বর্ণনা করার ভাষা আদালত কক্ষের কারও জানা ছিলো না। শুনানি শেষে বিকেলে আবার সেই অ্যাম্বুলেন্সে করেই তিনি ফিরে যান হাসপাতালে। যাওয়ার আগে শুধু একটি কথাই উচ্চস্বরে বলতে পেরেছেন, ‘আমার মেয়ের হত্যার বিচার চাই, খুনিদের সর্বোচ্চ শাস্তি চাই।

কান্নাভেজা কণ্ঠে ঘটনার লোমহর্ষক বর্ণনা দিলেন মা পারভীন আক্তার

দ্বিতীয় সাক্ষী হিসেবে যখন রামিসার মা পারভীন আক্তার কাঠগড়ায় দাঁড়ালেন, তখন পুরো এজলাসে পিনপতন নীরবতা। তিনি জবানবন্দিতে জানান, ‘ঘটনার সময় আমি বাসায় রান্না করছিলাম। সময় একটি শিশুর চিৎকার শুনলেও সেটিকে পাশের বাসার কোনো শিশুর চিৎকার ভেবেছিলাম। পরে মেয়েকে খুঁজতে গিয়ে বিভিন্ন জায়গায় অনুসন্ধান করি। একপর্যায়ে পাশের ফ্ল্যাটের সামনে রামিসার একটি জুতা দেখতে পাই। তখন মনে হয়, আগে যে চিৎকার শুনেছিলাম সেটি হয়তো আমার মেয়েরই ছিল।

পারভীন আক্তার কাঁদতে কাঁদতে আরও বলেন, ‘পাশের ফ্ল্যাটের দরজা খুলছিলো না। আমি বার বার স্বপ্না আক্তারকে বোন বলে ডাকলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। পরে লোকজন দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করলে রক্ত দেখতে পাই।

মায়ের এই জবানবন্দি চলাকালে ট্রাইব্যুনালের বাইরে থাকা সাংবাদিকদের চোখের কোণও ভিজে ওঠে। রামিসার ছোট বোন রাইসা আক্তার অপ্রাপ্তবয়স্কা হওয়ায় তার মানসিক সুরক্ষার কথা ভেবে ক্যামেরা ট্রায়ালের মাধ্যমে বন্ধ কামরায় তার বক্তব্য রেকর্ড করেন বিচারক।

কাঠগড়ায় ঘাতক সোহেল তার স্ত্রী

বিকেলের দিকে আদালতে তদন্তের সময় জব্দ করা কাটা গ্রিলসহ বিভিন্ন রক্তমাখা আলামত উপস্থাপন করা হয়। প্রযুক্তিগত বিশেষজ্ঞ সাক্ষী হিসেবে এসব আলামত উপস্থাপন করতে গিয়ে আবেগ ধরে রাখতে পারেননি এসআই ইকবাল হোসেন। ঘটনার ভয়াবহতা আর আট বছরের শিশুর ওপর চলা পৈশাচিকতার বিবরণ দিতে গিয়ে এই পুলিশ কর্মকর্তা এজলাসেই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।

এদিকে কেরানীগঞ্জ কাশিমপুর কারাগার থেকে কড়া নিরাপত্তায় আদালতে আনা হয় মূল ঘাতক সোহেল রানা তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে। আগের দিন প্রধান আসামি সোহেল রানা প্রিজন ভ্যানে ওঠার সময় গণমাধ্যমের সামনে চিৎকার করে নাটকীয় বক্তব্য দেওয়ায় আজ পুলিশী নিরাপত্তা ছিলো বেশি। আদালত ভবন থেকে হাজতখানায় নেওয়ার সময় ১৫ থেকে ২০ জন পুলিশ সদস্য তাদের ঘিরে রাখেন এবং সোহেল রানার মুখে শক্ত করে মাস্ক পরিয়ে দেওয়া হয়। সাংবাদিকরা যেন তার কোনো বক্তব্য রেকর্ড করতে না পারেন, সেজন্য পুরো পথজুড়ে পুলিশ সদস্যরা মুহুর্মুহু বাঁশি বাজাতে থাকেন।

রাষ্ট্রপক্ষের বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট আজিজুর রহমান দুলু শুনানির বিরতিতে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, ‘আজকের সাক্ষ্য জেরার বিভিন্ন অংশে মামলার গুরুত্বপূর্ণ ইনক্রিমিনেটিং এভিডেন্স ট্রাইব্যুনালের সামনে এসেছে। দুই আসামির সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি প্রতিষ্ঠার মতো গুরুত্বপূর্ণ উপাদান পাওয়া গেছে।

ঢাকা মহানগর আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ওমর ফারুকও একই সুরে বলেন, ‘আসামিপক্ষ জেরা করলেও সাক্ষীদের মূল বক্তব্য খণ্ডন করতে পারেনি। তারা যা দেখেছেন এবং যে পরিস্থিতিতে দেখেছেন, তা স্পষ্টভাবে আদালতে বলেছেন।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত