জেঠের অগ্নিবাণে পুড়ছে চারপাশ। সকাল গড়াতেই সূর্য যেন আগুন ঢালছে চরাচরে। ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, রাজশাহী থেকে শুরু করে দেশের বিস্তীর্ণ জনপদে এখন শুধুই ওষ্ঠাগত প্রাণ।
ঘরে-বাইরে কোথাও এতটুকু স্বস্তি নেই। পিচগলা রাস্তা
আর ভ্যাপসা গরমে চাতক পাখির
মতো এক ফোঁটা বৃষ্টির
জন্য প্রহর গুনছে সাধারণ মানুষ। তবে এই দুঃসহ
গরমে অবশেষে কিছুটা স্বস্তির বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস।
আগামী শুক্রবার থেকেই এই তীব্র দাবদাহ
থেকে মুক্তি মিলতে পারে বলে আভাস
দেওয়া হয়েছে।
তীব্র
গরমে যখন জনজীবন বিপর্যস্ত,
তখন মেঘের গুরুগুরু ডাক শোনার অপেক্ষায়
প্রহর গুনছে কোটি মানুষ। আবহাওয়া
অধিদপ্তরের নিয়মিত পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, আগামী ৫ জুন শুক্রবার
সারাদেশে বৃষ্টির প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। এর ফলে শুক্রবার
থেকে গরমের তীব্রতা অনেকটা কমে যেতে পারে।
শুক্রবার রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের
অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী বিভাগের
কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে
দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া
এবং বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের
বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি
হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের
কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী
বর্ষণের সম্ভাবনাও রয়েছে। একই সঙ্গে শুক্রবার
সারাদেশে দিন এবং রাতের
তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে, যা
তপ্ত জনজীবনে কিছুটা হলেও শীতলতার পরশ
বুলিয়ে দেবে।
তবে
পরম স্বস্তির এই বৃষ্টির আগে
আরও কিছুটা সময় পুড়তে হবে
দেশবাসীকে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার ঢাকা, রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের
কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ হতে
পারে। তবে এই সময়ে
সারাদেশে দিন এবং রাতের
তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে
আবহাওয়া অফিস।
মূলত
গত কয়েকদিন ধরেই ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ,
টাঙ্গাইল, ফরিদপুর, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, ময়মনসিংহ, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, লক্ষ্মীপুর, বরিশাল, পটুয়াখালী ও ভোলা জেলাসহ
রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের
ওপর দিয়ে মৃদু থেকে
মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এই
তাপপ্রবাহ আজও অব্যাহত থাকতে
পারে। আপাতত চাতকের মতো আকাশের পানে
চেয়ে থাকা ছাড়া ঢাকাবাসীর
আর কোনো উপায় নেই।
প্রকৃতির এই রুদ্ররূপ কাটিয়ে
শুক্রবারের মেঘমল্লার যেন জুড়িয়ে দেয়
সবার প্রাণ, এখন সেই প্রার্থনাই
চারদিকে।

বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ জুন ২০২৬
জেঠের অগ্নিবাণে পুড়ছে চারপাশ। সকাল গড়াতেই সূর্য যেন আগুন ঢালছে চরাচরে। ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, রাজশাহী থেকে শুরু করে দেশের বিস্তীর্ণ জনপদে এখন শুধুই ওষ্ঠাগত প্রাণ।
ঘরে-বাইরে কোথাও এতটুকু স্বস্তি নেই। পিচগলা রাস্তা
আর ভ্যাপসা গরমে চাতক পাখির
মতো এক ফোঁটা বৃষ্টির
জন্য প্রহর গুনছে সাধারণ মানুষ। তবে এই দুঃসহ
গরমে অবশেষে কিছুটা স্বস্তির বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস।
আগামী শুক্রবার থেকেই এই তীব্র দাবদাহ
থেকে মুক্তি মিলতে পারে বলে আভাস
দেওয়া হয়েছে।
তীব্র
গরমে যখন জনজীবন বিপর্যস্ত,
তখন মেঘের গুরুগুরু ডাক শোনার অপেক্ষায়
প্রহর গুনছে কোটি মানুষ। আবহাওয়া
অধিদপ্তরের নিয়মিত পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, আগামী ৫ জুন শুক্রবার
সারাদেশে বৃষ্টির প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। এর ফলে শুক্রবার
থেকে গরমের তীব্রতা অনেকটা কমে যেতে পারে।
শুক্রবার রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের
অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী বিভাগের
কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে
দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া
এবং বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের
বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি
হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের
কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী
বর্ষণের সম্ভাবনাও রয়েছে। একই সঙ্গে শুক্রবার
সারাদেশে দিন এবং রাতের
তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে, যা
তপ্ত জনজীবনে কিছুটা হলেও শীতলতার পরশ
বুলিয়ে দেবে।
তবে
পরম স্বস্তির এই বৃষ্টির আগে
আরও কিছুটা সময় পুড়তে হবে
দেশবাসীকে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার ঢাকা, রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের
কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ হতে
পারে। তবে এই সময়ে
সারাদেশে দিন এবং রাতের
তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে
আবহাওয়া অফিস।
মূলত
গত কয়েকদিন ধরেই ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ,
টাঙ্গাইল, ফরিদপুর, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, ময়মনসিংহ, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, লক্ষ্মীপুর, বরিশাল, পটুয়াখালী ও ভোলা জেলাসহ
রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের
ওপর দিয়ে মৃদু থেকে
মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এই
তাপপ্রবাহ আজও অব্যাহত থাকতে
পারে। আপাতত চাতকের মতো আকাশের পানে
চেয়ে থাকা ছাড়া ঢাকাবাসীর
আর কোনো উপায় নেই।
প্রকৃতির এই রুদ্ররূপ কাটিয়ে
শুক্রবারের মেঘমল্লার যেন জুড়িয়ে দেয়
সবার প্রাণ, এখন সেই প্রার্থনাই
চারদিকে।

আপনার মতামত লিখুন