লেবাননে অবিলম্বে হামলা বন্ধ করতে ইসরায়েলকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় দুই দেশের মধ্যে চলমান ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি চলাকালীন ইসরায়েল আর কোনো ধরনের বোমা হামলা চালাতে পারবে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন তিনি।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল, ২০২৬) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প সরাসরি বলেন, "আর একটাও বোমা নয়, যথেষ্ট ।" তার এই বার্তার মাধ্যমে কার্যত লেবাননে ইসরায়েলি সব ধরনের সামরিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে এই ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি কার্যকরের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রই এখন ‘চালকের আসনে’ রয়েছে। অর্থাৎ, এই প্রক্রিয়ার পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ এখন ওয়াশিংটনের হাতে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, এই শান্তি প্রক্রিয়া কোনোভাবেই লেবাননের ওপর নির্ভরশীল নয়; বরং যুক্তরাষ্ট্র স্বাধীনভাবে লেবাননের সঙ্গে কাজ করবে। একইসঙ্গে হিজবুল্লাহর কার্যক্রম কঠোরভাবে মোকাবিলা করা হবে বলেও তিনি অঙ্গীকার করেন।
এদিকে, মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি ফেরাতে ইরানের জন্য একটি বিশাল প্রস্তাব দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। অনলাইন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস-এর তথ্যমতে, ইরান যদি তাদের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কার্যক্রম বন্ধ করে এবং তা হস্তান্তর করে, তবে বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্র ইরানিদের জব্দকৃত ২ হাজার কোটি (২০ বিলিয়ন) ডলার ছাড় দেওয়ার কথা বিবেচনা করবে।
তবে ট্রাম্প স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, এই চুক্তিতে কোনো নগদ অর্থ লেনদেন হবে না। বরং নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ সাপেক্ষে এই বিশাল অংকের সম্পদ ব্যবহারের সুযোগ পেতে পারে তেহরান।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ট্রাম্পের এই কঠোর অবস্থান এবং একই সঙ্গে ইরানকে দেওয়া বড় প্রস্তাব মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতিতে নতুন মোড় নিতে পারে। একদিকে হিজবুল্লাহ দমনে অনড় অবস্থান, অন্যদিকে ইসরায়েলকে লেবাননে বোমা হামলা থেকে বিরত রাখা সব মিলিয়ে ট্রাম্প প্রশাসন এই অঞ্চলে মার্কিন প্রভাব নতুন করে জাহির করতে চাইছে।

শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ এপ্রিল ২০২৬
লেবাননে অবিলম্বে হামলা বন্ধ করতে ইসরায়েলকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় দুই দেশের মধ্যে চলমান ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি চলাকালীন ইসরায়েল আর কোনো ধরনের বোমা হামলা চালাতে পারবে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন তিনি।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল, ২০২৬) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প সরাসরি বলেন, "আর একটাও বোমা নয়, যথেষ্ট ।" তার এই বার্তার মাধ্যমে কার্যত লেবাননে ইসরায়েলি সব ধরনের সামরিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে এই ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি কার্যকরের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রই এখন ‘চালকের আসনে’ রয়েছে। অর্থাৎ, এই প্রক্রিয়ার পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ এখন ওয়াশিংটনের হাতে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, এই শান্তি প্রক্রিয়া কোনোভাবেই লেবাননের ওপর নির্ভরশীল নয়; বরং যুক্তরাষ্ট্র স্বাধীনভাবে লেবাননের সঙ্গে কাজ করবে। একইসঙ্গে হিজবুল্লাহর কার্যক্রম কঠোরভাবে মোকাবিলা করা হবে বলেও তিনি অঙ্গীকার করেন।
এদিকে, মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি ফেরাতে ইরানের জন্য একটি বিশাল প্রস্তাব দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। অনলাইন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস-এর তথ্যমতে, ইরান যদি তাদের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কার্যক্রম বন্ধ করে এবং তা হস্তান্তর করে, তবে বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্র ইরানিদের জব্দকৃত ২ হাজার কোটি (২০ বিলিয়ন) ডলার ছাড় দেওয়ার কথা বিবেচনা করবে।
তবে ট্রাম্প স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, এই চুক্তিতে কোনো নগদ অর্থ লেনদেন হবে না। বরং নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ সাপেক্ষে এই বিশাল অংকের সম্পদ ব্যবহারের সুযোগ পেতে পারে তেহরান।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ট্রাম্পের এই কঠোর অবস্থান এবং একই সঙ্গে ইরানকে দেওয়া বড় প্রস্তাব মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতিতে নতুন মোড় নিতে পারে। একদিকে হিজবুল্লাহ দমনে অনড় অবস্থান, অন্যদিকে ইসরায়েলকে লেবাননে বোমা হামলা থেকে বিরত রাখা সব মিলিয়ে ট্রাম্প প্রশাসন এই অঞ্চলে মার্কিন প্রভাব নতুন করে জাহির করতে চাইছে।

আপনার মতামত লিখুন