মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি ফেরাতে আবারও আলোচনায় বসছে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দুই দেশ যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। আগামী সোমবার (২০ এপ্রিল) পাকিস্তানে এই গুরুত্বপূর্ণ দ্বিতীয় দফার বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে পারে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের বরাত দিয়ে তুরস্কের আনাদোলু নিউজ এজেন্সি এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
প্রতিবেদনে জানানো
হয়েছে,
এই আলোচনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট
ইরানি কর্মকর্তারা ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, দুই দেশের আলোচক দল রবিবারই (১৯ এপ্রিল) ইসলামাবাদের
উদ্দেশ্যে রওয়ানা হতে পারেন। যদিও ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত এই বৈঠকের
বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা আসেনি, তবে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এটি নিয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি
হয়েছে।
শুধুমাত্র
পাকিস্তান নয়, কাতার
ও তুরস্কসহ আরও বেশ কয়েকটি দেশ যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনা
প্রশমনে মধ্যস্থতা করে যাচ্ছে। তবে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে পাকিস্তানই মূল
ভূমিকা পালন করছে এবং দেশটির সরকারের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে সব পক্ষ।
মার্কিন
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে দ্রুত একটি সমঝোতা চুক্তিতে পৌঁছানোর
ব্যাপারে যথেষ্ট আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। তিনি মনে করেন,
পশ্চিম এশিয়ায় চলমান যুদ্ধ
পুরোপুরি থামতে আর বেশি দেরি নেই।
এর আগে গত ৮ এপ্রিল
দুই দেশ ১৪ দিনের একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছিল। ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন
যে,
আলোচনার গতিপ্রকৃতি যা,
তাতে এই যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আর
বাড়ানোর প্রয়োজন পড়বে না। অর্থাৎ, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই একটি বড় ধরনের শান্তি চুক্তি
সম্পন্ন হতে পারে।
টানা কয়েক মাসের
চরম উত্তেজনার পর পাকিস্তানের সক্রিয় মধ্যস্থতায় গত ৮ এপ্রিল প্রথমবারের মতো বরফ
গলতে শুরু করে। প্রথম দফার সেই আলোচনার ধারাবাহিকতায় সোমবারের এই দ্বিতীয় দফার
বৈঠকটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ এপ্রিল ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি ফেরাতে আবারও আলোচনায় বসছে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দুই দেশ যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। আগামী সোমবার (২০ এপ্রিল) পাকিস্তানে এই গুরুত্বপূর্ণ দ্বিতীয় দফার বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে পারে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের বরাত দিয়ে তুরস্কের আনাদোলু নিউজ এজেন্সি এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
প্রতিবেদনে জানানো
হয়েছে,
এই আলোচনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট
ইরানি কর্মকর্তারা ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, দুই দেশের আলোচক দল রবিবারই (১৯ এপ্রিল) ইসলামাবাদের
উদ্দেশ্যে রওয়ানা হতে পারেন। যদিও ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত এই বৈঠকের
বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা আসেনি, তবে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এটি নিয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি
হয়েছে।
শুধুমাত্র
পাকিস্তান নয়, কাতার
ও তুরস্কসহ আরও বেশ কয়েকটি দেশ যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনা
প্রশমনে মধ্যস্থতা করে যাচ্ছে। তবে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে পাকিস্তানই মূল
ভূমিকা পালন করছে এবং দেশটির সরকারের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে সব পক্ষ।
মার্কিন
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে দ্রুত একটি সমঝোতা চুক্তিতে পৌঁছানোর
ব্যাপারে যথেষ্ট আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। তিনি মনে করেন,
পশ্চিম এশিয়ায় চলমান যুদ্ধ
পুরোপুরি থামতে আর বেশি দেরি নেই।
এর আগে গত ৮ এপ্রিল
দুই দেশ ১৪ দিনের একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছিল। ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন
যে,
আলোচনার গতিপ্রকৃতি যা,
তাতে এই যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আর
বাড়ানোর প্রয়োজন পড়বে না। অর্থাৎ, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই একটি বড় ধরনের শান্তি চুক্তি
সম্পন্ন হতে পারে।
টানা কয়েক মাসের
চরম উত্তেজনার পর পাকিস্তানের সক্রিয় মধ্যস্থতায় গত ৮ এপ্রিল প্রথমবারের মতো বরফ
গলতে শুরু করে। প্রথম দফার সেই আলোচনার ধারাবাহিকতায় সোমবারের এই দ্বিতীয় দফার
বৈঠকটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন