ইরানের সাথে দীর্ঘমেয়াদী কোনো শান্তি চুক্তি সম্পন্ন না হলে দেশটির বন্দরগুলোর ওপর আরোপিত মার্কিন অবরোধ কোনোভাবেই প্রত্যাহার করা হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একইসঙ্গে আগামী বুধবার চলমান অস্থায়ী যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর তা আর বাড়ানো হবে না বলেও কড়া ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।
শুক্রবার (১৭
এপ্রিল, ২০২৬) রাতে এরিজোনা থেকে ওয়াশিংটনে
ফেরার পথে প্রেসিডেন্টদের বিশেষ বিমান ‘এয়ার ফোর্স ওয়ান’-এ সাংবাদিকদের সঙ্গে
আলাপকালে ট্রাম্প তার এই অনড় অবস্থানের কথা জানান। তিনি বলেন, “শান্তি চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধ অব্যাহত
থাকবে। সম্ভবত আমি যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আর বাড়াব না, তবে
অবরোধ বহাল থাকবে।”
গত ৮ এপ্রিল
পাকিস্তান ও অন্যান্য দেশের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ১৪ দিনের একটি
অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি শুরু হয়েছিল। এই মেয়াদের মধ্যেই দুই দেশের আলোচকরা একটি টেকসই
সমাধানে পৌঁছানোর চেষ্টা করছেন। ট্রাম্পের সাম্প্রতিক মন্তব্য অনুযায়ী, আগামী বুধবারের মধ্যে চূড়ান্ত কোনো
চুক্তি না হলে মধ্যপ্রাচ্যে আবারও সংঘাতময় পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।
বিশ্লেষকরা মনে
করছেন, ট্রাম্পের এই মন্তব্য ইরানের ওপর
মনস্তাত্ত্বিক চাপ সৃষ্টির একটি কৌশল। একদিকে তিনি বলছেন ইরানের সঙ্গে আলোচনা ‘খুব
ভালো’ এগোচ্ছে, অন্যদিকে অবরোধ বহাল রাখা এবং যুদ্ধবিরতি
না বাড়ানোর হুমকি দিয়ে তেহরানকে দ্রুত চুক্তিতে বাধ্য করতে চাইছেন।
ট্রাম্প স্পষ্ট
করেছেন যে, ইরানের
জব্দকৃত অর্থ ফেরত বা অবরোধ তুলে নেওয়ার বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে তাদের ইউরেনিয়াম
সমৃদ্ধকরণ বন্ধ এবং একটি শক্ত চুক্তিতে আসার ওপর নির্ভর করছে। বুধবারের সময়সীমা
শেষ হওয়ার আগে সোমবার পাকিস্তানে অনুষ্ঠেয় দ্বিতীয় দফার বৈঠকটিই এখন নির্ধারণ করবে
পশ্চিম এশিয়ার ভাগ্য।

শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ এপ্রিল ২০২৬
ইরানের সাথে দীর্ঘমেয়াদী কোনো শান্তি চুক্তি সম্পন্ন না হলে দেশটির বন্দরগুলোর ওপর আরোপিত মার্কিন অবরোধ কোনোভাবেই প্রত্যাহার করা হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একইসঙ্গে আগামী বুধবার চলমান অস্থায়ী যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর তা আর বাড়ানো হবে না বলেও কড়া ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।
শুক্রবার (১৭
এপ্রিল, ২০২৬) রাতে এরিজোনা থেকে ওয়াশিংটনে
ফেরার পথে প্রেসিডেন্টদের বিশেষ বিমান ‘এয়ার ফোর্স ওয়ান’-এ সাংবাদিকদের সঙ্গে
আলাপকালে ট্রাম্প তার এই অনড় অবস্থানের কথা জানান। তিনি বলেন, “শান্তি চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধ অব্যাহত
থাকবে। সম্ভবত আমি যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আর বাড়াব না, তবে
অবরোধ বহাল থাকবে।”
গত ৮ এপ্রিল
পাকিস্তান ও অন্যান্য দেশের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ১৪ দিনের একটি
অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি শুরু হয়েছিল। এই মেয়াদের মধ্যেই দুই দেশের আলোচকরা একটি টেকসই
সমাধানে পৌঁছানোর চেষ্টা করছেন। ট্রাম্পের সাম্প্রতিক মন্তব্য অনুযায়ী, আগামী বুধবারের মধ্যে চূড়ান্ত কোনো
চুক্তি না হলে মধ্যপ্রাচ্যে আবারও সংঘাতময় পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।
বিশ্লেষকরা মনে
করছেন, ট্রাম্পের এই মন্তব্য ইরানের ওপর
মনস্তাত্ত্বিক চাপ সৃষ্টির একটি কৌশল। একদিকে তিনি বলছেন ইরানের সঙ্গে আলোচনা ‘খুব
ভালো’ এগোচ্ছে, অন্যদিকে অবরোধ বহাল রাখা এবং যুদ্ধবিরতি
না বাড়ানোর হুমকি দিয়ে তেহরানকে দ্রুত চুক্তিতে বাধ্য করতে চাইছেন।
ট্রাম্প স্পষ্ট
করেছেন যে, ইরানের
জব্দকৃত অর্থ ফেরত বা অবরোধ তুলে নেওয়ার বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে তাদের ইউরেনিয়াম
সমৃদ্ধকরণ বন্ধ এবং একটি শক্ত চুক্তিতে আসার ওপর নির্ভর করছে। বুধবারের সময়সীমা
শেষ হওয়ার আগে সোমবার পাকিস্তানে অনুষ্ঠেয় দ্বিতীয় দফার বৈঠকটিই এখন নির্ধারণ করবে
পশ্চিম এশিয়ার ভাগ্য।

আপনার মতামত লিখুন