রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা (ইউএইচএফপিও) সম্মেলনে এক ‘অভূতপূর্ব ও হাস্যরসাত্মক’ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদানের সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল বার বার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভূয়সী প্রশংসা করতে থাকলে প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং তাকে থামিয়ে দিয়ে বলেন, ‘মন্ত্রী সাহেব, প্রশংসা একটু কম করেন।’
প্রধানমন্ত্রীর
এমন ‘সরস মন্তব্যে’ পুরো
মিলনায়তন জুড়ে করতালির রোল
পড়ে যায়। জবাবে হাসিমুখে
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘প্রশংসা করি নাই, যতটুকু
আপনি বলতেছেন সামান্য বলেছি।’
শনিবারের
এই সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী দেশের স্বাস্থ্য খাতের আমূল পরিবর্তনের ওপর
গুরুত্বারোপ করেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী
তার বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর জনকল্যাণমুখী কাজের ফিরিস্তি তুলে ধরে বলেন,
সরকার প্রধান ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি
ঘোষণা করেছেন, যার মাধ্যমে স্বাস্থ্য
খাতসহ সব ক্ষেত্রে অনিয়ম
ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়া
হয়েছে।
মন্ত্রী
আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী নিরলসভাবে জনগণের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন।
সংসদে দীর্ঘ সময় ধরে তিনি
দেশের উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণ
নিয়ে ভাবনা-চিন্তা করেন। তার এই নিরবচ্ছিন্ন
প্রচেষ্টার ফলেই তিনি এযাবতকালের
শ্রেষ্ঠ রাজনৈতিক সংগঠক। তিনি বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ
১০০ জন মানুষের ভেতরে
নিজের কর্মের মাধ্যমে জায়গা করে নিয়েছেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী
আরও উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী বিশেষভাবে গ্রাম পর্যায়ের চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের
সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপনে আগ্রহী। তাদের অভিজ্ঞতা ও পরামর্শকে গুরুত্ব
দিয়ে স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার
পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।
প্রধানমন্ত্রী
প্রত্যাশা করেন, মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা দেশের মানুষের সেবায় নিজেদের নিয়োজিত রাখবেন। বিনিময়ে সরকার তাদের কথা শুনবে এবং
কাজের পরিবেশ উন্নত করবে।
দেশের
প্রতিটি মানুষের জন্য সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত
করতে মাঠপর্যায়ের চিকিৎসকদের বিকল্প নেই উল্লেখ করে
মন্ত্রী সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান
জানান।
উপজেলা
হাসপাতালগুলোর উন্নয়ন অব্যাহত থাকবে এবং ভবিষ্যতে আরও
কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও তিনি
সভায় আশ্বস্ত করেন।

শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ এপ্রিল ২০২৬
রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা (ইউএইচএফপিও) সম্মেলনে এক ‘অভূতপূর্ব ও হাস্যরসাত্মক’ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদানের সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল বার বার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভূয়সী প্রশংসা করতে থাকলে প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং তাকে থামিয়ে দিয়ে বলেন, ‘মন্ত্রী সাহেব, প্রশংসা একটু কম করেন।’
প্রধানমন্ত্রীর
এমন ‘সরস মন্তব্যে’ পুরো
মিলনায়তন জুড়ে করতালির রোল
পড়ে যায়। জবাবে হাসিমুখে
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘প্রশংসা করি নাই, যতটুকু
আপনি বলতেছেন সামান্য বলেছি।’
শনিবারের
এই সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী দেশের স্বাস্থ্য খাতের আমূল পরিবর্তনের ওপর
গুরুত্বারোপ করেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী
তার বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর জনকল্যাণমুখী কাজের ফিরিস্তি তুলে ধরে বলেন,
সরকার প্রধান ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি
ঘোষণা করেছেন, যার মাধ্যমে স্বাস্থ্য
খাতসহ সব ক্ষেত্রে অনিয়ম
ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়া
হয়েছে।
মন্ত্রী
আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী নিরলসভাবে জনগণের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন।
সংসদে দীর্ঘ সময় ধরে তিনি
দেশের উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণ
নিয়ে ভাবনা-চিন্তা করেন। তার এই নিরবচ্ছিন্ন
প্রচেষ্টার ফলেই তিনি এযাবতকালের
শ্রেষ্ঠ রাজনৈতিক সংগঠক। তিনি বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ
১০০ জন মানুষের ভেতরে
নিজের কর্মের মাধ্যমে জায়গা করে নিয়েছেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী
আরও উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী বিশেষভাবে গ্রাম পর্যায়ের চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের
সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপনে আগ্রহী। তাদের অভিজ্ঞতা ও পরামর্শকে গুরুত্ব
দিয়ে স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার
পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।
প্রধানমন্ত্রী
প্রত্যাশা করেন, মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা দেশের মানুষের সেবায় নিজেদের নিয়োজিত রাখবেন। বিনিময়ে সরকার তাদের কথা শুনবে এবং
কাজের পরিবেশ উন্নত করবে।
দেশের
প্রতিটি মানুষের জন্য সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত
করতে মাঠপর্যায়ের চিকিৎসকদের বিকল্প নেই উল্লেখ করে
মন্ত্রী সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান
জানান।
উপজেলা
হাসপাতালগুলোর উন্নয়ন অব্যাহত থাকবে এবং ভবিষ্যতে আরও
কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও তিনি
সভায় আশ্বস্ত করেন।

আপনার মতামত লিখুন