যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সাম্প্রতিক সামরিক উত্তেজনায় ইরান ‘রণক্ষেত্রে বিজয়ী’ হয়েছে বলে দাবি করেছেন দেশটির পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। তিনি জানিয়েছেন, তেহরানের দেওয়া শর্ত ও দাবিগুলো মেনে নেওয়ায় ইরান কেবল অস্থায়ী যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) ইরানের জাতীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক ভাষণে
গালিবাফ বলেন, ‘আমরা রণক্ষেত্রে বিজয়ী হয়েছি।’ তিনি দাবি করেন, ওয়াশিংটন তাদের লক্ষ্য
অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ এখন ইরানের
হাতে। তার মতে, যুক্তরাষ্ট্র নতি স্বীকার করে ইরানের দাবি মেনে নিয়েছে বলেই তেহরান
এই দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছে।
গালিবাফ তার ভাষণে আরও উল্লেখ করেন যে, শত্রুপক্ষ সবসময় তাদের
নিজস্ব এজেন্ডা ইরানের ওপর চাপিয়ে দিতে চেয়েছিল। তিনি বলেন, ‘নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠা
করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। এক্ষেত্রে আলোচনাকেও আমরা সংগ্রামের একটি পদ্ধতি হিসেবে
দেখি।’
উল্লেখ্য, গত ১১ এপ্রিল পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে এক
রুদ্ধদ্বার বৈঠকে বসেন ইরানের স্পিকার গালিবাফ এবং মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স।
১৯৭৯ সালের ইসলামিক বিপ্লবের পর এটিই দুই দেশের মধ্যে হওয়া সর্বোচ্চ পর্যায়ের সরাসরি
বৈঠক। তবে সেই বৈঠকে কোনো চূড়ান্ত সমঝোতা হয়নি।
বর্তমানে কার্যকর থাকা দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আগামী
বুধবার শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। পাকিস্তানসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক পক্ষ স্থায়ী যুদ্ধবিরতির
জন্য চেষ্টা চালিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত বড় ধরনের কোনো অগ্রগতি হয়নি। ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী
জানিয়েছেন, পরবর্তী আলোচনার কোনো দিনক্ষণ এখনও চূড়ান্ত হয়নি।
হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ এবং মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা বজায়
রাখার বিষয়ে ইরান যে হার্ডলাইন অবস্থানে রয়েছে, স্পিকার গালিবাফের এই মন্তব্য তাকেই
আরও স্পষ্ট করল।

রোববার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ এপ্রিল ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সাম্প্রতিক সামরিক উত্তেজনায় ইরান ‘রণক্ষেত্রে বিজয়ী’ হয়েছে বলে দাবি করেছেন দেশটির পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। তিনি জানিয়েছেন, তেহরানের দেওয়া শর্ত ও দাবিগুলো মেনে নেওয়ায় ইরান কেবল অস্থায়ী যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) ইরানের জাতীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক ভাষণে
গালিবাফ বলেন, ‘আমরা রণক্ষেত্রে বিজয়ী হয়েছি।’ তিনি দাবি করেন, ওয়াশিংটন তাদের লক্ষ্য
অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ এখন ইরানের
হাতে। তার মতে, যুক্তরাষ্ট্র নতি স্বীকার করে ইরানের দাবি মেনে নিয়েছে বলেই তেহরান
এই দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছে।
গালিবাফ তার ভাষণে আরও উল্লেখ করেন যে, শত্রুপক্ষ সবসময় তাদের
নিজস্ব এজেন্ডা ইরানের ওপর চাপিয়ে দিতে চেয়েছিল। তিনি বলেন, ‘নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠা
করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। এক্ষেত্রে আলোচনাকেও আমরা সংগ্রামের একটি পদ্ধতি হিসেবে
দেখি।’
উল্লেখ্য, গত ১১ এপ্রিল পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে এক
রুদ্ধদ্বার বৈঠকে বসেন ইরানের স্পিকার গালিবাফ এবং মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স।
১৯৭৯ সালের ইসলামিক বিপ্লবের পর এটিই দুই দেশের মধ্যে হওয়া সর্বোচ্চ পর্যায়ের সরাসরি
বৈঠক। তবে সেই বৈঠকে কোনো চূড়ান্ত সমঝোতা হয়নি।
বর্তমানে কার্যকর থাকা দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আগামী
বুধবার শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। পাকিস্তানসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক পক্ষ স্থায়ী যুদ্ধবিরতির
জন্য চেষ্টা চালিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত বড় ধরনের কোনো অগ্রগতি হয়নি। ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী
জানিয়েছেন, পরবর্তী আলোচনার কোনো দিনক্ষণ এখনও চূড়ান্ত হয়নি।
হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ এবং মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা বজায়
রাখার বিষয়ে ইরান যে হার্ডলাইন অবস্থানে রয়েছে, স্পিকার গালিবাফের এই মন্তব্য তাকেই
আরও স্পষ্ট করল।

আপনার মতামত লিখুন