সংবাদ

কক্সবাজার সৈকত থেকে সরানো হলো ৪৫ ফুট উচ্চতার ‘বর্জ্যদানব’


নিজস্ব বার্তা পরিবেশক, কক্সবাজার
নিজস্ব বার্তা পরিবেশক, কক্সবাজার
প্রকাশ: ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:১৬ পিএম

কক্সবাজার সৈকত থেকে সরানো হলো ৪৫ ফুট উচ্চতার ‘বর্জ্যদানব’
কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টে প্লাস্টিক দূষণ রোধে সচেতনতা সৃষ্টির জন্য নির্মিত ‘বর্জ্যদানব’ ভাস্কর্যটি সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। ছবি : সংবাদ

কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টে প্লাস্টিক দূষণের বিরুদ্ধে সচেতনতা সৃষ্টির প্রতীক হিসেবে স্থাপিত সেই বিশাল ‘বর্জ্যদানব’ ভাস্কর্যটি সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। সোমবার (২০ এপ্রিল) বিকেলে ভাস্কর্যটি আনুষ্ঠানিকভাবে অপসারণ করা হয়। বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের পরিচালক জামাল উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন জানায়, গত ১১ এপ্রিল ভাস্কর্যটি অপসারণের কাজ শুরু হয়। টানা তিন দিনের প্রচেষ্টায় গত ১৫ এপ্রিল অপসারণ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। এই ভাস্কর্য নির্মাণে ব্যবহৃত প্রায় ১০ টন প্লাস্টিক এখন রিসাইক্লিং বা পুনর্ব্যবহারের জন্য পাঠানো হয়েছে। পুরো অপসারণ প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হয়েছে স্বেচ্ছাসেবীদের শ্রমের ভিত্তিতে।

জামাল উদ্দিন বলেন, ‘কক্সবাজার ও সেন্টমার্টিন উপকূল বর্তমানে মারাত্মক পরিবেশগত ঝুঁকিতে রয়েছে। সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং প্লাস্টিক দূষণ কমাতে বিদ্যানন্দ নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছে। এই ভাস্কর্যটি সেই সচেতনতা কার্যক্রমেরই একটি অংশ ছিল।’

সৈকত ও আশপাশ থেকে সংগৃহীত প্লাস্টিক বর্জ্য দিয়ে তৈরি ৪৫ ফুট উচ্চতার এই ভাস্কর্যটি নির্মাণে সময় লেগেছিল ২২ দিন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের শিল্পীরা এটি নির্মাণ করেন। প্লাস্টিকের পাশাপাশি এতে কাঠ ও বাঁশ ব্যবহার করা হয়েছিল।

কক্সবাজার জেলা প্রশাসন ও বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে প্রতিবছর পর্যটন মৌসুমে (নভেম্বর থেকে মার্চ) এই প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের তথ্যমতে, গত তিন বছরে কক্সবাজার উপকূল থেকে প্রায় ৫ লাখ মেট্রিক টন প্লাস্টিক বর্জ্য সংগ্রহ ও পুনর্ব্যবহারযোগ্য করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬


কক্সবাজার সৈকত থেকে সরানো হলো ৪৫ ফুট উচ্চতার ‘বর্জ্যদানব’

প্রকাশের তারিখ : ২০ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টে প্লাস্টিক দূষণের বিরুদ্ধে সচেতনতা সৃষ্টির প্রতীক হিসেবে স্থাপিত সেই বিশাল ‘বর্জ্যদানব’ ভাস্কর্যটি সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। সোমবার (২০ এপ্রিল) বিকেলে ভাস্কর্যটি আনুষ্ঠানিকভাবে অপসারণ করা হয়। বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের পরিচালক জামাল উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন জানায়, গত ১১ এপ্রিল ভাস্কর্যটি অপসারণের কাজ শুরু হয়। টানা তিন দিনের প্রচেষ্টায় গত ১৫ এপ্রিল অপসারণ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। এই ভাস্কর্য নির্মাণে ব্যবহৃত প্রায় ১০ টন প্লাস্টিক এখন রিসাইক্লিং বা পুনর্ব্যবহারের জন্য পাঠানো হয়েছে। পুরো অপসারণ প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হয়েছে স্বেচ্ছাসেবীদের শ্রমের ভিত্তিতে।

জামাল উদ্দিন বলেন, ‘কক্সবাজার ও সেন্টমার্টিন উপকূল বর্তমানে মারাত্মক পরিবেশগত ঝুঁকিতে রয়েছে। সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং প্লাস্টিক দূষণ কমাতে বিদ্যানন্দ নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছে। এই ভাস্কর্যটি সেই সচেতনতা কার্যক্রমেরই একটি অংশ ছিল।’

সৈকত ও আশপাশ থেকে সংগৃহীত প্লাস্টিক বর্জ্য দিয়ে তৈরি ৪৫ ফুট উচ্চতার এই ভাস্কর্যটি নির্মাণে সময় লেগেছিল ২২ দিন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের শিল্পীরা এটি নির্মাণ করেন। প্লাস্টিকের পাশাপাশি এতে কাঠ ও বাঁশ ব্যবহার করা হয়েছিল।

কক্সবাজার জেলা প্রশাসন ও বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে প্রতিবছর পর্যটন মৌসুমে (নভেম্বর থেকে মার্চ) এই প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের তথ্যমতে, গত তিন বছরে কক্সবাজার উপকূল থেকে প্রায় ৫ লাখ মেট্রিক টন প্লাস্টিক বর্জ্য সংগ্রহ ও পুনর্ব্যবহারযোগ্য করা হয়েছে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত