সংবাদ

আওয়ামী আমলের এপিপি হবেন বিএনপির সংরক্ষিত এমপি


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:০৯ পিএম

আওয়ামী আমলের এপিপি হবেন বিএনপির সংরক্ষিত এমপি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে পার্বত্য অঞ্চল থেকে অ্যাডভোকেট মাধবী মারমাকে বিএনপির মনোনয়ন প্রদানকে কেন্দ্র করে বান্দরবানে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা-সমালোচনা হচ্ছে।

সোমবার নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ৩৬ জন মনোনীত প্রার্থীর নাম ঘোষণা করার পর থেকেই স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনার শুরু হয়েছে। বিশেষ করে মাধবী মারমার অতীত রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা নিয়ে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, অ্যাডভোকেট মাধবী মারমা এক সময় আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ফৌজদারি মামলায় সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর বা এপিপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বিএনপির দুঃসময়ে রাজপথে সক্রিয় না থাকা এবং দলে কোনো সাংগঠনিক পদবী না থাকা সত্ত্বেও তাকে সংসদ সদস্য হিসেবে মনোনীত করায় ত্যাগী নেতাকর্মীরাহতাশ’।

তাদের দাবি, যারা বছরের পর বছর জেল-জুলুম সহ্য করে দলকে টিকিয়ে রেখেছেন, তাদের পরিবর্তে একজন সুবিধাবাদীকে বেছে নেওয়া হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন জেলা শ্রমিকদলের প্রচার সম্পাদক জগদ্বীস বড়ুয়া। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "মাধবী মারমা কোনো সময় দলের পক্ষে কাজ করেননি পদ পদবিও ছিল না। নির্বাচনের সময় আসা যাওয়া শুরু করেন তিনি।"

অন্যদিকে, বান্দরবানের জিয়া সাইবার ফোর্সের যুগ্ম-আহ্বায়ক বিদ্রুপ করে লিখেছেন, "আওয়ামী লীগ আমলে এপিপি! অন্তর্বর্তীতে জেলা পরিষদের সদস্য! বিএনপিতে সংরক্ষিত সংসদ সদস্য! মাধবী মারমা সত্যি সে অসাধারণ মেধাবী!"

মনোনয়ন বিষয়ে জেলা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক মুজিবুর রশিদ তৃণমূলের পছন্দের কথা স্বীকার করে জানান, জেলা পর্যায়ের অধিকাংশ নেতাকর্মী উম্মে কুলসুম সুলতানা লীনাকে সমর্থন করেছিলেন।

তবে মাধবী মারমার পক্ষ নিয়ে তিনি বলেন, "মাধবী মারমার দলীয় পদ-পদবি না থাকলেও বিভিন্ন মিটিং বা মিছিলে থাকতেন এবং দলের পক্ষে কাজ করতেন। তবে দলীয় সর্বোচ্চ পর্যায়ের নীতি নির্ধারকদের সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানাই।"

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬


আওয়ামী আমলের এপিপি হবেন বিএনপির সংরক্ষিত এমপি

প্রকাশের তারিখ : ২০ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে পার্বত্য অঞ্চল থেকে অ্যাডভোকেট মাধবী মারমাকে বিএনপির মনোনয়ন প্রদানকে কেন্দ্র করে বান্দরবানে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা-সমালোচনা হচ্ছে।

সোমবার নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ৩৬ জন মনোনীত প্রার্থীর নাম ঘোষণা করার পর থেকেই স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনার শুরু হয়েছে। বিশেষ করে মাধবী মারমার অতীত রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা নিয়ে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, অ্যাডভোকেট মাধবী মারমা এক সময় আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ফৌজদারি মামলায় সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর বা এপিপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বিএনপির দুঃসময়ে রাজপথে সক্রিয় না থাকা এবং দলে কোনো সাংগঠনিক পদবী না থাকা সত্ত্বেও তাকে সংসদ সদস্য হিসেবে মনোনীত করায় ত্যাগী নেতাকর্মীরাহতাশ’।

তাদের দাবি, যারা বছরের পর বছর জেল-জুলুম সহ্য করে দলকে টিকিয়ে রেখেছেন, তাদের পরিবর্তে একজন সুবিধাবাদীকে বেছে নেওয়া হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন জেলা শ্রমিকদলের প্রচার সম্পাদক জগদ্বীস বড়ুয়া। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "মাধবী মারমা কোনো সময় দলের পক্ষে কাজ করেননি পদ পদবিও ছিল না। নির্বাচনের সময় আসা যাওয়া শুরু করেন তিনি।"

অন্যদিকে, বান্দরবানের জিয়া সাইবার ফোর্সের যুগ্ম-আহ্বায়ক বিদ্রুপ করে লিখেছেন, "আওয়ামী লীগ আমলে এপিপি! অন্তর্বর্তীতে জেলা পরিষদের সদস্য! বিএনপিতে সংরক্ষিত সংসদ সদস্য! মাধবী মারমা সত্যি সে অসাধারণ মেধাবী!"

মনোনয়ন বিষয়ে জেলা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক মুজিবুর রশিদ তৃণমূলের পছন্দের কথা স্বীকার করে জানান, জেলা পর্যায়ের অধিকাংশ নেতাকর্মী উম্মে কুলসুম সুলতানা লীনাকে সমর্থন করেছিলেন।

তবে মাধবী মারমার পক্ষ নিয়ে তিনি বলেন, "মাধবী মারমার দলীয় পদ-পদবি না থাকলেও বিভিন্ন মিটিং বা মিছিলে থাকতেন এবং দলের পক্ষে কাজ করতেন। তবে দলীয় সর্বোচ্চ পর্যায়ের নীতি নির্ধারকদের সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানাই।"


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত