সাবেক সংসদ সদস্য, মুক্তিযোদ্ধা ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য এ কে এম রহমতুল্লাহ আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। বুধবার ভোর ৩টা ৪৫ মিনিটে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৭৬ বছর বয়সে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।
দীর্ঘদিন
ধরে তিনি বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন
জটিল রোগে ভুগছিলেন। হাসপাতাল
সূত্রে জানা গেছে, ভোরে
চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণার
পর সকালে পরিবারের সদস্যরা তার মরদেহ হাসপাতাল
থেকে নিয়ে যান।
তৃণমূল
থেকে উঠে আসা এই
প্রবীণ নেতার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে
নেতাকে শেষবারের মতো দেখতে বাড্ডার
বেরাইদের বাসভবনে ভিড় করছেন রাজনৈতিক
সহকর্মী থেকে শুরু করে
সাধারণ মানুষ।
এ কে এম রহমতুল্লাহ
দীর্ঘদিন ঢাকা মহানগর উত্তর
আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। রাজনৈতিক
জীবনে তিনি মোট পাঁচবার
সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৮৬ সালে
তৎকালীন ঢাকা-৫ আসন
থেকে প্রথমবার সংসদে যান তিনি। এরপর
১৯৯৬ সালে একই আসন
থেকে পুনরায় নির্বাচিত হন। ২০০৮ সালে
ঢাকা-১০ আসন থেকে
এবং পরবর্তীতে ২০১৪ ও ২০১৮
সালের নির্বাচনে ঢাকা-১১ আসন
থেকে পরপর সংসদ সদস্য
নির্বাচিত হন।
তার
ভাগ্নে ফারুক হোসাইন গণমাধ্যমকে জানান, "মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর
মরদেহ বাড্ডার বেরাইদে তার নিজ বাসভবনে
নেওয়া হয়েছে। বুধবার বিকেল ৪টায় বাড্ডার বেরাইদ
মাঠে মরহুমের জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। জানাজা শেষে
বেরাইদ কবরস্থানে তাকে দাফন করা
হবে।"

বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ জুন ২০২৬
সাবেক সংসদ সদস্য, মুক্তিযোদ্ধা ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য এ কে এম রহমতুল্লাহ আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। বুধবার ভোর ৩টা ৪৫ মিনিটে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৭৬ বছর বয়সে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।
দীর্ঘদিন
ধরে তিনি বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন
জটিল রোগে ভুগছিলেন। হাসপাতাল
সূত্রে জানা গেছে, ভোরে
চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণার
পর সকালে পরিবারের সদস্যরা তার মরদেহ হাসপাতাল
থেকে নিয়ে যান।
তৃণমূল
থেকে উঠে আসা এই
প্রবীণ নেতার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে
নেতাকে শেষবারের মতো দেখতে বাড্ডার
বেরাইদের বাসভবনে ভিড় করছেন রাজনৈতিক
সহকর্মী থেকে শুরু করে
সাধারণ মানুষ।
এ কে এম রহমতুল্লাহ
দীর্ঘদিন ঢাকা মহানগর উত্তর
আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। রাজনৈতিক
জীবনে তিনি মোট পাঁচবার
সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৮৬ সালে
তৎকালীন ঢাকা-৫ আসন
থেকে প্রথমবার সংসদে যান তিনি। এরপর
১৯৯৬ সালে একই আসন
থেকে পুনরায় নির্বাচিত হন। ২০০৮ সালে
ঢাকা-১০ আসন থেকে
এবং পরবর্তীতে ২০১৪ ও ২০১৮
সালের নির্বাচনে ঢাকা-১১ আসন
থেকে পরপর সংসদ সদস্য
নির্বাচিত হন।
তার
ভাগ্নে ফারুক হোসাইন গণমাধ্যমকে জানান, "মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর
মরদেহ বাড্ডার বেরাইদে তার নিজ বাসভবনে
নেওয়া হয়েছে। বুধবার বিকেল ৪টায় বাড্ডার বেরাইদ
মাঠে মরহুমের জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। জানাজা শেষে
বেরাইদ কবরস্থানে তাকে দাফন করা
হবে।"

আপনার মতামত লিখুন