প্রশান্ত মহাসাগরের উত্তরে আঘাত হেনেছে শক্তিশালী এক কম্পন। সোমবার (২০ এপ্রিল) জাপানের স্থানীয় সময় বিকেল ৪টা ৫৩ মিনিটে ইওয়াতে উপকূলের কাছে অনুভূত হয় রিখটার স্কেলে ৭ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্প। কম্পন এতটাই তীব্র ছিল যে টোকিওর বহুতল ভবন কেঁপে ওঠে।
জাপানের আবহাওয়া সংস্থা (জেএমএ) সঙ্গে সঙ্গেই সুনামি সতর্কতা জারি করে। প্রাথমিক সতর্কতায় বলা হয়, তিন মিটার (১০ ফুট) পর্যন্ত উচ্চতার ঢেউ আঘাত হানতে পারে। ভূমিকম্পের প্রায় ৪০ মিনিট পর ইওয়াতের কুজি বন্দরে ৮০ সেন্টিমিটারের একটি সুনামি রেকর্ড করা হয়।
আবহাওয়া সংস্থা জানিয়েছে, সুনামির ঢেউ বারবার আঘাত হানতে পারে। তাই সতর্কতা তুলে না নেওয়া পর্যন্ত উপকূলীয় ও নদীর তীরবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ উঁচু স্থানে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আরও ভূমিকম্পের আশঙ্কাও করা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি সাংবাদিকদের বলেন, ‘যেসব এলাকায় সতর্কতা জারি করা হয়েছে, সেখানকার বাসিন্দাদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যেতে অনুরোধ করছি।’
জাতীয় সম্প্রচারমাধ্যম এনএইচকে ইওয়াতের বন্দরগুলোর ফুটেজ প্রচার করেছে, যেখানে তাৎক্ষণিকভাবে বড় ধরণের ক্ষয়ক্ষতির চিহ্ন দেখা যায়নি। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় পরিস্থিতি মোকাবিলায় একটি সংকট ব্যবস্থাপনা দল গঠন করেছে।
এখন পর্যন্ত হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির তাৎক্ষণিক কোনো খবর পাওয়া যায়নি। তবে সুনামির কারণে উপকূলীয় এলাকায় বিপর্যয় ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছে কর্তৃপক্ষ।

সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ এপ্রিল ২০২৬
প্রশান্ত মহাসাগরের উত্তরে আঘাত হেনেছে শক্তিশালী এক কম্পন। সোমবার (২০ এপ্রিল) জাপানের স্থানীয় সময় বিকেল ৪টা ৫৩ মিনিটে ইওয়াতে উপকূলের কাছে অনুভূত হয় রিখটার স্কেলে ৭ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্প। কম্পন এতটাই তীব্র ছিল যে টোকিওর বহুতল ভবন কেঁপে ওঠে।
জাপানের আবহাওয়া সংস্থা (জেএমএ) সঙ্গে সঙ্গেই সুনামি সতর্কতা জারি করে। প্রাথমিক সতর্কতায় বলা হয়, তিন মিটার (১০ ফুট) পর্যন্ত উচ্চতার ঢেউ আঘাত হানতে পারে। ভূমিকম্পের প্রায় ৪০ মিনিট পর ইওয়াতের কুজি বন্দরে ৮০ সেন্টিমিটারের একটি সুনামি রেকর্ড করা হয়।
আবহাওয়া সংস্থা জানিয়েছে, সুনামির ঢেউ বারবার আঘাত হানতে পারে। তাই সতর্কতা তুলে না নেওয়া পর্যন্ত উপকূলীয় ও নদীর তীরবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ উঁচু স্থানে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আরও ভূমিকম্পের আশঙ্কাও করা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি সাংবাদিকদের বলেন, ‘যেসব এলাকায় সতর্কতা জারি করা হয়েছে, সেখানকার বাসিন্দাদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যেতে অনুরোধ করছি।’
জাতীয় সম্প্রচারমাধ্যম এনএইচকে ইওয়াতের বন্দরগুলোর ফুটেজ প্রচার করেছে, যেখানে তাৎক্ষণিকভাবে বড় ধরণের ক্ষয়ক্ষতির চিহ্ন দেখা যায়নি। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় পরিস্থিতি মোকাবিলায় একটি সংকট ব্যবস্থাপনা দল গঠন করেছে।
এখন পর্যন্ত হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির তাৎক্ষণিক কোনো খবর পাওয়া যায়নি। তবে সুনামির কারণে উপকূলীয় এলাকায় বিপর্যয় ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছে কর্তৃপক্ষ।

আপনার মতামত লিখুন