অনলাইন অন-ডিমান্ড সেবাপ্ল্যাটফর্ম শেবা.এক্সওয়াইজেড চালু করেছে নতুন এক সেবা। যানবাহনের মালিকরা এখন আর নিজে ঘণ্টার পর ঘণ্টা পেট্রোল পাম্পে লাইনে দাঁড়িয়ে সময় নষ্ট করবেন না। শেবা তাদের হয়ে দাঁড়াবে। খরচ? দিনে ঘণ্টাপ্রতি ১৭৫ টাকা, রাতে ২২৫ টাকা।
নাম দেওয়া হয়েছে ‘ফুয়েল রিফুয়েলিং ড্রাইভার সার্ভিস’। এর আওতায় গ্রাহক একটি ড্রাইভার বুক করবেন। সেই ড্রাইভার তার কাছ থেকে গাড়ি নিয়ে পাম্পে গিয়ে লাইনে দাঁড়াবে। জ্বালানি ভরবে। তারপর গাড়ি ফিরিয়ে দেবে। গ্রাহক শুধু বসে থাকবেন- অফিসে বা বাড়িতে।
শেবা জানিয়েছে, সামাজিক মাধ্যমে এই সেবার ঘোষণা দেওয়ার পরই মিশ্র প্রতিক্রিয়া পড়েছে। কেউ বলছেন ‘চমৎকার উদ্যোগ’। সমর্থনকারীরা বলছেন, সময়ই বড় সম্পদ। আবার অনেকে বলছেন ‘খরচই জ্বালানির চেয়ে বেশি হয়ে যাচ্ছে।’
এক ফেসবুক ব্যবহারকারী ব্যাখ্যা দিয়েছেন, ‘৩-৪ ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে ১০০০ টাকার জ্বালানি আনতে গেলে দিনে খরচ পড়বে ১৫২৫ থেকে ১৭০০ টাকা। রাতে তো আরও বেশি। তাহলে জ্বালানির চেয়ে ভাড়াই তো বেশি।
শেবার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আদনান ইমতিয়াজ হালিম জানান, গ্রাহকদের কাছ থেকেই এই ধারণা এসেছে। নিয়মিত গ্রাহকদের কাছ থেকে ফোন আসছিল, বিশেষ করে যারা শেবার ‘অন-ডিমান্ড ড্রাইভার সার্ভিস’ ব্যবহার করেন।
ইমতিয়াজ হালিমকে একজন ফোনে জানান, জ্বালানির লাইনে দাঁড়াতে অফিস থেকে ছুটি নিতে হয়েছে। আরেকজন জানান, তার ড্রাইভার সারা রাত পাম্পে লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে দিনে ক্লান্ত অবস্থায় গাড়ি চালান।
হালিম বলেন, ‘এই সেবা জ্বালানির দামের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করার জন্য নয়। এটি সময় বাঁচানোর, দুশ্চিন্তা কমানোর আর যাঁরা দীর্ঘ লাইনে দাঁড়াতে পারেন না, তাঁদের জন্য একটি বিকল্প।’
হালিম এ সেবাকে অস্থায়ী বলেও জানিয়েছেন। তার আশা, জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি শিগগিরই স্বাভাবিক হবে। তখন নিজেই চলে যাবে এই সেবার প্রয়োজন।
তবে যত দিন না স্বাভাবিক হচ্ছে, লাইনে দাঁড়াতে চান না যারা, তারা এখন শেবাকে ডেকে বলতে পারেন- ‘তোমরা দাঁড়াও, আমি আসছি।’

সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ এপ্রিল ২০২৬
অনলাইন অন-ডিমান্ড সেবাপ্ল্যাটফর্ম শেবা.এক্সওয়াইজেড চালু করেছে নতুন এক সেবা। যানবাহনের মালিকরা এখন আর নিজে ঘণ্টার পর ঘণ্টা পেট্রোল পাম্পে লাইনে দাঁড়িয়ে সময় নষ্ট করবেন না। শেবা তাদের হয়ে দাঁড়াবে। খরচ? দিনে ঘণ্টাপ্রতি ১৭৫ টাকা, রাতে ২২৫ টাকা।
নাম দেওয়া হয়েছে ‘ফুয়েল রিফুয়েলিং ড্রাইভার সার্ভিস’। এর আওতায় গ্রাহক একটি ড্রাইভার বুক করবেন। সেই ড্রাইভার তার কাছ থেকে গাড়ি নিয়ে পাম্পে গিয়ে লাইনে দাঁড়াবে। জ্বালানি ভরবে। তারপর গাড়ি ফিরিয়ে দেবে। গ্রাহক শুধু বসে থাকবেন- অফিসে বা বাড়িতে।
শেবা জানিয়েছে, সামাজিক মাধ্যমে এই সেবার ঘোষণা দেওয়ার পরই মিশ্র প্রতিক্রিয়া পড়েছে। কেউ বলছেন ‘চমৎকার উদ্যোগ’। সমর্থনকারীরা বলছেন, সময়ই বড় সম্পদ। আবার অনেকে বলছেন ‘খরচই জ্বালানির চেয়ে বেশি হয়ে যাচ্ছে।’
এক ফেসবুক ব্যবহারকারী ব্যাখ্যা দিয়েছেন, ‘৩-৪ ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে ১০০০ টাকার জ্বালানি আনতে গেলে দিনে খরচ পড়বে ১৫২৫ থেকে ১৭০০ টাকা। রাতে তো আরও বেশি। তাহলে জ্বালানির চেয়ে ভাড়াই তো বেশি।
শেবার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আদনান ইমতিয়াজ হালিম জানান, গ্রাহকদের কাছ থেকেই এই ধারণা এসেছে। নিয়মিত গ্রাহকদের কাছ থেকে ফোন আসছিল, বিশেষ করে যারা শেবার ‘অন-ডিমান্ড ড্রাইভার সার্ভিস’ ব্যবহার করেন।
ইমতিয়াজ হালিমকে একজন ফোনে জানান, জ্বালানির লাইনে দাঁড়াতে অফিস থেকে ছুটি নিতে হয়েছে। আরেকজন জানান, তার ড্রাইভার সারা রাত পাম্পে লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে দিনে ক্লান্ত অবস্থায় গাড়ি চালান।
হালিম বলেন, ‘এই সেবা জ্বালানির দামের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করার জন্য নয়। এটি সময় বাঁচানোর, দুশ্চিন্তা কমানোর আর যাঁরা দীর্ঘ লাইনে দাঁড়াতে পারেন না, তাঁদের জন্য একটি বিকল্প।’
হালিম এ সেবাকে অস্থায়ী বলেও জানিয়েছেন। তার আশা, জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি শিগগিরই স্বাভাবিক হবে। তখন নিজেই চলে যাবে এই সেবার প্রয়োজন।
তবে যত দিন না স্বাভাবিক হচ্ছে, লাইনে দাঁড়াতে চান না যারা, তারা এখন শেবাকে ডেকে বলতে পারেন- ‘তোমরা দাঁড়াও, আমি আসছি।’

আপনার মতামত লিখুন