সাম্প্রতিক যুদ্ধের তাণ্ডবে ক্ষতিগ্রস্ত ১ হাজার ৩০০টি স্কুলের মধ্যে অর্ধেকেরও বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংস্কার কাজ শেষ করেছে ইরান। দেশটির শিক্ষামন্ত্রী আলি রেজা কাজেমি বুধবার এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বিষয়টি বিস্তারিত জানানো হয়েছে।
শিক্ষামন্ত্রী কাজেমি জানান, ক্ষতিগ্রস্ত ১ হাজার ৩০০টি স্কুলের
মধ্যে এখন পর্যন্ত ৭৭৫টি স্কুল সফলভাবে মেরামত করা হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, ক্ষতিগ্রস্ত
স্কুলগুলোর মধ্যে প্রায় ২০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। সবচেয়ে বেশি
ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে রাজধানী তেহরান এবং ইসফাহানসহ গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি প্রদেশে।
তিনি আরও আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত
স্কুলগুলোর সংস্কার কাজ আগামী অক্টোবরের মধ্যেই সম্পন্ন হবে এবং সেগুলোতে নিয়মিত ক্লাস
শুরু করা সম্ভব হবে।
সংকটের মধ্যেও শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ থাকেনি উল্লেখ করে কাজেমি
বলেন, হামলার প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও সরাসরি কিংবা অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার
করে পাঠদান অব্যাহত ছিল। এছাড়া যুদ্ধের আতঙ্ক কাটিয়ে উঠতে শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবারগুলোর
জন্য বিশেষ কাউন্সেলিং সেবা দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী গভীর শোকের সাথে জানান, শাজারেহ
তাইয়েবেহ গার্লস স্কুলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ১৭০ জন শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও স্টাফ নিহত
হয়েছেন। এই ট্র্যাজেডি স্মরণে দেশটির বিভিন্ন স্কুলে বিশেষ শোকসভা ও দোয়া মাহফিলের
আয়োজন করা হয়েছে। নিহতদের মধ্যে বড় একটি অংশই ছিল কোমলমতি স্কুলছাত্রী।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, যুদ্ধের ধ্বংসস্তূপ কাটিয়ে দ্রুত শিক্ষা
অবকাঠামো পুনর্গঠনের মাধ্যমে ইরান স্বাভাবিক জীবনে ফেরার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করছে।

রোববার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ এপ্রিল ২০২৬
সাম্প্রতিক যুদ্ধের তাণ্ডবে ক্ষতিগ্রস্ত ১ হাজার ৩০০টি স্কুলের মধ্যে অর্ধেকেরও বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংস্কার কাজ শেষ করেছে ইরান। দেশটির শিক্ষামন্ত্রী আলি রেজা কাজেমি বুধবার এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বিষয়টি বিস্তারিত জানানো হয়েছে।
শিক্ষামন্ত্রী কাজেমি জানান, ক্ষতিগ্রস্ত ১ হাজার ৩০০টি স্কুলের
মধ্যে এখন পর্যন্ত ৭৭৫টি স্কুল সফলভাবে মেরামত করা হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, ক্ষতিগ্রস্ত
স্কুলগুলোর মধ্যে প্রায় ২০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। সবচেয়ে বেশি
ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে রাজধানী তেহরান এবং ইসফাহানসহ গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি প্রদেশে।
তিনি আরও আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত
স্কুলগুলোর সংস্কার কাজ আগামী অক্টোবরের মধ্যেই সম্পন্ন হবে এবং সেগুলোতে নিয়মিত ক্লাস
শুরু করা সম্ভব হবে।
সংকটের মধ্যেও শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ থাকেনি উল্লেখ করে কাজেমি
বলেন, হামলার প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও সরাসরি কিংবা অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার
করে পাঠদান অব্যাহত ছিল। এছাড়া যুদ্ধের আতঙ্ক কাটিয়ে উঠতে শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবারগুলোর
জন্য বিশেষ কাউন্সেলিং সেবা দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী গভীর শোকের সাথে জানান, শাজারেহ
তাইয়েবেহ গার্লস স্কুলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ১৭০ জন শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও স্টাফ নিহত
হয়েছেন। এই ট্র্যাজেডি স্মরণে দেশটির বিভিন্ন স্কুলে বিশেষ শোকসভা ও দোয়া মাহফিলের
আয়োজন করা হয়েছে। নিহতদের মধ্যে বড় একটি অংশই ছিল কোমলমতি স্কুলছাত্রী।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, যুদ্ধের ধ্বংসস্তূপ কাটিয়ে দ্রুত শিক্ষা
অবকাঠামো পুনর্গঠনের মাধ্যমে ইরান স্বাভাবিক জীবনে ফেরার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করছে।

আপনার মতামত লিখুন