পবিত্র হজ পালন করতে এ বছর ইরান থেকে প্রায় ৩০ হাজার ধর্মপ্রাণ মুসলমান সৌদি আরব সফরে যাচ্ছেন। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর ইরানের এই বিশাল হজ কাফেলাকে বরণ করে নিতে এবার নজিরবিহীন প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে সৌদি প্রশাসন।
ইরানি
হাজিদের নিরাপত্তা, স্বাচ্ছন্দ্য এবং সুষ্ঠু পরিবেশ
নিশ্চিত করতে রিয়াদ সব
ধরনের ব্যবস্থা সম্পন্ন করেছে। বিশেষ করে ইরানি মেহমানদের
'সর্বোচ্চ আতিথেয়তা' প্রদানের মাধ্যমে একটি ভ্রাতৃত্বপূর্ণ পরিবেশ
বজায় রাখার বিষয়ে অধীর আগ্রহ প্রকাশ
করেছে সৌদি হজ ও
ওমরাহ মন্ত্রণালয়।
শুক্রবার
সৌদি আরবের হজ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের
বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে,
হাজিদের জন্য আবাসন, উন্নত
খাবার এবং যাতায়াতের সব
ধরনের আধুনিক সুযোগ-সুবিধা ইতোমধ্যে নিশ্চিত করা হয়েছে। বিশেষ
করে মক্কায় পৌঁছানোর আগে মদিনায় অবস্থানকালীন
তাদের বিশেষ সম্মান প্রদানের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। সৌদি হজ ও
ওমরাহ মন্ত্রণালয়ের একজন উচ্চপদস্থ প্রতিনিধি
জানান, ইরানের হজ সংক্রান্ত সংস্থার
একটি অগ্রবর্তী দল এরই মধ্যে
সৌদি আরবে এসে পৌঁছেছেন
এবং সার্বিক প্রস্তুতি তদারকি করছেন।
নির্ধারিত
সময়সূচি অনুযায়ী, ২৫ এপ্রিল ইরানি
হাজিদের প্রথম দলটি পবিত্র মদিনা
নগরীতে এসে পৌঁছাবেন। সেখানে
তারা ৬ রাত ও
৭ দিন অবস্থান করার
পর মক্কার উদ্দেশ্যে রওনা হবেন। তারা
যেন পূর্ণ নিরাপত্তা ও নিশ্চিন্ত মনে
হজের সব আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন
করতে পারেন, সে বিষয়ে সৌদি
আরবের পক্ষ থেকে বারবার
আশ্বস্ত করা হয়েছে।
সৌদি
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মসজিদ আল-হারামের অতিথিদের
স্বাগত জানাতে তারা পুরোপুরি প্রস্তুত
এবং বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত থেকে আসা হাজিদের
জন্য তাদের দ্বার উন্মুক্ত।
ইরানি
কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, দেশটির
সুপ্রিম ন্যাশনাল কাউন্সিলের অনুমোদনেই এবারের হজ কার্যক্রম পরিচালিত
হচ্ছে। আগামী সপ্তাহ থেকে পুরোদমে ইরানি
হাজিদের যাত্রা শুরু হবে এবং
তারা প্রায় এক মাস সৌদি
আরবে অবস্থান করবেন। হাজিদের যাতায়াতের জন্য স্থল, রেল
এবং আকাশপথ; তিন মাধ্যমেই প্রয়োজনীয়
সমন্বয় করা হয়েছে।
যদিও
ইরানি হাজিরা ঠিক কোন পথে
সৌদি আরবে প্রবেশ করবেন
সে বিষয়ে এখনো বিস্তারিত কোনো
আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। তবে রিয়াদের পক্ষ
থেকে জোর দিয়ে বলা
হয়েছে যে, ইরানি ভাইদের
সম্মানে কোনো কমতি রাখা
হবে না।

শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ এপ্রিল ২০২৬
পবিত্র হজ পালন করতে এ বছর ইরান থেকে প্রায় ৩০ হাজার ধর্মপ্রাণ মুসলমান সৌদি আরব সফরে যাচ্ছেন। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর ইরানের এই বিশাল হজ কাফেলাকে বরণ করে নিতে এবার নজিরবিহীন প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে সৌদি প্রশাসন।
ইরানি
হাজিদের নিরাপত্তা, স্বাচ্ছন্দ্য এবং সুষ্ঠু পরিবেশ
নিশ্চিত করতে রিয়াদ সব
ধরনের ব্যবস্থা সম্পন্ন করেছে। বিশেষ করে ইরানি মেহমানদের
'সর্বোচ্চ আতিথেয়তা' প্রদানের মাধ্যমে একটি ভ্রাতৃত্বপূর্ণ পরিবেশ
বজায় রাখার বিষয়ে অধীর আগ্রহ প্রকাশ
করেছে সৌদি হজ ও
ওমরাহ মন্ত্রণালয়।
শুক্রবার
সৌদি আরবের হজ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের
বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে,
হাজিদের জন্য আবাসন, উন্নত
খাবার এবং যাতায়াতের সব
ধরনের আধুনিক সুযোগ-সুবিধা ইতোমধ্যে নিশ্চিত করা হয়েছে। বিশেষ
করে মক্কায় পৌঁছানোর আগে মদিনায় অবস্থানকালীন
তাদের বিশেষ সম্মান প্রদানের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। সৌদি হজ ও
ওমরাহ মন্ত্রণালয়ের একজন উচ্চপদস্থ প্রতিনিধি
জানান, ইরানের হজ সংক্রান্ত সংস্থার
একটি অগ্রবর্তী দল এরই মধ্যে
সৌদি আরবে এসে পৌঁছেছেন
এবং সার্বিক প্রস্তুতি তদারকি করছেন।
নির্ধারিত
সময়সূচি অনুযায়ী, ২৫ এপ্রিল ইরানি
হাজিদের প্রথম দলটি পবিত্র মদিনা
নগরীতে এসে পৌঁছাবেন। সেখানে
তারা ৬ রাত ও
৭ দিন অবস্থান করার
পর মক্কার উদ্দেশ্যে রওনা হবেন। তারা
যেন পূর্ণ নিরাপত্তা ও নিশ্চিন্ত মনে
হজের সব আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন
করতে পারেন, সে বিষয়ে সৌদি
আরবের পক্ষ থেকে বারবার
আশ্বস্ত করা হয়েছে।
সৌদি
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মসজিদ আল-হারামের অতিথিদের
স্বাগত জানাতে তারা পুরোপুরি প্রস্তুত
এবং বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত থেকে আসা হাজিদের
জন্য তাদের দ্বার উন্মুক্ত।
ইরানি
কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, দেশটির
সুপ্রিম ন্যাশনাল কাউন্সিলের অনুমোদনেই এবারের হজ কার্যক্রম পরিচালিত
হচ্ছে। আগামী সপ্তাহ থেকে পুরোদমে ইরানি
হাজিদের যাত্রা শুরু হবে এবং
তারা প্রায় এক মাস সৌদি
আরবে অবস্থান করবেন। হাজিদের যাতায়াতের জন্য স্থল, রেল
এবং আকাশপথ; তিন মাধ্যমেই প্রয়োজনীয়
সমন্বয় করা হয়েছে।
যদিও
ইরানি হাজিরা ঠিক কোন পথে
সৌদি আরবে প্রবেশ করবেন
সে বিষয়ে এখনো বিস্তারিত কোনো
আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। তবে রিয়াদের পক্ষ
থেকে জোর দিয়ে বলা
হয়েছে যে, ইরানি ভাইদের
সম্মানে কোনো কমতি রাখা
হবে না।

আপনার মতামত লিখুন