২০২৫ সালে উন্নত জীবনের আশায় পাড়ি জমানো প্রায় ৭ হাজার ৯০০ অভিবাসীর মৃত্যু হয়েছে বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ পথে। এছাড়া আরও ১ হাজার ৫০০ জন নিখোঁজ রয়েছেন, যাদের মৃত্যু হয়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) জাতিসংঘের অভিবাসন সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর মাইগ্রেশন (আইওএম) এক প্রতিবেদনে এই ভয়াবহ তথ্য প্রকাশ করেছে। জেনেভা থেকে ফরাসি সংবাদ সংস্থা এএফপি এই খবর নিশ্চিত করেছে।
আইওএম-এর ‘মিসিং মাইগ্র্যান্টস প্রজেক্ট’ (Missing
Migrants Project) ২০১৪ সাল থেকে অভিবাসন পথে ৮০ হাজারেরও বেশি মানুষের মৃত্যু ও নিখোঁজ
হওয়ার ঘটনা নথিভুক্ত করেছে। সংস্থাটি জানায়, ২০২৫ সালের এই পরিসংখ্যান কেবল তাদের রেকর্ডকৃত
তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি, তবে প্রকৃত মৃত্যুর সংখ্যা এর চেয়ে অনেক বেশি হতে পারে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, সমুদ্র পথ, মরুভূমি ও দুর্গম সীমান্ত
পাড়ি দিতে গিয়েই অধিকাংশ মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। পাচারকারীদের খপ্পরে পড়ে ছোট নৌকায়
সমুদ্র পাড়ি দেওয়া এবং বৈরী আবহাওয়ায় খাদ্য ও পানির সংকটে পড়া মৃত্যুর প্রধান কারণ
হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
আইওএম জোর দিয়ে বলেছে, এই পরিসংখ্যানটি কেবল সংখ্যামাত্র
নয়, এটি বিশ্বজুড়ে মানবিক সংকটের একটি ভয়াবহ চিত্র। অভিবাসীদের মৃত্যু বন্ধ করতে এবং
তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশ্বনেতাদের জরুরি ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান
জানিয়েছে সংস্থাটি। তারা মনে করে, বৈধ অভিবাসন পথ সহজতর না করলে এই মৃত্যুর মিছিল থামানো
সম্ভব হবে না।

রোববার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ এপ্রিল ২০২৬
২০২৫ সালে উন্নত জীবনের আশায় পাড়ি জমানো প্রায় ৭ হাজার ৯০০ অভিবাসীর মৃত্যু হয়েছে বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ পথে। এছাড়া আরও ১ হাজার ৫০০ জন নিখোঁজ রয়েছেন, যাদের মৃত্যু হয়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) জাতিসংঘের অভিবাসন সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর মাইগ্রেশন (আইওএম) এক প্রতিবেদনে এই ভয়াবহ তথ্য প্রকাশ করেছে। জেনেভা থেকে ফরাসি সংবাদ সংস্থা এএফপি এই খবর নিশ্চিত করেছে।
আইওএম-এর ‘মিসিং মাইগ্র্যান্টস প্রজেক্ট’ (Missing
Migrants Project) ২০১৪ সাল থেকে অভিবাসন পথে ৮০ হাজারেরও বেশি মানুষের মৃত্যু ও নিখোঁজ
হওয়ার ঘটনা নথিভুক্ত করেছে। সংস্থাটি জানায়, ২০২৫ সালের এই পরিসংখ্যান কেবল তাদের রেকর্ডকৃত
তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি, তবে প্রকৃত মৃত্যুর সংখ্যা এর চেয়ে অনেক বেশি হতে পারে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, সমুদ্র পথ, মরুভূমি ও দুর্গম সীমান্ত
পাড়ি দিতে গিয়েই অধিকাংশ মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। পাচারকারীদের খপ্পরে পড়ে ছোট নৌকায়
সমুদ্র পাড়ি দেওয়া এবং বৈরী আবহাওয়ায় খাদ্য ও পানির সংকটে পড়া মৃত্যুর প্রধান কারণ
হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
আইওএম জোর দিয়ে বলেছে, এই পরিসংখ্যানটি কেবল সংখ্যামাত্র
নয়, এটি বিশ্বজুড়ে মানবিক সংকটের একটি ভয়াবহ চিত্র। অভিবাসীদের মৃত্যু বন্ধ করতে এবং
তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশ্বনেতাদের জরুরি ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান
জানিয়েছে সংস্থাটি। তারা মনে করে, বৈধ অভিবাসন পথ সহজতর না করলে এই মৃত্যুর মিছিল থামানো
সম্ভব হবে না।

আপনার মতামত লিখুন