মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ ও হরমুজ প্রণালি অবরুদ্ধ হওয়ার প্রভাবে বিশ্বজুড়ে সামুদ্রিক পণ্য পরিবহনে অস্থিরতা শুরু হয়েছে। বিকল্প হিসেবে পানামা খাল দিয়ে পণ্য পরিবহনের চাহিদা ও খরচ উভয়ই অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এক প্রতিবেদনে জানা গেছে, দীর্ঘ অপেক্ষার জট এড়াতে একটি তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) বাহী জাহাজ অতিরিক্ত ৪০ লাখ মার্কিন ডলার পরিশোধ করে আগে যাওয়ার সুযোগ নিয়েছে। বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর নিশ্চিত করেছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর মার্কিন-ইসরায়েলি হামলার পর
থেকে হরমুজ প্রণালি কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। বিশ্বের মোট তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস রপ্তানির
প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই জলপথ দিয়ে সম্পন্ন হয়। বর্তমান পরিস্থিতিতে এশিয়ার তেল শোধনাগারগুলো
উপসাগরীয় দেশগুলোর পরিবর্তে যুক্তরাষ্ট্র থেকে তেল ও গ্যাস সংগ্রহ শুরু করেছে। আর এই
পণ্য পরিবহনে পানামা খাল ব্যবহার করা হচ্ছে, ফলে এই রুটে জাহাজের চাপ কয়েক গুণ বেড়েছে।
পানামা খাল দিয়ে চলাচলের জন্য জাহাজগুলোকে সাধারণত আগে থেকে
বুকিং দিতে হয়। যাদের বুকিং থাকে না, তাদের গড়ে ৫ দিন পর্যন্ত অপেক্ষায় থাকতে হয়। জরুরি
প্রয়োজনে আগে পার হওয়ার জন্য নিলামে অংশ নিয়ে অতিরিক্ত অর্থ দিতে হয়। সাম্প্রতিক তথ্যানুযায়ী:
পানামা খাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, চাহিদা বাড়ায় খালের ভেতর
দিয়ে জাহাজ চলাচল আগের চেয়ে বৃদ্ধি পেয়েছে।
বিশ্বের মোট সামুদ্রিক বাণিজ্যের প্রায় ৫ শতাংশ পানামা খালের
মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। এই রুটটি মূলত যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ব উপকূলের সঙ্গে চীন, দক্ষিণ
কোরিয়া ও জাপানের মতো এশিয়ার বৃহৎ অর্থনীতির দেশগুলোকে সংযুক্ত করে। হরমুজ সংকটের কারণে
এই রুটে পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়ায় বৈশ্বিক জ্বালানি ও পণ্যমূল্যে বড় ধরণের প্রভাব পড়তে
পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

রোববার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ এপ্রিল ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ ও হরমুজ প্রণালি অবরুদ্ধ হওয়ার প্রভাবে বিশ্বজুড়ে সামুদ্রিক পণ্য পরিবহনে অস্থিরতা শুরু হয়েছে। বিকল্প হিসেবে পানামা খাল দিয়ে পণ্য পরিবহনের চাহিদা ও খরচ উভয়ই অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এক প্রতিবেদনে জানা গেছে, দীর্ঘ অপেক্ষার জট এড়াতে একটি তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) বাহী জাহাজ অতিরিক্ত ৪০ লাখ মার্কিন ডলার পরিশোধ করে আগে যাওয়ার সুযোগ নিয়েছে। বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর নিশ্চিত করেছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর মার্কিন-ইসরায়েলি হামলার পর
থেকে হরমুজ প্রণালি কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। বিশ্বের মোট তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস রপ্তানির
প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই জলপথ দিয়ে সম্পন্ন হয়। বর্তমান পরিস্থিতিতে এশিয়ার তেল শোধনাগারগুলো
উপসাগরীয় দেশগুলোর পরিবর্তে যুক্তরাষ্ট্র থেকে তেল ও গ্যাস সংগ্রহ শুরু করেছে। আর এই
পণ্য পরিবহনে পানামা খাল ব্যবহার করা হচ্ছে, ফলে এই রুটে জাহাজের চাপ কয়েক গুণ বেড়েছে।
পানামা খাল দিয়ে চলাচলের জন্য জাহাজগুলোকে সাধারণত আগে থেকে
বুকিং দিতে হয়। যাদের বুকিং থাকে না, তাদের গড়ে ৫ দিন পর্যন্ত অপেক্ষায় থাকতে হয়। জরুরি
প্রয়োজনে আগে পার হওয়ার জন্য নিলামে অংশ নিয়ে অতিরিক্ত অর্থ দিতে হয়। সাম্প্রতিক তথ্যানুযায়ী:
পানামা খাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, চাহিদা বাড়ায় খালের ভেতর
দিয়ে জাহাজ চলাচল আগের চেয়ে বৃদ্ধি পেয়েছে।
বিশ্বের মোট সামুদ্রিক বাণিজ্যের প্রায় ৫ শতাংশ পানামা খালের
মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। এই রুটটি মূলত যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ব উপকূলের সঙ্গে চীন, দক্ষিণ
কোরিয়া ও জাপানের মতো এশিয়ার বৃহৎ অর্থনীতির দেশগুলোকে সংযুক্ত করে। হরমুজ সংকটের কারণে
এই রুটে পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়ায় বৈশ্বিক জ্বালানি ও পণ্যমূল্যে বড় ধরণের প্রভাব পড়তে
পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

আপনার মতামত লিখুন