চট্টগ্রামের রাউজানে মো. কাউসার উজ্জামান বাবলু (৩৬) নামে এক যুবককে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। মাটি ও বালু কাটাকে কেন্দ্র করে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
গত শুক্রবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে রাউজান পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব আইলিখীল খামার টিলা এলাকায় নিহতের বাড়ির অর্ধ কিলোমিটার দূরে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত বাবলু ওই ওয়ার্ডের ঢালার মুখ এলাকার আবু নাঈম সওদাগর বাড়ির আবুল কালাম সওদাগরের ছেলে। তিনি দুই কন্যা সন্তানের জনক। প্রবাস ফিরে ইট, বালু ও মাটি কাটার ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
নিহতের পিতা আবুল কালাম সওদাগর বলেন, ‘শুক্রবার রাতে বাবলু নানার বাড়িতে নানার ফাতেহা উপলক্ষে আয়োজিত দাওয়াতে যোগ দিয়েছিল। খাওয়াদাওয়া ও গল্পগুজব শেষে রাতে বাড়ি ফেরার সময় পথিমধ্যে খামার টিলা এলাকায় একদল দুর্বৃত্ত পথ আটকে তাকে গুলি করে।’
পরে আত্মীয়স্বজন তাঁকে প্রথমে রাউজানের গহিরা জেকে মেমোরিয়াল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখান থেকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের স্ত্রী লিজা মনি বলেন, ‘শুক্রবার সন্ধ্যায় শেষবার তার সঙ্গে আমার কথা হয়। আমার মেয়েকে নিয়ে আমি হাটহাজারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি ছিলাম। শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকালে তিনি ওখানে আসার কথা ছিল। কিন্তু সকালে দেবর ফোন করে বলে বাবলুকে গুলি করা হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে কিছুদিন আগে তার ঝামেলা হয়েছিল। পরে সেটির সমাধান হয়। সর্বশেষ তিন দিন আগে চৌধুরী মার্কেট এলাকায় কিছু ছেলের কথা কথায় অস্ত্র নিয়ে আলোচনার একটি ভিডিও করেন বাবলু। দুষ্টুমি করে ভিডিওটি করে সেখান থেকে চলে আসেন।’
লিজা মনি দাবি করেন, বাবলু সরাসরি রাজনীতিতে জড়িত না থাকলেও বিএনপির সমর্থক ছিলেন। ‘আমি স্বামী হত্যার বিচার চাই,’ বলেন তিনি।রাউজান থানার ওসি সাজেদুল ইসলাম বলেন, ‘হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় যে গ্রুপ জড়িত, তাদের শনাক্ত করা হয়েছে। তাদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে।’
উল্লেখ্য, এলাকায় মাটি ও বালু কাটাকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। এ নিয়ে আগেও বেশ কয়েকটি সংঘর্ষ ও হত্যার ঘটনা ঘটেছে।

শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ এপ্রিল ২০২৬
চট্টগ্রামের রাউজানে মো. কাউসার উজ্জামান বাবলু (৩৬) নামে এক যুবককে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। মাটি ও বালু কাটাকে কেন্দ্র করে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
গত শুক্রবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে রাউজান পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব আইলিখীল খামার টিলা এলাকায় নিহতের বাড়ির অর্ধ কিলোমিটার দূরে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত বাবলু ওই ওয়ার্ডের ঢালার মুখ এলাকার আবু নাঈম সওদাগর বাড়ির আবুল কালাম সওদাগরের ছেলে। তিনি দুই কন্যা সন্তানের জনক। প্রবাস ফিরে ইট, বালু ও মাটি কাটার ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
নিহতের পিতা আবুল কালাম সওদাগর বলেন, ‘শুক্রবার রাতে বাবলু নানার বাড়িতে নানার ফাতেহা উপলক্ষে আয়োজিত দাওয়াতে যোগ দিয়েছিল। খাওয়াদাওয়া ও গল্পগুজব শেষে রাতে বাড়ি ফেরার সময় পথিমধ্যে খামার টিলা এলাকায় একদল দুর্বৃত্ত পথ আটকে তাকে গুলি করে।’
পরে আত্মীয়স্বজন তাঁকে প্রথমে রাউজানের গহিরা জেকে মেমোরিয়াল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখান থেকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের স্ত্রী লিজা মনি বলেন, ‘শুক্রবার সন্ধ্যায় শেষবার তার সঙ্গে আমার কথা হয়। আমার মেয়েকে নিয়ে আমি হাটহাজারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি ছিলাম। শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকালে তিনি ওখানে আসার কথা ছিল। কিন্তু সকালে দেবর ফোন করে বলে বাবলুকে গুলি করা হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে কিছুদিন আগে তার ঝামেলা হয়েছিল। পরে সেটির সমাধান হয়। সর্বশেষ তিন দিন আগে চৌধুরী মার্কেট এলাকায় কিছু ছেলের কথা কথায় অস্ত্র নিয়ে আলোচনার একটি ভিডিও করেন বাবলু। দুষ্টুমি করে ভিডিওটি করে সেখান থেকে চলে আসেন।’
লিজা মনি দাবি করেন, বাবলু সরাসরি রাজনীতিতে জড়িত না থাকলেও বিএনপির সমর্থক ছিলেন। ‘আমি স্বামী হত্যার বিচার চাই,’ বলেন তিনি।রাউজান থানার ওসি সাজেদুল ইসলাম বলেন, ‘হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় যে গ্রুপ জড়িত, তাদের শনাক্ত করা হয়েছে। তাদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে।’
উল্লেখ্য, এলাকায় মাটি ও বালু কাটাকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। এ নিয়ে আগেও বেশ কয়েকটি সংঘর্ষ ও হত্যার ঘটনা ঘটেছে।

আপনার মতামত লিখুন