সংবাদ

সড়কজুড়ে খানাখন্দ, বিকল্প পথে বেশি ভাড়া


জাহিদুল ইসলাম, প্রতিনিধি, দুমকি (পটুয়াখালী)
জাহিদুল ইসলাম, প্রতিনিধি, দুমকি (পটুয়াখালী)
প্রকাশ: ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৫৪ পিএম

সড়কজুড়ে খানাখন্দ, বিকল্প পথে বেশি ভাড়া
দুমকির থানা ব্রিজ-মৌকরণ ভায়া জামলা সড়কের বেহাল দশা। ছবি: প্রতিনিধি

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার থানা ব্রিজ থেকে মৌকরণ হয়ে জামলা পর্যন্ত এলজিইডি সড়কটির বেহাল দশায় চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচারীরা। দীর্ঘদিন মেরামত না হওয়ায় সড়কজুড়ে তৈরি হয়েছে অসংখ্য খানাখন্দ ও গর্ত। যানবাহন চলাচল হয়ে উঠেছে ঝুঁকিপূর্ণ।

স্থানীয় বাসিন্দা জলিল তালুকদার বলেন, ‘সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কে পানি জমে বড় বড় গর্ত তৈরি হয়। রিকশা, ভ্যান ও মোটরসাইকেল চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে যায়।’

অটোবাইক চালক ফোরকান মৃধা বলেন, ‘ভাঙা রাস্তায় গাড়ি চালাতে গিয়ে যানবাহনের যন্ত্রাংশ দ্রুত নষ্ট হচ্ছে। আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি।’ এককই অভিযোগ করেন আরেক চালক মোশাররফ ঘরামী।

একাধিকবার কর্তৃপক্ষকে জানিয়েও দৃশ্যমোন কোনো উদ্যোগ না নেওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে এলাকাবাসীর মধ্যে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এই সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন শিক্ষার্থী, রোগী ও কর্মজীবী মানুষ চলাচল করেন। জরুরি রোগী পরিবহনেও মারাত্মক সমস্যা হচ্ছে।

সড়কের নাজুক অবস্থায় অটোবাইক চালকরা বাধ্য হয়ে থানা ব্রিজ-লাউকাঠী হয়ে শ্রীরামপুর বাজারের বিকল্প কাঁচা সড়ক ব্যবহার করছেন। এতে মৌকরণগামী যাত্রীদের গুণতে হচ্ছে অতিরিক্ত সময় ও ভাড়া।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধি হুমায়ুন কবির মৃধা বলেন, ‘সড়ক মেরামতের জন্য উপজেলা প্রকৌশল বিভাগে বারবার তাগিদ দেওয়া হয়েছে। টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। শিগগিরই কাজ শুরু হবে।’

দুমকি উপজেলা প্রকৌশলী সাদেকুর রহমান বলেন, ‘সড়কটি প্রশস্ত করা হবে। ঠিকাদার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। রাস্তার দু’পাশের গাছ কাটার বিষয়ে এলজিইডি ও বন বিভাগের সমন্বয়ে কিছুটা সময় লাগছে। জটিলতা কাটলেই কাজ শুরু হবে।’

এলাকাবাসী প্রশাসনের কাছে দ্রুত সড়ক মেরামত ও চলাচলের উপযোগী করার জোর দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬


সড়কজুড়ে খানাখন্দ, বিকল্প পথে বেশি ভাড়া

প্রকাশের তারিখ : ২৫ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার থানা ব্রিজ থেকে মৌকরণ হয়ে জামলা পর্যন্ত এলজিইডি সড়কটির বেহাল দশায় চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচারীরা। দীর্ঘদিন মেরামত না হওয়ায় সড়কজুড়ে তৈরি হয়েছে অসংখ্য খানাখন্দ ও গর্ত। যানবাহন চলাচল হয়ে উঠেছে ঝুঁকিপূর্ণ।

স্থানীয় বাসিন্দা জলিল তালুকদার বলেন, ‘সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কে পানি জমে বড় বড় গর্ত তৈরি হয়। রিকশা, ভ্যান ও মোটরসাইকেল চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে যায়।’

অটোবাইক চালক ফোরকান মৃধা বলেন, ‘ভাঙা রাস্তায় গাড়ি চালাতে গিয়ে যানবাহনের যন্ত্রাংশ দ্রুত নষ্ট হচ্ছে। আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি।’ এককই অভিযোগ করেন আরেক চালক মোশাররফ ঘরামী।

একাধিকবার কর্তৃপক্ষকে জানিয়েও দৃশ্যমোন কোনো উদ্যোগ না নেওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে এলাকাবাসীর মধ্যে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এই সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন শিক্ষার্থী, রোগী ও কর্মজীবী মানুষ চলাচল করেন। জরুরি রোগী পরিবহনেও মারাত্মক সমস্যা হচ্ছে।

সড়কের নাজুক অবস্থায় অটোবাইক চালকরা বাধ্য হয়ে থানা ব্রিজ-লাউকাঠী হয়ে শ্রীরামপুর বাজারের বিকল্প কাঁচা সড়ক ব্যবহার করছেন। এতে মৌকরণগামী যাত্রীদের গুণতে হচ্ছে অতিরিক্ত সময় ও ভাড়া।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধি হুমায়ুন কবির মৃধা বলেন, ‘সড়ক মেরামতের জন্য উপজেলা প্রকৌশল বিভাগে বারবার তাগিদ দেওয়া হয়েছে। টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। শিগগিরই কাজ শুরু হবে।’

দুমকি উপজেলা প্রকৌশলী সাদেকুর রহমান বলেন, ‘সড়কটি প্রশস্ত করা হবে। ঠিকাদার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। রাস্তার দু’পাশের গাছ কাটার বিষয়ে এলজিইডি ও বন বিভাগের সমন্বয়ে কিছুটা সময় লাগছে। জটিলতা কাটলেই কাজ শুরু হবে।’

এলাকাবাসী প্রশাসনের কাছে দ্রুত সড়ক মেরামত ও চলাচলের উপযোগী করার জোর দাবি জানিয়েছেন।



সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত