ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও আবাসিক ছাত্র আব্দুল্লাহ আল মাহমুদের বিরুদ্ধে সামাজিক মাধ্যমে একটি ভুয়া ও বিকৃত স্ক্রিনশট ছড়িয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অপপ্রচার চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছে ডাকসু।
ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তিনি শুধু নিজেই নন, তার পরিবার, পিতা-মাতা, ভাইবোন এবং আত্মীয়স্বজন পর্যন্ত প্রাণনাশের হুমকির মুখে পড়েছে বলে দাবি করেন তারা।
শুক্রবার ডাকসু ভবন প্রাঙ্গনে এক সংবাদ সম্মেলনে মাহমুদ বলেন, "তিনি কখনোই সংশ্লিষ্ট বিতর্কিত পোস্টটি করেননি এবং বিষয়টি স্পষ্ট করতে তাৎক্ষণিকভাবে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ব্যাখ্যা প্রদান করে একটি পোস্ট করেন। তবুও তার বিরুদ্ধে লাগাতার হুমকি আসতে থাকে। এমনকি তার ফেসবুক প্রোফাইল থেকে আত্মীয়দের শনাক্ত করে তাদেরকেও হুমকি দেওয়া হয়।"
তিনি বলেন, "পরবর্তী সময়ে নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং আইনগত সহায়তা পেতে তিনি শাহবাগ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে যান। সেখানে তিনি পুলিশের পক্ষ থেকে অনীহা লক্ষ্য করেন।
থানায় অবস্থানকালে ছাত্রদলের কিছু সংখ্যক সদস্য থানার ভেতরে প্রবেশ করে তাকে খুঁজতে থাকে এবং তাকে লক্ষ্য করে গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করে।"
এই সময়ে আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ ছাড়াও আরও তিনজন: উবাদুর রহমান হাসিব, জাবির আবদুল্লাহ হাইয়ান, মোল্লা আবিদ হোসেন হামলার মধ্যে পড়েন বলে অভিযোগ করে এই শিবির কর্মী। পরবর্তিতে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হওয়া ডাকসু প্রতিনিধি এবি জুবায়ের ও মোসাদ্দেকসহ অন্যান্য শিক্ষার্থী এবং তথ্য সংগ্রহে আসা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সভাপতি, সেক্রেটারিসহ প্রায় ১০ জন সাংবাদিক ও শিক্ষার্থীর ওপরও হামলা করে ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা যা অত্যন্ত নিন্দনীয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।
অভিযোগ অনুযায়ী, থানার ভেতরে ছাত্রদল নেতা-কর্মীরা প্রবেশ করে হুমকি দিতে থাকলে পুলিশ প্রশাসন কার্যকরভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয়।
তিনি অভিযোগ করেন, "জিডি গ্রহণ না করে চারজন শিক্ষার্থীকে দীর্ঘ সময় থানায় আটকে রাখা হয় এবং মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।"
তিনি আরও বলেন, "পরবর্তীতে একাধিক ফ্যাক্ট-চেকিং সূত্র নিশ্চিত করে যে ছড়িয়ে পড়া স্ক্রিনশটটি সম্পূর্ণ ভুয়া এবং উক্ত পোস্টটি তার আইডি থেকে প্রকাশিত হয়নি। তবুও এ ঘটনার প্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করা হয়েছে, যার জবাব তিনি প্রমাণসহ দাখিলের প্রক্রিয়ায় রয়েছেন।"
তিনি সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চেয়ে ৩টি দাবি উপস্থাপন করেন। দাবিগুলো হলো: শাহবাগ থানায় শিবির কর্মী ও সাংবাদিকদের উপর সংঘটিত হামলা এবং পুলিশের ভূমিকার বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্ত, ভুয়া স্ক্রিনশট প্রচারের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং আব্দুল্লাহ আল মাহমুদসহ সংশ্লিষ্ট সকল শিক্ষার্থীর ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ এপ্রিল ২০২৬
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও আবাসিক ছাত্র আব্দুল্লাহ আল মাহমুদের বিরুদ্ধে সামাজিক মাধ্যমে একটি ভুয়া ও বিকৃত স্ক্রিনশট ছড়িয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অপপ্রচার চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছে ডাকসু।
ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তিনি শুধু নিজেই নন, তার পরিবার, পিতা-মাতা, ভাইবোন এবং আত্মীয়স্বজন পর্যন্ত প্রাণনাশের হুমকির মুখে পড়েছে বলে দাবি করেন তারা।
শুক্রবার ডাকসু ভবন প্রাঙ্গনে এক সংবাদ সম্মেলনে মাহমুদ বলেন, "তিনি কখনোই সংশ্লিষ্ট বিতর্কিত পোস্টটি করেননি এবং বিষয়টি স্পষ্ট করতে তাৎক্ষণিকভাবে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ব্যাখ্যা প্রদান করে একটি পোস্ট করেন। তবুও তার বিরুদ্ধে লাগাতার হুমকি আসতে থাকে। এমনকি তার ফেসবুক প্রোফাইল থেকে আত্মীয়দের শনাক্ত করে তাদেরকেও হুমকি দেওয়া হয়।"
তিনি বলেন, "পরবর্তী সময়ে নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং আইনগত সহায়তা পেতে তিনি শাহবাগ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে যান। সেখানে তিনি পুলিশের পক্ষ থেকে অনীহা লক্ষ্য করেন।
থানায় অবস্থানকালে ছাত্রদলের কিছু সংখ্যক সদস্য থানার ভেতরে প্রবেশ করে তাকে খুঁজতে থাকে এবং তাকে লক্ষ্য করে গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করে।"
এই সময়ে আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ ছাড়াও আরও তিনজন: উবাদুর রহমান হাসিব, জাবির আবদুল্লাহ হাইয়ান, মোল্লা আবিদ হোসেন হামলার মধ্যে পড়েন বলে অভিযোগ করে এই শিবির কর্মী। পরবর্তিতে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হওয়া ডাকসু প্রতিনিধি এবি জুবায়ের ও মোসাদ্দেকসহ অন্যান্য শিক্ষার্থী এবং তথ্য সংগ্রহে আসা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সভাপতি, সেক্রেটারিসহ প্রায় ১০ জন সাংবাদিক ও শিক্ষার্থীর ওপরও হামলা করে ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা যা অত্যন্ত নিন্দনীয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।
অভিযোগ অনুযায়ী, থানার ভেতরে ছাত্রদল নেতা-কর্মীরা প্রবেশ করে হুমকি দিতে থাকলে পুলিশ প্রশাসন কার্যকরভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয়।
তিনি অভিযোগ করেন, "জিডি গ্রহণ না করে চারজন শিক্ষার্থীকে দীর্ঘ সময় থানায় আটকে রাখা হয় এবং মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।"
তিনি আরও বলেন, "পরবর্তীতে একাধিক ফ্যাক্ট-চেকিং সূত্র নিশ্চিত করে যে ছড়িয়ে পড়া স্ক্রিনশটটি সম্পূর্ণ ভুয়া এবং উক্ত পোস্টটি তার আইডি থেকে প্রকাশিত হয়নি। তবুও এ ঘটনার প্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করা হয়েছে, যার জবাব তিনি প্রমাণসহ দাখিলের প্রক্রিয়ায় রয়েছেন।"
তিনি সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চেয়ে ৩টি দাবি উপস্থাপন করেন। দাবিগুলো হলো: শাহবাগ থানায় শিবির কর্মী ও সাংবাদিকদের উপর সংঘটিত হামলা এবং পুলিশের ভূমিকার বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্ত, ভুয়া স্ক্রিনশট প্রচারের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং আব্দুল্লাহ আল মাহমুদসহ সংশ্লিষ্ট সকল শিক্ষার্থীর ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন