বান্দরবানের লামা উপজেলার সরই উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রচণ্ড গরম ও চলমান তাপদাহের কারণে অন্তত ১৮ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছে।
রবিবার (২৬ এপ্রিল) পাঠদান চলাকালে এই ঘটনা ঘটে। এর আগে গত কয়েকদিন আগেও একই বিদ্যালয়ের আরও ৫ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছিল।
বিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাত্রাতিরিক্ত লোডশেডিংয়ের ফলে শ্রেণিকক্ষে অসহনীয় গরমের সৃষ্টি হয়েছে। চলমান তাপদাহের মধ্যে বিদ্যুৎ না থাকায় বন্ধ কক্ষে ক্লাস করতে গিয়ে শিক্ষার্থীরা একে একে অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং তাদের মধ্যে কয়েকজন জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। পরবর্তীতে অসুস্থ শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয় এবং খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা এসে তাদের বাড়িতে নিয়ে যান। অসুস্থদের মধ্যে সপ্তম, অষ্টম ও দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি এবং কয়েকজনের শারীরিক অবস্থা বেশ খারাপ হয়ে পড়েছিল।
বিদ্যালয়ের বর্তমান পরিস্থিতি ও শিক্ষক সংকট নিয়ে প্রধান শিক্ষক গীতিপূর্ণ বড়ুয়া জানান, এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৩৬৬ জন শিক্ষার্থীর বিপরীতে মাত্র ৩ জন শিক্ষক কর্মরত আছেন। তীব্র গরম এবং ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে বিদ্যালয়ের শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, "শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা বিবেচনায় দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করা এবং এই চরম গরমের মধ্যে ক্লাস পরিচালনায় বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি।"

রোববার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬
বান্দরবানের লামা উপজেলার সরই উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রচণ্ড গরম ও চলমান তাপদাহের কারণে অন্তত ১৮ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছে।
রবিবার (২৬ এপ্রিল) পাঠদান চলাকালে এই ঘটনা ঘটে। এর আগে গত কয়েকদিন আগেও একই বিদ্যালয়ের আরও ৫ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছিল।
বিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাত্রাতিরিক্ত লোডশেডিংয়ের ফলে শ্রেণিকক্ষে অসহনীয় গরমের সৃষ্টি হয়েছে। চলমান তাপদাহের মধ্যে বিদ্যুৎ না থাকায় বন্ধ কক্ষে ক্লাস করতে গিয়ে শিক্ষার্থীরা একে একে অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং তাদের মধ্যে কয়েকজন জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। পরবর্তীতে অসুস্থ শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয় এবং খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা এসে তাদের বাড়িতে নিয়ে যান। অসুস্থদের মধ্যে সপ্তম, অষ্টম ও দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি এবং কয়েকজনের শারীরিক অবস্থা বেশ খারাপ হয়ে পড়েছিল।
বিদ্যালয়ের বর্তমান পরিস্থিতি ও শিক্ষক সংকট নিয়ে প্রধান শিক্ষক গীতিপূর্ণ বড়ুয়া জানান, এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৩৬৬ জন শিক্ষার্থীর বিপরীতে মাত্র ৩ জন শিক্ষক কর্মরত আছেন। তীব্র গরম এবং ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে বিদ্যালয়ের শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, "শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা বিবেচনায় দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করা এবং এই চরম গরমের মধ্যে ক্লাস পরিচালনায় বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি।"

আপনার মতামত লিখুন