হজের নিয়ম লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে সৌদি আরব। এবার যারা ভিজিট ভিসায় আগত ব্যক্তিদের অবৈধভাবে হজের ব্যবস্থা করে দেবেন, তাদের জরিমানা হতে পারে সর্বোচ্চ ১ লাখ সৌদি রিয়াল। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩৩ লাখ টাকা।
সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নতুন এই নির্দেশনা জারি করেছে বলে জানিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজ।
যেসব কাজ দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে তা স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছে মন্ত্রণালয়। এগুলো হচ্ছে, ভিজিট ভিসায় আসা ব্যক্তিদের হজের উদ্দেশ্যে আশ্রয় দেওয়া, হোটেল, অ্যাপার্টমেন্ট বা ব্যক্তিগত বাসস্থানে এ ধরনের দর্শকদের থাকার ব্যবস্থা করা, অবৈধভাবে অবস্থানকারীদের তথ্য গোপন করা আর মক্কাসহ পবিত্র স্থানগুলোতে তাদের থাকার জন্য কোনো ধরনের সহায়তা প্রদান করা।
এসব অপরাধ করলে সর্বনিম্ন জরিমানা ১ লাখ সৌদি রিয়াল (প্রায় ৩৩ লাখ টাকা) হবে। তবে প্রতিটি লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জড়িত ব্যক্তির সংখ্যা অনুযায়ী এই জরিমানার পরিমাণ কয়েক গুণ পর্যন্ত বাড়তে পারে। অর্থাৎ একাধিক ব্যক্তিকে অবৈধভাবে হজে সাহায্য করলে জরিমানা হবে কয়েক লাখ রিয়াল।
হজ মৌসুমের শুরু থেকে এই কঠোর নিয়ম কার্যকর থাকবে। সময়টা হলো জিলকদ মাসের প্রথম থেকে জিলহজ মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত। পুরো হজ মৌসুম জুড়েই এই বিধিনিষেধ বলবৎ থাকবে।
প্রতি বছর হজের সময় মক্কা ও মদিনায় লাখ লাখ মানুষ সমাগম হয়। বৈধ উপায়ে হজ করতে না পারা অনেক ব্যক্তি ভিজিট ভিসায় এসে অবৈধভাবে হজ পালনের চেষ্টা করেন। এতে সৃষ্টি হয় চরম ভিড় ও বিশৃঙ্খলা। অনেক সময় নিখোঁজ ও দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বাড়ে।
এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় সৌদি কর্তৃপক্ষ বছরের পর বছর কঠোর মনোভাব নিয়ে আসছে। এ বছর জরিমানার পরিমাণ আরও বাড়িয়ে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জনগণকে নিয়ম মেনে চলার এবং কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছে। একইসঙ্গে সতর্ক করে বলা হয়েছে, এই আইন ভঙ্গ করলে বড় ধরনের আইনি জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে।

রোববার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬
হজের নিয়ম লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে সৌদি আরব। এবার যারা ভিজিট ভিসায় আগত ব্যক্তিদের অবৈধভাবে হজের ব্যবস্থা করে দেবেন, তাদের জরিমানা হতে পারে সর্বোচ্চ ১ লাখ সৌদি রিয়াল। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩৩ লাখ টাকা।
সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নতুন এই নির্দেশনা জারি করেছে বলে জানিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজ।
যেসব কাজ দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে তা স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছে মন্ত্রণালয়। এগুলো হচ্ছে, ভিজিট ভিসায় আসা ব্যক্তিদের হজের উদ্দেশ্যে আশ্রয় দেওয়া, হোটেল, অ্যাপার্টমেন্ট বা ব্যক্তিগত বাসস্থানে এ ধরনের দর্শকদের থাকার ব্যবস্থা করা, অবৈধভাবে অবস্থানকারীদের তথ্য গোপন করা আর মক্কাসহ পবিত্র স্থানগুলোতে তাদের থাকার জন্য কোনো ধরনের সহায়তা প্রদান করা।
এসব অপরাধ করলে সর্বনিম্ন জরিমানা ১ লাখ সৌদি রিয়াল (প্রায় ৩৩ লাখ টাকা) হবে। তবে প্রতিটি লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জড়িত ব্যক্তির সংখ্যা অনুযায়ী এই জরিমানার পরিমাণ কয়েক গুণ পর্যন্ত বাড়তে পারে। অর্থাৎ একাধিক ব্যক্তিকে অবৈধভাবে হজে সাহায্য করলে জরিমানা হবে কয়েক লাখ রিয়াল।
হজ মৌসুমের শুরু থেকে এই কঠোর নিয়ম কার্যকর থাকবে। সময়টা হলো জিলকদ মাসের প্রথম থেকে জিলহজ মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত। পুরো হজ মৌসুম জুড়েই এই বিধিনিষেধ বলবৎ থাকবে।
প্রতি বছর হজের সময় মক্কা ও মদিনায় লাখ লাখ মানুষ সমাগম হয়। বৈধ উপায়ে হজ করতে না পারা অনেক ব্যক্তি ভিজিট ভিসায় এসে অবৈধভাবে হজ পালনের চেষ্টা করেন। এতে সৃষ্টি হয় চরম ভিড় ও বিশৃঙ্খলা। অনেক সময় নিখোঁজ ও দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বাড়ে।
এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় সৌদি কর্তৃপক্ষ বছরের পর বছর কঠোর মনোভাব নিয়ে আসছে। এ বছর জরিমানার পরিমাণ আরও বাড়িয়ে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জনগণকে নিয়ম মেনে চলার এবং কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছে। একইসঙ্গে সতর্ক করে বলা হয়েছে, এই আইন ভঙ্গ করলে বড় ধরনের আইনি জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন