রবিবার (২৬ এপ্রিল) বিকেলে সচিবালয়ে আন্দোলনরত শিক্ষকদের একটি প্রতিনিধিদল তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে এলে তিনি এই আহ্বান জানান।
প্রতিমন্ত্রী শিক্ষকদের ধৈর্য ধরার পরামর্শ দিয়ে বলেন, ‘প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগপ্রক্রিয়া নির্ধারিত বিধি-বিধান অনুসরণ করে স্বাভাবিক গতিতেই চলমান। নিয়োগপ্রক্রিয়ার প্রতিটি ধাপ যথাযথভাবে সম্পন্ন করে নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন হবে।’
আন্দোলনকারীদের জনদুর্ভোগ সৃষ্টি না করার অনুরোধ জানিয়ে ববি হাজ্জাজ আরও বলেন, ‘অযথা জনদুর্ভোগ সৃষ্টি না করে আন্দোলন স্থগিত করুন। সবাই নিজ নিজ গন্তব্যে ফিরে যান। আপনাদের নিয়োগপ্রক্রিয়া স্বাভাবিক গতিতে চলছে। মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে দক্ষ ও যোগ্য শিক্ষক নিয়োগে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সব কার্যক্রম যথাযথভাবে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।’
তবে প্রতিমন্ত্রীর এই আশ্বাসে আন্দোলনকারীরা সন্তুষ্ট কি না বা কর্মসূচি স্থগিত করবেন কি না, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের পক্ষ থেকে কিছু জানানো হয়নি।
এর আগে পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী রবিবার বেলা ১১টা থেকে রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকরা। এসময় তারা বিক্ষোভ মিছিল ও সড়ক অবরোধ করলে পুলিশের সঙ্গে বাকবিতণ্ডার ঘটনা ঘটে।
আন্দোলনরত শিক্ষকদের দাবি, চূড়ান্ত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ১৪ হাজার ৩৮৪ জনকে দ্রুত নিয়োগ দিয়ে যোগদানের ব্যবস্থা করতে হবে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন তারা। পরে বিকেলে পুলিশের মধ্যস্থতায় সাত সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল সচিবালয়ে প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেয়।
এর আগে, চলতি বছরের ৯ জানুয়ারি পার্বত্য তিন জেলা বাদে দেশের ৬১ জেলায় সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৬৯ হাজার ২৬৫ জন প্রার্থীর মৌখিক পরীক্ষা শেষে গত ৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হয়। এতে ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থীকে প্রাথমিকভাবে নির্বাচনের পর স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও ডোপ টেস্টের রিপোর্ট জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া গত ১ মার্চ শেষ হয়। নিয়োগের সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পরও দুই মাস অতিবাহিত হলেও যোগদান না করানোয় সুপারিশপ্রাপ্তরা চরম অনিশ্চয়তায় দিন কাটাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন। অনেকে আগের চাকরি ছেড়ে দিয়ে এখন বেকার অবস্থায় মানবেতর জীবনযাপন করছেন বলে জানান আন্দোলনকারীরা।

রোববার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬
রবিবার (২৬ এপ্রিল) বিকেলে সচিবালয়ে আন্দোলনরত শিক্ষকদের একটি প্রতিনিধিদল তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে এলে তিনি এই আহ্বান জানান।
প্রতিমন্ত্রী শিক্ষকদের ধৈর্য ধরার পরামর্শ দিয়ে বলেন, ‘প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগপ্রক্রিয়া নির্ধারিত বিধি-বিধান অনুসরণ করে স্বাভাবিক গতিতেই চলমান। নিয়োগপ্রক্রিয়ার প্রতিটি ধাপ যথাযথভাবে সম্পন্ন করে নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন হবে।’
আন্দোলনকারীদের জনদুর্ভোগ সৃষ্টি না করার অনুরোধ জানিয়ে ববি হাজ্জাজ আরও বলেন, ‘অযথা জনদুর্ভোগ সৃষ্টি না করে আন্দোলন স্থগিত করুন। সবাই নিজ নিজ গন্তব্যে ফিরে যান। আপনাদের নিয়োগপ্রক্রিয়া স্বাভাবিক গতিতে চলছে। মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে দক্ষ ও যোগ্য শিক্ষক নিয়োগে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সব কার্যক্রম যথাযথভাবে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।’
তবে প্রতিমন্ত্রীর এই আশ্বাসে আন্দোলনকারীরা সন্তুষ্ট কি না বা কর্মসূচি স্থগিত করবেন কি না, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের পক্ষ থেকে কিছু জানানো হয়নি।
এর আগে পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী রবিবার বেলা ১১টা থেকে রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকরা। এসময় তারা বিক্ষোভ মিছিল ও সড়ক অবরোধ করলে পুলিশের সঙ্গে বাকবিতণ্ডার ঘটনা ঘটে।
আন্দোলনরত শিক্ষকদের দাবি, চূড়ান্ত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ১৪ হাজার ৩৮৪ জনকে দ্রুত নিয়োগ দিয়ে যোগদানের ব্যবস্থা করতে হবে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন তারা। পরে বিকেলে পুলিশের মধ্যস্থতায় সাত সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল সচিবালয়ে প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেয়।
এর আগে, চলতি বছরের ৯ জানুয়ারি পার্বত্য তিন জেলা বাদে দেশের ৬১ জেলায় সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৬৯ হাজার ২৬৫ জন প্রার্থীর মৌখিক পরীক্ষা শেষে গত ৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হয়। এতে ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থীকে প্রাথমিকভাবে নির্বাচনের পর স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও ডোপ টেস্টের রিপোর্ট জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া গত ১ মার্চ শেষ হয়। নিয়োগের সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পরও দুই মাস অতিবাহিত হলেও যোগদান না করানোয় সুপারিশপ্রাপ্তরা চরম অনিশ্চয়তায় দিন কাটাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন। অনেকে আগের চাকরি ছেড়ে দিয়ে এখন বেকার অবস্থায় মানবেতর জীবনযাপন করছেন বলে জানান আন্দোলনকারীরা।

আপনার মতামত লিখুন