সংবাদ

না ফেরার দেশে অভিনেতা ভরত কাপুর, বলিউডে শোকের ছায়া


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৩৩ এএম

না ফেরার দেশে অভিনেতা ভরত কাপুর, বলিউডে শোকের ছায়া

হিন্দি সিনেমার প্রবীণ ও জনপ্রিয় অভিনেতা ভরত কাপুর আর নেই। সোমবার (২৭ এপ্রিল) দুপুর ৩টার দিকে মুম্বাইয়ে নিজ বাসভবনে শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮০ বছর।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, তিনি হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন। এছাড়া বার্ধক্যজনিত কারণে গত কয়েক দিন ধরে তাঁর শরীরের একাধিক অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বিকল হয়ে গিয়েছিল। গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় মুম্বাইয়ে ঘনিষ্ঠ বন্ধুবান্ধব ও পরিবারের উপস্থিতিতে তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়।

ভরত কাপুরের অভিনয় জীবনের শুরু হয়েছিল থিয়েটার দিয়ে। সত্তর দশকে প্রখ্যাত পরিচালক চেতন আনন্দের হাত ধরে পা রাখেন বড় পর্দায়। এরপর টানা তিন দশক বলিউডের নিয়মিত মুখ ছিলেন তিনি। খলনায়ক, আইনজীবী কিংবা পুলিশ কর্মকর্তা পার্শ্বচরিত্রে যেকোনো ভূমিকায় তিনি ছিলেন সাবলীল।

তাঁর উল্লেখযোগ্য সিনেমার তালিকায় রয়েছে:

  • জনপ্রিয় সিনেমা: ‘নুরি’, ‘রাম–বলরাম’, ‘লাভ স্টোরি’, ‘বাজার’, ‘গুলামি’, ‘আখরি রাস্তা’।
  • নব্বই দশকের কাজ: ‘সত্যমেব জয়তে’, ‘স্বর্গ’, ‘খুদা গাওয়া’, ‘রং’, ‘বরসাত’ এবং ‘সাজন চলে শ্বশুরাল’।
  • তাকে শেষবার বড় পর্দায় দেখা গিয়েছিল ২০০৪ সালে এম এফ হুসেনের ‘মীনাক্ষী: আ টেল অব থ্রি সিটিস’ ছবিতে।

কেবল সিনেমা নয়, ছোট পর্দায়ও ভরত কাপুর ছিলেন সমান জনপ্রিয়। ‘ক্যাম্পাস’, ‘আমানত’, ‘তারা’ এবং ‘চুনৌতি’র মতো সাড়া জাগানো সিরিয়ালগুলোর মাধ্যমে তিনি ঘরে ঘরে পরিচিত হয়ে উঠেছিলেন।

ভরত কাপুরের দীর্ঘ ৫০ বছরের বন্ধু অভিনেতা অবতার গিল সংবাদমাধ্যমকে বলেন, "আমি এইমাত্র শ্মশান থেকে ফিরলাম। তিন দিন ধরে উনি অসুস্থ ছিলেন। ওঁর ছেলে রাহুল আমাকে ফোন করে দুঃসংবাদটি দেয়।"

ব্যক্তিজীবনে ভরত কাপুর স্ত্রী লোপা এবং দুই ছেলে রাহুল ও সাগরকে রেখে গেছেন। কয়েক বছর আগে তাঁর একমাত্র মেয়ে কবিতা মারা যান। এই গুণী অভিনেতার মৃত্যুতে বলিউড ইন্ডাস্ট্রিতে শোকের আবহ বিরাজ করছে।

 

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬


না ফেরার দেশে অভিনেতা ভরত কাপুর, বলিউডে শোকের ছায়া

প্রকাশের তারিখ : ২৮ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

হিন্দি সিনেমার প্রবীণ ও জনপ্রিয় অভিনেতা ভরত কাপুর আর নেই। সোমবার (২৭ এপ্রিল) দুপুর ৩টার দিকে মুম্বাইয়ে নিজ বাসভবনে শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮০ বছর।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, তিনি হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন। এছাড়া বার্ধক্যজনিত কারণে গত কয়েক দিন ধরে তাঁর শরীরের একাধিক অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বিকল হয়ে গিয়েছিল। গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় মুম্বাইয়ে ঘনিষ্ঠ বন্ধুবান্ধব ও পরিবারের উপস্থিতিতে তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়।

ভরত কাপুরের অভিনয় জীবনের শুরু হয়েছিল থিয়েটার দিয়ে। সত্তর দশকে প্রখ্যাত পরিচালক চেতন আনন্দের হাত ধরে পা রাখেন বড় পর্দায়। এরপর টানা তিন দশক বলিউডের নিয়মিত মুখ ছিলেন তিনি। খলনায়ক, আইনজীবী কিংবা পুলিশ কর্মকর্তা পার্শ্বচরিত্রে যেকোনো ভূমিকায় তিনি ছিলেন সাবলীল।

তাঁর উল্লেখযোগ্য সিনেমার তালিকায় রয়েছে:

  • জনপ্রিয় সিনেমা: ‘নুরি’, ‘রাম–বলরাম’, ‘লাভ স্টোরি’, ‘বাজার’, ‘গুলামি’, ‘আখরি রাস্তা’।
  • নব্বই দশকের কাজ: ‘সত্যমেব জয়তে’, ‘স্বর্গ’, ‘খুদা গাওয়া’, ‘রং’, ‘বরসাত’ এবং ‘সাজন চলে শ্বশুরাল’।
  • তাকে শেষবার বড় পর্দায় দেখা গিয়েছিল ২০০৪ সালে এম এফ হুসেনের ‘মীনাক্ষী: আ টেল অব থ্রি সিটিস’ ছবিতে।

কেবল সিনেমা নয়, ছোট পর্দায়ও ভরত কাপুর ছিলেন সমান জনপ্রিয়। ‘ক্যাম্পাস’, ‘আমানত’, ‘তারা’ এবং ‘চুনৌতি’র মতো সাড়া জাগানো সিরিয়ালগুলোর মাধ্যমে তিনি ঘরে ঘরে পরিচিত হয়ে উঠেছিলেন।

ভরত কাপুরের দীর্ঘ ৫০ বছরের বন্ধু অভিনেতা অবতার গিল সংবাদমাধ্যমকে বলেন, "আমি এইমাত্র শ্মশান থেকে ফিরলাম। তিন দিন ধরে উনি অসুস্থ ছিলেন। ওঁর ছেলে রাহুল আমাকে ফোন করে দুঃসংবাদটি দেয়।"

ব্যক্তিজীবনে ভরত কাপুর স্ত্রী লোপা এবং দুই ছেলে রাহুল ও সাগরকে রেখে গেছেন। কয়েক বছর আগে তাঁর একমাত্র মেয়ে কবিতা মারা যান। এই গুণী অভিনেতার মৃত্যুতে বলিউড ইন্ডাস্ট্রিতে শোকের আবহ বিরাজ করছে।

 


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত