গভীর রাতে ভিডিও কল, ভোরেই মিলল ঝুলন্ত মরদেহ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মুনিরা মাহজাবিন মিমোর (২৬) এই মৃত্যু ঘিরে প্রশ্ন- ওই কথোপকথনে তাকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়া হয়েছিল কি না।
পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা করা হয়েছে মিমোর শিক্ষকের বিরুদ্ধে। ইতিমধ্যে গ্রেপ্তার হয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. সুদীপ চক্রবর্তী। তিনি এখন কারাগারে।
মামলার তথ্যমতে, ২৫ এপ্রিল রাত সাড়ে ১১টায় নিজ কক্ষে যান মিমো। রাত প্রায় ১টার দিকে তার সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলেন সুদীপ চক্রবর্তী। এই কলকেই এখন ‘শেষ যোগাযোগ’ হিসেবে দেখছে তদন্ত দল।
পরদিন ভোর ৫টা ৪০ মিনিটে নামাজের ডাক দিতে গিয়ে পরিবারের সদস্যরা দেখতে পান তার কক্ষের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ। ডাকাডাকির পরও সাড়া নেই। দরজা ভেঙে ভেতরে গিয়ে তারা দেখেন, মিমো ফ্যানের সঙ্গে ঝুলছেন।
পরিবারের দাবি, ভিডিও কলে এক পর্যায়ে শিক্ষক মিমোকে আত্মহত্যার পরামর্শ দেন। অভিযোগে আরও বলা হয়, তাদের মধ্যে ব্যক্তিগত সম্পর্ক ছিল। মোবাইলের হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজ ও কল রেকর্ডে তা পাওয়া গেছে বলে পরিবারের দাবি।
পুলিশ বলছে, ডিজিটাল প্রমাণই এই মামলার মূল ভিত্তি। কল লগ, মেসেজ, ভিডিও কলের সময়কাল- সবকিছু খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
গ্রেপ্তারের পর রোববার (২৬ এপ্রিল) আদালতে হাজির করে ড. সুদীপ চক্রবর্তীকে জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়। তদন্তের স্বার্থে ভবিষ্যতে রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করতে পারে পুলিশ।
ময়নাতদন্ত শেষে মিমোর মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি হাতে লেখা চিরকুটও উদ্ধার করেছে পুলিশ।
আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করতে চাইলে প্ররোচনার সরাসরি প্রমাণ আদালতে পেশ করতে হবে। শুধু ভিডিও কলই নয়, মানসিকভাবে চাপ দেওয়া বা হুমকির ধারাবাহিকতা দেখাতে হবে।

মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ এপ্রিল ২০২৬
গভীর রাতে ভিডিও কল, ভোরেই মিলল ঝুলন্ত মরদেহ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মুনিরা মাহজাবিন মিমোর (২৬) এই মৃত্যু ঘিরে প্রশ্ন- ওই কথোপকথনে তাকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়া হয়েছিল কি না।
পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা করা হয়েছে মিমোর শিক্ষকের বিরুদ্ধে। ইতিমধ্যে গ্রেপ্তার হয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. সুদীপ চক্রবর্তী। তিনি এখন কারাগারে।
মামলার তথ্যমতে, ২৫ এপ্রিল রাত সাড়ে ১১টায় নিজ কক্ষে যান মিমো। রাত প্রায় ১টার দিকে তার সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলেন সুদীপ চক্রবর্তী। এই কলকেই এখন ‘শেষ যোগাযোগ’ হিসেবে দেখছে তদন্ত দল।
পরদিন ভোর ৫টা ৪০ মিনিটে নামাজের ডাক দিতে গিয়ে পরিবারের সদস্যরা দেখতে পান তার কক্ষের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ। ডাকাডাকির পরও সাড়া নেই। দরজা ভেঙে ভেতরে গিয়ে তারা দেখেন, মিমো ফ্যানের সঙ্গে ঝুলছেন।
পরিবারের দাবি, ভিডিও কলে এক পর্যায়ে শিক্ষক মিমোকে আত্মহত্যার পরামর্শ দেন। অভিযোগে আরও বলা হয়, তাদের মধ্যে ব্যক্তিগত সম্পর্ক ছিল। মোবাইলের হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজ ও কল রেকর্ডে তা পাওয়া গেছে বলে পরিবারের দাবি।
পুলিশ বলছে, ডিজিটাল প্রমাণই এই মামলার মূল ভিত্তি। কল লগ, মেসেজ, ভিডিও কলের সময়কাল- সবকিছু খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
গ্রেপ্তারের পর রোববার (২৬ এপ্রিল) আদালতে হাজির করে ড. সুদীপ চক্রবর্তীকে জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়। তদন্তের স্বার্থে ভবিষ্যতে রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করতে পারে পুলিশ।
ময়নাতদন্ত শেষে মিমোর মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি হাতে লেখা চিরকুটও উদ্ধার করেছে পুলিশ।
আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করতে চাইলে প্ররোচনার সরাসরি প্রমাণ আদালতে পেশ করতে হবে। শুধু ভিডিও কলই নয়, মানসিকভাবে চাপ দেওয়া বা হুমকির ধারাবাহিকতা দেখাতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন