সংবাদ

সুনামগঞ্জে ঢলে সড়ক ভেঙে হাওর প্লাবিত


প্রতিনিধি, সুনামগঞ্জ
প্রতিনিধি, সুনামগঞ্জ
প্রকাশ: ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:০০ পিএম

সুনামগঞ্জে ঢলে সড়ক ভেঙে হাওর প্লাবিত
সুনামগঞ্জের মধ্যনগরে পাহাড়ি ঢলের চাপে গ্রামীণ সড়ক ভেঙে ইকরাছই হাওরে প্লাবিত। ছবি : সংবাদ

সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলার ইকরাছই (এরনবিল) হাওরে পাহাড়ি ঢলের পানি প্রবেশ করেছে। নেত্রকোনার দুর্গাপুর হয়ে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের চাপে মনাই নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় হামিদপুর গ্রামের পার্শ্ববর্তী একটি গ্রামীণ সড়ক ভেঙে হাওরে এই পানি ঢুকছে। এতে হাওরের অবশিষ্ট ফসল নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন স্থানীয় কৃষকরা।

উপজেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ইকরাছই হাওরে মোট ১১৪ হেক্টর ফসলি জমি রয়েছে। এর মধ্যে কৃষকেরা এ পর্যন্ত ৪০ হেক্টর জমির ধান ঘরে তুলতে পেরেছেন। তবে পাহাড়ি ঢলের কারণে গ্রামীণ সড়ক ভেঙে ইতিমধ্যে প্রায় ৫ থেকে ১০ হেক্টর জমির ফসল তলিয়ে গেছে। এখন হাওরের বাকি ধান রক্ষা করাই বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মধ্যনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সঞ্জয় ঘোষ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, যে সড়কটি ভেঙে হাওরে পানি প্রবেশ করছে, সেটি পানি উন্নয়ন বোর্ডের কোনো বাঁধ নয়; বরং একটি গ্রামীণ সড়ক। নেত্রকোনার দুর্গাপুর দিয়ে নেমে আসা প্রবল পাহাড়ি ঢলের চাপে মনাই নদীর পানির উচ্চতা বেড়ে যাওয়ায় সড়কটির একটি অংশ ভেঙে গেছে।

ইউএনও আরও বলেন, ‘আমরা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি। অধিকাংশ জমির ফসল ইতিমধ্যে কাটা শেষ হলেও অবশিষ্ট ফসল রক্ষার জন্য স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রশাসন মিলে ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।’

স্থানীয় কৃষকেরা জানান, গত কয়েক দিন ধরে উজানের ঢলে নদীর পানি বাড়ায় তারা সতর্ক ছিলেন। কিন্তু হঠাৎ সড়ক ভেঙে পানি ঢোকায় তারা বিপাকে পড়েছেন। এখন অবশিষ্ট পাকা ধান দ্রুত কেটে ঘরে তোলার চেষ্টা করছেন তারা।

স্থানীয় প্রশাসন ও এলাকাবাসী যৌথভাবে ভাঙন মেরামতের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং যেকোনো জরুরি প্রয়োজনে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬


সুনামগঞ্জে ঢলে সড়ক ভেঙে হাওর প্লাবিত

প্রকাশের তারিখ : ২৮ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলার ইকরাছই (এরনবিল) হাওরে পাহাড়ি ঢলের পানি প্রবেশ করেছে। নেত্রকোনার দুর্গাপুর হয়ে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের চাপে মনাই নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় হামিদপুর গ্রামের পার্শ্ববর্তী একটি গ্রামীণ সড়ক ভেঙে হাওরে এই পানি ঢুকছে। এতে হাওরের অবশিষ্ট ফসল নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন স্থানীয় কৃষকরা।

উপজেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ইকরাছই হাওরে মোট ১১৪ হেক্টর ফসলি জমি রয়েছে। এর মধ্যে কৃষকেরা এ পর্যন্ত ৪০ হেক্টর জমির ধান ঘরে তুলতে পেরেছেন। তবে পাহাড়ি ঢলের কারণে গ্রামীণ সড়ক ভেঙে ইতিমধ্যে প্রায় ৫ থেকে ১০ হেক্টর জমির ফসল তলিয়ে গেছে। এখন হাওরের বাকি ধান রক্ষা করাই বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মধ্যনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সঞ্জয় ঘোষ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, যে সড়কটি ভেঙে হাওরে পানি প্রবেশ করছে, সেটি পানি উন্নয়ন বোর্ডের কোনো বাঁধ নয়; বরং একটি গ্রামীণ সড়ক। নেত্রকোনার দুর্গাপুর দিয়ে নেমে আসা প্রবল পাহাড়ি ঢলের চাপে মনাই নদীর পানির উচ্চতা বেড়ে যাওয়ায় সড়কটির একটি অংশ ভেঙে গেছে।

ইউএনও আরও বলেন, ‘আমরা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি। অধিকাংশ জমির ফসল ইতিমধ্যে কাটা শেষ হলেও অবশিষ্ট ফসল রক্ষার জন্য স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রশাসন মিলে ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।’

স্থানীয় কৃষকেরা জানান, গত কয়েক দিন ধরে উজানের ঢলে নদীর পানি বাড়ায় তারা সতর্ক ছিলেন। কিন্তু হঠাৎ সড়ক ভেঙে পানি ঢোকায় তারা বিপাকে পড়েছেন। এখন অবশিষ্ট পাকা ধান দ্রুত কেটে ঘরে তোলার চেষ্টা করছেন তারা।

স্থানীয় প্রশাসন ও এলাকাবাসী যৌথভাবে ভাঙন মেরামতের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং যেকোনো জরুরি প্রয়োজনে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি রয়েছে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত