বিএনপির কেন্দ্রীয় নেত্রী ও ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নিপুণ রায় চৌধুরীর হলফনামায় উঠে এসেছে এক বিপুল সম্পদের খতিয়ান।
সংরক্ষিত
নারী আসনে দলীয় মনোনয়ন
পাওয়ার পর নির্বাচন কমিশনে
জমা দেওয়া তথ্যে দেখা যাচ্ছে, এই
নেত্রী ও তার স্বামীর
সংগ্রহে রয়েছে ‘পাহাড়সম’ স্বর্ণালঙ্কার ও বড় অংকের
ব্যাংক আমানত।
জমা
দেওয়া হলফনামার তথ্য বিশ্লেষণে দেখা
যায়, নিপুণ রায় চৌধুরীর ব্যক্তিগত
মালিকানায় রয়েছে ৫০২ ভরি সোনা
ও অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর গয়না। অন্যদিকে তার স্বামী অমিতাভ
রায়ের নামে রয়েছে আরও
১০০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার। দম্পতি
হিসেবে তাদের মোট স্বর্ণের পরিমাণ
দাঁড়িয়েছে ৬০২ ভরি। তবে
এই বিপুল পরিমাণ গয়না তারা উত্তরাধিকার
বা ক্রয় সূত্রে নয়,
বরং ‘উপহার’ হিসেবে পেয়েছেন বলে উল্লেখ করা
হয়েছে। মজার বিষয় হলো,
হলফনামায় এসব অলঙ্কারের অর্জনকালীন
সময়ের বাজারমূল্য ‘অজানা’ বলে দেখানো হয়েছে।
পেশায়
আইনজীবী নিপুণ রায়ের আয়ের প্রধান উৎস
ওকালতি। এই পেশা থেকে
তিনি বছরে প্রায় ২৬
লাখ টাকা আয় করেন
বলে জানিয়েছেন। এছাড়া শেয়ার বাজার ও ব্যাংক আমানত
থেকেও বছরে তার আরও
সাড়ে ৪ লাখ টাকা
আয় আসে। বর্তমানে তার
নামে ১ কোটি ১৩
লাখ ২১ হাজার টাকার
স্থায়ী আমানত বা এফডিআর রয়েছে।
শুধু
নগদ টাকাই নয়, বিলাসবহুল যাতায়াতেও
পিছিয়ে নেই তিনি। হলফনামায়
তার মালিকানায় ১ কোটি ১১
লাখ টাকা মূল্যের দুটি
গাড়ির তথ্য দেওয়া হয়েছে।
সব মিলিয়ে নিপুণের নিজের নামে থাকা অস্থাবর
সম্পদের পরিমাণ প্রায় ১০ কোটি ৫০
লাখ টাকা। তার স্বামী অমিতাভ
রায়ের নামেও রয়েছে সাড়ে তিন কোটি
টাকার বেশি মূল্যের অস্থাবর
সম্পদ।
স্থাবর
সম্পদের বর্ণনায় নিপুণ রায় প্রায় ৮৫
লাখ ২০ হাজার টাকা
মূল্যের একটি ফ্ল্যাটের মালিকানা
স্বীকার করেছেন, যদিও এর অবস্থান
সম্পর্কে বিস্তারিত উল্লেখ করেননি। সম্পদের পাশাপাশি এই নেত্রীর ‘ঘাড়ে’
ঋণের বোঝাও কম নয়। বিভিন্ন
ব্যাংক ও ব্যক্তির কাছে
১ কোটি ১৯ লাখ
টাকার দায় রয়েছে তার।
বর্তমানে স্বামী-স্ত্রীর হাতে নগদ অর্থ
রয়েছে ৭৬ লাখ টাকা।
প্রসঙ্গত,
নিপুণ রায় চৌধুরী সাবেক
মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীর কন্যা
এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের পুত্রবধূ।

মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ এপ্রিল ২০২৬
বিএনপির কেন্দ্রীয় নেত্রী ও ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নিপুণ রায় চৌধুরীর হলফনামায় উঠে এসেছে এক বিপুল সম্পদের খতিয়ান।
সংরক্ষিত
নারী আসনে দলীয় মনোনয়ন
পাওয়ার পর নির্বাচন কমিশনে
জমা দেওয়া তথ্যে দেখা যাচ্ছে, এই
নেত্রী ও তার স্বামীর
সংগ্রহে রয়েছে ‘পাহাড়সম’ স্বর্ণালঙ্কার ও বড় অংকের
ব্যাংক আমানত।
জমা
দেওয়া হলফনামার তথ্য বিশ্লেষণে দেখা
যায়, নিপুণ রায় চৌধুরীর ব্যক্তিগত
মালিকানায় রয়েছে ৫০২ ভরি সোনা
ও অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর গয়না। অন্যদিকে তার স্বামী অমিতাভ
রায়ের নামে রয়েছে আরও
১০০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার। দম্পতি
হিসেবে তাদের মোট স্বর্ণের পরিমাণ
দাঁড়িয়েছে ৬০২ ভরি। তবে
এই বিপুল পরিমাণ গয়না তারা উত্তরাধিকার
বা ক্রয় সূত্রে নয়,
বরং ‘উপহার’ হিসেবে পেয়েছেন বলে উল্লেখ করা
হয়েছে। মজার বিষয় হলো,
হলফনামায় এসব অলঙ্কারের অর্জনকালীন
সময়ের বাজারমূল্য ‘অজানা’ বলে দেখানো হয়েছে।
পেশায়
আইনজীবী নিপুণ রায়ের আয়ের প্রধান উৎস
ওকালতি। এই পেশা থেকে
তিনি বছরে প্রায় ২৬
লাখ টাকা আয় করেন
বলে জানিয়েছেন। এছাড়া শেয়ার বাজার ও ব্যাংক আমানত
থেকেও বছরে তার আরও
সাড়ে ৪ লাখ টাকা
আয় আসে। বর্তমানে তার
নামে ১ কোটি ১৩
লাখ ২১ হাজার টাকার
স্থায়ী আমানত বা এফডিআর রয়েছে।
শুধু
নগদ টাকাই নয়, বিলাসবহুল যাতায়াতেও
পিছিয়ে নেই তিনি। হলফনামায়
তার মালিকানায় ১ কোটি ১১
লাখ টাকা মূল্যের দুটি
গাড়ির তথ্য দেওয়া হয়েছে।
সব মিলিয়ে নিপুণের নিজের নামে থাকা অস্থাবর
সম্পদের পরিমাণ প্রায় ১০ কোটি ৫০
লাখ টাকা। তার স্বামী অমিতাভ
রায়ের নামেও রয়েছে সাড়ে তিন কোটি
টাকার বেশি মূল্যের অস্থাবর
সম্পদ।
স্থাবর
সম্পদের বর্ণনায় নিপুণ রায় প্রায় ৮৫
লাখ ২০ হাজার টাকা
মূল্যের একটি ফ্ল্যাটের মালিকানা
স্বীকার করেছেন, যদিও এর অবস্থান
সম্পর্কে বিস্তারিত উল্লেখ করেননি। সম্পদের পাশাপাশি এই নেত্রীর ‘ঘাড়ে’
ঋণের বোঝাও কম নয়। বিভিন্ন
ব্যাংক ও ব্যক্তির কাছে
১ কোটি ১৯ লাখ
টাকার দায় রয়েছে তার।
বর্তমানে স্বামী-স্ত্রীর হাতে নগদ অর্থ
রয়েছে ৭৬ লাখ টাকা।
প্রসঙ্গত,
নিপুণ রায় চৌধুরী সাবেক
মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীর কন্যা
এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের পুত্রবধূ।

আপনার মতামত লিখুন