সংবাদ

রামেক হাসপাতালে পুলিশ-নার্স হাতাহাতি


জেলা বার্তা পরিবেশক, রাজশাহী
জেলা বার্তা পরিবেশক, রাজশাহী
প্রকাশ: ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৪৪ পিএম

রামেক হাসপাতালে পুলিশ-নার্স হাতাহাতি
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল । ফাইল ছবি

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে এক রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে জ্যেষ্ঠ স্টাফ নার্স ও পুলিশ কনস্টেবলের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। গত সোমবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে হাসপাতালের ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের (অর্থোসার্জারি ইউনিট-২) ডেন্টাল বিভাগে এ ঘটনা ঘটে।

হাসপাতাল ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নগরের শাহমখদুম থানায় কর্মরত কনস্টেবল আমিনুল ইসলাম তার মা নূরেসা বেগমকে দাঁতের সমস্যার কারণে হাসপাতালে ভর্তি করেন। চিকিৎসা শুরু হওয়ার আগেই তার মৃত্যু হলে আমিনুল ইসলাম চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ তোলেন। এ নিয়ে সেখানে দায়িত্বরত ব্রাদার (নার্স) রাকিব আহম্মেদের সঙ্গে তার বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে দুজনেই হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন। পরে অন্য নার্স ও কর্মীরা এসে আমিনুল ইসলামকে আটকে রাখেন।

খবর পেয়ে হাসপাতালের পুলিশ বক্সের সদস্যরা ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে যান। পরে হাসপাতাল পরিচালক ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসা করা হয়। মধ্যরাতে আমিনুল ইসলাম তার মায়ের মরদেহ নিয়ে বাড়ি ফিরে যান।

কনস্টেবল আমিনুল ইসলামের দাবি, জরুরি বিভাগ থেকে ওয়ার্ডে পাঠানোর পর দায়িত্বরত কেউ তার মাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিতে রাজি হননি। তবে নার্স রাকিব আহম্মেদ এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘রোগীকে যখন হাসপাতালে আনা হয়, তখনই তার অবস্থা সংকটাপন্ন ছিল। বিষয়টি জানানোর পরই ওই পুলিশ সদস্য আমার ওপর হামলা করেন।’

এ ঘটনায় আজ মঙ্গলবার নার্স রাকিব আহম্মেদ রাজশাহী মহানগর পুলিশ কমিশনারের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। শাহমখদুম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন বলেন, মায়ের মৃত্যুর শোকে উত্তেজনা থেকে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে। যেহেতু সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি একজন পুলিশ সদস্য, তাই তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬


রামেক হাসপাতালে পুলিশ-নার্স হাতাহাতি

প্রকাশের তারিখ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে এক রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে জ্যেষ্ঠ স্টাফ নার্স ও পুলিশ কনস্টেবলের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। গত সোমবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে হাসপাতালের ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের (অর্থোসার্জারি ইউনিট-২) ডেন্টাল বিভাগে এ ঘটনা ঘটে।

হাসপাতাল ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নগরের শাহমখদুম থানায় কর্মরত কনস্টেবল আমিনুল ইসলাম তার মা নূরেসা বেগমকে দাঁতের সমস্যার কারণে হাসপাতালে ভর্তি করেন। চিকিৎসা শুরু হওয়ার আগেই তার মৃত্যু হলে আমিনুল ইসলাম চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ তোলেন। এ নিয়ে সেখানে দায়িত্বরত ব্রাদার (নার্স) রাকিব আহম্মেদের সঙ্গে তার বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে দুজনেই হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন। পরে অন্য নার্স ও কর্মীরা এসে আমিনুল ইসলামকে আটকে রাখেন।

খবর পেয়ে হাসপাতালের পুলিশ বক্সের সদস্যরা ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে যান। পরে হাসপাতাল পরিচালক ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসা করা হয়। মধ্যরাতে আমিনুল ইসলাম তার মায়ের মরদেহ নিয়ে বাড়ি ফিরে যান।

কনস্টেবল আমিনুল ইসলামের দাবি, জরুরি বিভাগ থেকে ওয়ার্ডে পাঠানোর পর দায়িত্বরত কেউ তার মাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিতে রাজি হননি। তবে নার্স রাকিব আহম্মেদ এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘রোগীকে যখন হাসপাতালে আনা হয়, তখনই তার অবস্থা সংকটাপন্ন ছিল। বিষয়টি জানানোর পরই ওই পুলিশ সদস্য আমার ওপর হামলা করেন।’

এ ঘটনায় আজ মঙ্গলবার নার্স রাকিব আহম্মেদ রাজশাহী মহানগর পুলিশ কমিশনারের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। শাহমখদুম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন বলেন, মায়ের মৃত্যুর শোকে উত্তেজনা থেকে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে। যেহেতু সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি একজন পুলিশ সদস্য, তাই তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত