সংবাদ

শিকলবন্দী মিতুর পাশে দাঁড়াল উপজেলা প্রশাসন


প্রতিনিধি, সাতক্ষীরা
প্রতিনিধি, সাতক্ষীরা
প্রকাশ: ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৪৯ পিএম

শিকলবন্দী মিতুর পাশে দাঁড়াল উপজেলা প্রশাসন
প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেওয়া মানবিক উদ্যোগ। ছবি : সংবাদ

গণমাধ্যমে খবর প্রকাশের পর সাতক্ষীরার তালা উপজেলায় ১৫ বছর ধরে শিকলবন্দী তরুণী মিতুর (২৪) পাশে দাঁড়িয়েছে উপজেলা প্রশাসন। জেলা প্রশাসক আফরুজা আক্তারের নির্দেশনায় তার চিকিৎসার সব দায়িত্ব নিয়েছেন তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাহাত খান।

মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দুপুরে ইউএনও রাহাত খান ও তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. খালিদ হাসান নয়ন মিতুদের বাড়িতে যান। তারা মিতুর শারীরিক ও মানসিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন এবং উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।

সাতক্ষীরার তালা উপজেলার খলিলনগর ইউনিয়নের প্রসাদপুর গ্রামের মোড়ল পাড়ার বাসিন্দা মিতু। মানসিক সমস্যার কারণে দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে পায়ে শিকল ও বেড়ি পরা অবস্থায় কাটছে তার জীবন। গত ২২ এপ্রিল সংবাদসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে মিতুর কষ্টের চিত্র তুলে ধরে খবর প্রকাশিত হয়। বিষয়টি প্রশাসনের নজরে এলে মিতুর চিকিৎসায় দ্রুত উদ্যোগ নেওয়া হয়।

পরিদর্শন শেষে ডা. খালিদ হাসান নয়ন বলেন, সঠিক চিকিৎসা পেলে মিতুর সুস্থ হওয়ার উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে। মিতুর চিকিৎসার জন্য তাকে দ্রুত সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হবে।

পরিদর্শনকালে ইউএনও মিতুর মায়ের হাতে কিছু শুকনো খাবার ও নগদ অর্থ সহায়তা তুলে দেন। রাহাত খান বলেন, ‘খবরটি দেখার পরপরই আমরা মিতুর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করি। প্রশাসন তার পাশে আছে। মিতুর সম্পূর্ণ চিকিৎসার ব্যয় উপজেলা প্রশাসন বহন করবে।’ ১৫ বছর পর মিতুর সুস্থ হওয়ার উদ্যোগে তার পরিবারে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬


শিকলবন্দী মিতুর পাশে দাঁড়াল উপজেলা প্রশাসন

প্রকাশের তারিখ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

গণমাধ্যমে খবর প্রকাশের পর সাতক্ষীরার তালা উপজেলায় ১৫ বছর ধরে শিকলবন্দী তরুণী মিতুর (২৪) পাশে দাঁড়িয়েছে উপজেলা প্রশাসন। জেলা প্রশাসক আফরুজা আক্তারের নির্দেশনায় তার চিকিৎসার সব দায়িত্ব নিয়েছেন তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাহাত খান।

মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দুপুরে ইউএনও রাহাত খান ও তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. খালিদ হাসান নয়ন মিতুদের বাড়িতে যান। তারা মিতুর শারীরিক ও মানসিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন এবং উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।

সাতক্ষীরার তালা উপজেলার খলিলনগর ইউনিয়নের প্রসাদপুর গ্রামের মোড়ল পাড়ার বাসিন্দা মিতু। মানসিক সমস্যার কারণে দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে পায়ে শিকল ও বেড়ি পরা অবস্থায় কাটছে তার জীবন। গত ২২ এপ্রিল সংবাদসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে মিতুর কষ্টের চিত্র তুলে ধরে খবর প্রকাশিত হয়। বিষয়টি প্রশাসনের নজরে এলে মিতুর চিকিৎসায় দ্রুত উদ্যোগ নেওয়া হয়।

পরিদর্শন শেষে ডা. খালিদ হাসান নয়ন বলেন, সঠিক চিকিৎসা পেলে মিতুর সুস্থ হওয়ার উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে। মিতুর চিকিৎসার জন্য তাকে দ্রুত সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হবে।

পরিদর্শনকালে ইউএনও মিতুর মায়ের হাতে কিছু শুকনো খাবার ও নগদ অর্থ সহায়তা তুলে দেন। রাহাত খান বলেন, ‘খবরটি দেখার পরপরই আমরা মিতুর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করি। প্রশাসন তার পাশে আছে। মিতুর সম্পূর্ণ চিকিৎসার ব্যয় উপজেলা প্রশাসন বহন করবে।’ ১৫ বছর পর মিতুর সুস্থ হওয়ার উদ্যোগে তার পরিবারে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত