সংবাদ

অভিনয়ের ব্যস্ততার মাঝেও গানের টান, চর্চা ছাড়েননি হিমি


বিনোদন প্রতিবেদক
বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশ: ২ মে ২০২৬, ০৫:৫০ পিএম

অভিনয়ের ব্যস্ততার মাঝেও গানের টান, চর্চা ছাড়েননি হিমি

এই প্রজন্মের জনপ্রিয় অভিনেত্রী জান্নাতুল সুমাইয়া হিমি অভিনয়ে ব্যস্ত থাকলেও ভোলেননি তার শৈশবের ভালোবাসা—সংগীত। শুটিংয়ের ফাঁকে সময় পেলেই এখনো হারমোনিয়াম নিয়ে বসেন, নিজের মতো করে করেন গানের চর্চা।

পুরান ঢাকায় বেড়ে ওঠা হিমির শৈশব কেটেছে সাংস্কৃতিক পরিবেশে। রাজধানীর গে-ারিয়ার ‘কচিকাঁচা’য় ছোটবেলা থেকেই গান, নাচ ও আবৃত্তি শেখার মধ্য দিয়ে শিল্পচর্চার শুরু। এরপর ছায়ানট-এও সংগীতের তালিম নেন তিনি। গানের প্রথম হাতেখড়ি হয় সাধনা মিত্র-এর কাছে। পরবর্তীতে প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী ফেরদৌস আরা-এর কাছেও নিয়মিত তালিম নেন। সব মিলিয়ে প্রায় ছয় থেকে সাত বছর সংগীতে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন তিনি। শিক্ষাজীবনেও ছিলেন মনোযোগী হিমি। পুরান ঢাকার মনিজা রহমান গার্লস হাইস্কুল-এ প্রাথমিক শিক্ষা শেষে বাংলাবাজার গভর্নমেন্ট গার্লস হাইস্কুল থেকে এসএসসি এবং ক্যামব্রিয়ান কলেজ থেকে এইচএসসি সম্পন্ন করেন। পরে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি থেকে ২০২২ সালে বিবিএ ডিগ্রি অর্জন করেন। অভিনয়ে তার যাত্রা শুরু হয় মোহর আলী নাটকের মাধ্যমে, যা প্রচারিত হয়েছিল চ্যানেল আই-এ। সেখান থেকেই দর্শকের নজরে আসেন তিনি।

বড় পর্দায় তার অভিষেক হয় কলকাতার চলচ্চিত্র হঠাৎ দেখা-এর মাধ্যমে। যদিও এরপর আর সিনেমায় তাকে দেখা যায়নি, ছোট পর্দাতেই নিজের অবস্থান শক্ত করেছেন তিনি। অভিনেত্রী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পরও সংগীত থেকে পুরোপুরি দূরে সরে যাননি হিমি। তার গাওয়া প্রথম মৌলিক গান ছিল পরাণ পাখি, যা একই নামের একটি নাটকে ব্যবহৃত হয় এবং বেশ প্রশংসা পায়। পরবর্তীতে জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ইত্যাদি-তে তিনি পরিবেশন করেন ‘তুমি আমায় ভালোবেসো’ গানটি। সর্বশেষ ভালোবাসা দিবসে প্রকাশিত হয় তার আরেকটি গান দুজন দুজনার, যা শ্রোতাদের মধ্যে সাড়া ফেলে।

গান নিয়ে নিজের অনুভূতি জানিয়ে হিমি বলেন, “ছোটবেলা থেকেই গান শিখেছি, তাই এর প্রতি আলাদা একটা টান আছে। এখনো সময় পেলেই হারমোনিয়াম নিয়ে বসে চর্চা করি। ফেরদৌস আরা ম্যাডাম সবসময়ই বলেন, নিয়মিত করলে ভালো করা সম্ভব। তিনি আমার ওপর অনেক বিশ্বাস রাখেন, যা আমাকে অনুপ্রাণিত করে।” তিনি আরও বলেন, “সাধনা মিত্র ম্যাডামের কাছে আমি সবচেয়ে বেশি কৃতজ্ঞ। তিনিই আমাকে প্রথম গান শেখান এবং উৎসাহ দেন। আর আমার মা সবসময় পাশে ছিলেন, যার জন্যই আজ এখানে আসতে পেরেছি।” সব মিলিয়ে, অভিনয়ের ব্যস্ততার মাঝেও সংগীতচর্চা ধরে রেখে জান্নাতুল সুমাইয়া হিমি প্রমাণ করছেন একজন শিল্পীর জন্য ভালোবাসার জায়গা কখনো হারিয়ে যায় না, বরং সময় পেলেই তা ফিরে আসে নতুন করে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শনিবার, ০২ মে ২০২৬


অভিনয়ের ব্যস্ততার মাঝেও গানের টান, চর্চা ছাড়েননি হিমি

প্রকাশের তারিখ : ০২ মে ২০২৬

featured Image

এই প্রজন্মের জনপ্রিয় অভিনেত্রী জান্নাতুল সুমাইয়া হিমি অভিনয়ে ব্যস্ত থাকলেও ভোলেননি তার শৈশবের ভালোবাসা—সংগীত। শুটিংয়ের ফাঁকে সময় পেলেই এখনো হারমোনিয়াম নিয়ে বসেন, নিজের মতো করে করেন গানের চর্চা।

পুরান ঢাকায় বেড়ে ওঠা হিমির শৈশব কেটেছে সাংস্কৃতিক পরিবেশে। রাজধানীর গে-ারিয়ার ‘কচিকাঁচা’য় ছোটবেলা থেকেই গান, নাচ ও আবৃত্তি শেখার মধ্য দিয়ে শিল্পচর্চার শুরু। এরপর ছায়ানট-এও সংগীতের তালিম নেন তিনি। গানের প্রথম হাতেখড়ি হয় সাধনা মিত্র-এর কাছে। পরবর্তীতে প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী ফেরদৌস আরা-এর কাছেও নিয়মিত তালিম নেন। সব মিলিয়ে প্রায় ছয় থেকে সাত বছর সংগীতে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন তিনি। শিক্ষাজীবনেও ছিলেন মনোযোগী হিমি। পুরান ঢাকার মনিজা রহমান গার্লস হাইস্কুল-এ প্রাথমিক শিক্ষা শেষে বাংলাবাজার গভর্নমেন্ট গার্লস হাইস্কুল থেকে এসএসসি এবং ক্যামব্রিয়ান কলেজ থেকে এইচএসসি সম্পন্ন করেন। পরে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি থেকে ২০২২ সালে বিবিএ ডিগ্রি অর্জন করেন। অভিনয়ে তার যাত্রা শুরু হয় মোহর আলী নাটকের মাধ্যমে, যা প্রচারিত হয়েছিল চ্যানেল আই-এ। সেখান থেকেই দর্শকের নজরে আসেন তিনি।

বড় পর্দায় তার অভিষেক হয় কলকাতার চলচ্চিত্র হঠাৎ দেখা-এর মাধ্যমে। যদিও এরপর আর সিনেমায় তাকে দেখা যায়নি, ছোট পর্দাতেই নিজের অবস্থান শক্ত করেছেন তিনি। অভিনেত্রী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পরও সংগীত থেকে পুরোপুরি দূরে সরে যাননি হিমি। তার গাওয়া প্রথম মৌলিক গান ছিল পরাণ পাখি, যা একই নামের একটি নাটকে ব্যবহৃত হয় এবং বেশ প্রশংসা পায়। পরবর্তীতে জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ইত্যাদি-তে তিনি পরিবেশন করেন ‘তুমি আমায় ভালোবেসো’ গানটি। সর্বশেষ ভালোবাসা দিবসে প্রকাশিত হয় তার আরেকটি গান দুজন দুজনার, যা শ্রোতাদের মধ্যে সাড়া ফেলে।

গান নিয়ে নিজের অনুভূতি জানিয়ে হিমি বলেন, “ছোটবেলা থেকেই গান শিখেছি, তাই এর প্রতি আলাদা একটা টান আছে। এখনো সময় পেলেই হারমোনিয়াম নিয়ে বসে চর্চা করি। ফেরদৌস আরা ম্যাডাম সবসময়ই বলেন, নিয়মিত করলে ভালো করা সম্ভব। তিনি আমার ওপর অনেক বিশ্বাস রাখেন, যা আমাকে অনুপ্রাণিত করে।” তিনি আরও বলেন, “সাধনা মিত্র ম্যাডামের কাছে আমি সবচেয়ে বেশি কৃতজ্ঞ। তিনিই আমাকে প্রথম গান শেখান এবং উৎসাহ দেন। আর আমার মা সবসময় পাশে ছিলেন, যার জন্যই আজ এখানে আসতে পেরেছি।” সব মিলিয়ে, অভিনয়ের ব্যস্ততার মাঝেও সংগীতচর্চা ধরে রেখে জান্নাতুল সুমাইয়া হিমি প্রমাণ করছেন একজন শিল্পীর জন্য ভালোবাসার জায়গা কখনো হারিয়ে যায় না, বরং সময় পেলেই তা ফিরে আসে নতুন করে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত