হরমুজ প্রণালীতে মার্কিন জাহাজে কোনো ধরনের আঘাত আসলে ইরানকে ‘পৃথিবীর বুক থেকে মুছে ফেলার’ তীব্র হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালীকে কেন্দ্র করে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনা এখন চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে,
ট্রাম্প সতর্ক করে জানিয়েছেন—ইরানি বাহিনী যদি মার্কিন জাহাজকে লক্ষ্যবস্তু করার চেষ্টা
করে, তবে এর পরিণাম হবে ভয়াবহ এবং দেশটিকে মানচিত্র থেকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া হবে।
উপসাগরে আটকে পড়া বিভিন্ন দেশের বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে নিরাপদ
দূরত্বে সরিয়ে নিতে ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ (Project Freedom) নামে একটি বড় সামরিক অভিযানের
ঘোষণা দিয়েছেন ট্রাম্প। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, সোমবার সকাল থেকে এই অভিযান
শুরু হয়েছে।
আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের এই গুরুত্বপূর্ণ রুট সচল রাখতে মার্কিন
সেনাবাহিনী বিশাল এক বহর মোতায়েন করেছে। এই অভিযানে যুক্ত রয়েছে: গাইডেড-মিসাইল ডেস্ট্রয়ার,
শতাধিক আকাশ ও সমুদ্রভিত্তিক যুদ্ধবিমান, বহুমাত্রিক অত্যাধুনিক ড্রোন প্ল্যাটফর্ম
ও প্রায় ১৫ হাজার মার্কিন সেনাসদস্য।
যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে ইরান।
দেশটির ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) রাজনৈতিক শাখার উপপ্রধান ইয়াদুল্লাহ
জাভানি ঘোষণা করেছেন, কোনো মার্কিন জাহাজ যদি হরমুজ প্রণালী পার হওয়ার চেষ্টা করে,
তবে ইরান ‘কঠোরতম’ জবাব দেবে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর থেকেই
ইরান হরমুজ প্রণালীতে বিদেশি জাহাজ চলাচলে অবরোধ আরোপ করে। এর পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে
গত ১৩ এপ্রিল ট্রাম্প ইরানি বন্দর ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। বর্তমানে দুই
দেশের পাল্টাপাল্টি অবস্থানে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের সরবরাহ ও নিরাপত্তা নিয়ে গভীর
উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।

মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মে ২০২৬
হরমুজ প্রণালীতে মার্কিন জাহাজে কোনো ধরনের আঘাত আসলে ইরানকে ‘পৃথিবীর বুক থেকে মুছে ফেলার’ তীব্র হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালীকে কেন্দ্র করে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনা এখন চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে,
ট্রাম্প সতর্ক করে জানিয়েছেন—ইরানি বাহিনী যদি মার্কিন জাহাজকে লক্ষ্যবস্তু করার চেষ্টা
করে, তবে এর পরিণাম হবে ভয়াবহ এবং দেশটিকে মানচিত্র থেকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া হবে।
উপসাগরে আটকে পড়া বিভিন্ন দেশের বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে নিরাপদ
দূরত্বে সরিয়ে নিতে ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ (Project Freedom) নামে একটি বড় সামরিক অভিযানের
ঘোষণা দিয়েছেন ট্রাম্প। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, সোমবার সকাল থেকে এই অভিযান
শুরু হয়েছে।
আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের এই গুরুত্বপূর্ণ রুট সচল রাখতে মার্কিন
সেনাবাহিনী বিশাল এক বহর মোতায়েন করেছে। এই অভিযানে যুক্ত রয়েছে: গাইডেড-মিসাইল ডেস্ট্রয়ার,
শতাধিক আকাশ ও সমুদ্রভিত্তিক যুদ্ধবিমান, বহুমাত্রিক অত্যাধুনিক ড্রোন প্ল্যাটফর্ম
ও প্রায় ১৫ হাজার মার্কিন সেনাসদস্য।
যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে ইরান।
দেশটির ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) রাজনৈতিক শাখার উপপ্রধান ইয়াদুল্লাহ
জাভানি ঘোষণা করেছেন, কোনো মার্কিন জাহাজ যদি হরমুজ প্রণালী পার হওয়ার চেষ্টা করে,
তবে ইরান ‘কঠোরতম’ জবাব দেবে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর থেকেই
ইরান হরমুজ প্রণালীতে বিদেশি জাহাজ চলাচলে অবরোধ আরোপ করে। এর পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে
গত ১৩ এপ্রিল ট্রাম্প ইরানি বন্দর ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। বর্তমানে দুই
দেশের পাল্টাপাল্টি অবস্থানে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের সরবরাহ ও নিরাপত্তা নিয়ে গভীর
উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন