পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে এক অভাবনীয় পরিবর্তনের সাক্ষী হলো ভারতের রাজনীতি। দীর্ঘ ১৫ বছর ক্ষমতায় থাকার পর পতন ঘটলো তৃণমূল কংগ্রেসের। ২৯৩ আসনের মধ্যে ২০৬টি আসনে জয়লাভ করে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে প্রথমবারের মতো রাজ্যে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। অন্যদিকে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেস মাত্র ৮১টি আসনে থমকে গেছে।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই বিজয়কে ‘ঐতিহাসিক মতাদর্শিক
পরিবর্তন’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, ভারতের কোনো রাজ্যে এখন আর কমিউনিস্ট শাসন
নেই এবং বাংলার এই জয় পুরো দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট বদলে দিয়েছে।
এবারের নির্বাচনের সবচেয়ে বড় চমক ছিল মুখ্যমন্ত্রী মমতা
বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত পরাজয়। নিজের একসময়ের শক্ত ঘাঁটি ভবানীপুরে বিজেপি নেতা
শুভেন্দু অধিকারীর কাছে ১৫ হাজার ১১৪ ভোটে হেরে গেছেন তিনি। এর পাশাপাশি শুভেন্দু অধিকারী
নন্দীগ্রাম আসনেও বিজয়ী হয়েছেন। ভবানীপুরে শুভেন্দু পেয়েছেন ৭৩ হাজার ৪৬৩ ভোট এবং
মমতা পেয়েছেন ৫৮ হাজার ৩৪৯ ভোট।
নির্বাচনী ফলাফলে বিপর্যয়ের পর ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন মমতা
বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি অভিযোগ করেছেন, বিজেপি অন্তত ১০০টি আসনে ‘ভোট চুরি’ করেছে। নির্বাচন
কমিশনের সমালোচনা করে তিনি একে ‘বিজেপি কমিশন’ বলে আখ্যা দেন এবং একে একটি ‘অনৈতিক
জয়’ হিসেবে দাবি করেন। তবে কমিশন বা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এ বিষয়ে এখনো কোনো পদক্ষেপ
নেননি।
বিজেপির এই বিশাল জয়ের পর এখন আলোচনার কেন্দ্রে কে হচ্ছেন
পশ্চিমবঙ্গের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী? বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী নেতার নাম নিয়ে চলছে জোর
গুঞ্জন:
রাজ্যজুড়ে এখন উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে বিজেপি শিবিরে। দ্রুতই
কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনার পর মুখ্যমন্ত্রীর নাম চূড়ান্ত করা হবে বলে জানা
গেছে।

মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মে ২০২৬
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে এক অভাবনীয় পরিবর্তনের সাক্ষী হলো ভারতের রাজনীতি। দীর্ঘ ১৫ বছর ক্ষমতায় থাকার পর পতন ঘটলো তৃণমূল কংগ্রেসের। ২৯৩ আসনের মধ্যে ২০৬টি আসনে জয়লাভ করে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে প্রথমবারের মতো রাজ্যে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। অন্যদিকে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেস মাত্র ৮১টি আসনে থমকে গেছে।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই বিজয়কে ‘ঐতিহাসিক মতাদর্শিক
পরিবর্তন’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, ভারতের কোনো রাজ্যে এখন আর কমিউনিস্ট শাসন
নেই এবং বাংলার এই জয় পুরো দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট বদলে দিয়েছে।
এবারের নির্বাচনের সবচেয়ে বড় চমক ছিল মুখ্যমন্ত্রী মমতা
বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত পরাজয়। নিজের একসময়ের শক্ত ঘাঁটি ভবানীপুরে বিজেপি নেতা
শুভেন্দু অধিকারীর কাছে ১৫ হাজার ১১৪ ভোটে হেরে গেছেন তিনি। এর পাশাপাশি শুভেন্দু অধিকারী
নন্দীগ্রাম আসনেও বিজয়ী হয়েছেন। ভবানীপুরে শুভেন্দু পেয়েছেন ৭৩ হাজার ৪৬৩ ভোট এবং
মমতা পেয়েছেন ৫৮ হাজার ৩৪৯ ভোট।
নির্বাচনী ফলাফলে বিপর্যয়ের পর ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন মমতা
বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি অভিযোগ করেছেন, বিজেপি অন্তত ১০০টি আসনে ‘ভোট চুরি’ করেছে। নির্বাচন
কমিশনের সমালোচনা করে তিনি একে ‘বিজেপি কমিশন’ বলে আখ্যা দেন এবং একে একটি ‘অনৈতিক
জয়’ হিসেবে দাবি করেন। তবে কমিশন বা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এ বিষয়ে এখনো কোনো পদক্ষেপ
নেননি।
বিজেপির এই বিশাল জয়ের পর এখন আলোচনার কেন্দ্রে কে হচ্ছেন
পশ্চিমবঙ্গের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী? বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী নেতার নাম নিয়ে চলছে জোর
গুঞ্জন:
রাজ্যজুড়ে এখন উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে বিজেপি শিবিরে। দ্রুতই
কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনার পর মুখ্যমন্ত্রীর নাম চূড়ান্ত করা হবে বলে জানা
গেছে।

আপনার মতামত লিখুন