সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরা পেট্রোলিয়াম স্থাপনায় ইরান থেকে ছোড়া ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (৪ মে) ঘটা এই হামলাকে ‘বিশ্বাসঘাতকতাপূর্ণ’ আখ্যা দিয়ে এর কঠোর জবাব দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে আমিরাত। আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে যে, ফুজাইরাহ
পেট্রোলিয়াম ইন্ডাস্ট্রিজ জোনে ইরানি ড্রোন আঘাত হানলে সেখানে বিশাল আকারে আগুন ছড়িয়ে
পড়ে। এই ঘটনায় সেখানে কর্মরত তিন ভারতীয় নাগরিক আহত হয়েছেন, যাদের বর্তমানে হাসপাতালে
চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তবে আমিরাত দাবি করেছে, তারা ইরান থেকে ছোড়া ১২টি ব্যালিস্টিক
ক্ষেপণাস্ত্র, ৩টি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং ৪টি ড্রোন আকাশেই ধ্বংস করতে সক্ষম হয়েছে।
এই হামলার বিষয়ে ইরান এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি
দেয়নি। তবে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম এক সামরিক সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, তেল
স্থাপনায় হামলার কোনো পূর্বপরিকল্পনা তাদের ছিল না। তেহরানের দাবি, এটি ওই অঞ্চলে
যুক্তরাষ্ট্রের ‘সামরিক দুঃসাহসিকতার’ একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ফলাফল হতে পারে।
গত ৮ এপ্রিল ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার
পর আমিরাতে এটিই প্রথম বড় ধরনের হামলা। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল
ইরানে বিমান হামলা চালালে মধ্যপ্রাচ্যে চরম উত্তেজনা শুরু হয় এবং হরমুজ প্রণালি কার্যত
অচল হয়ে পড়ে। বর্তমান যুদ্ধবিরতির মধ্যে এই হামলার ঘটনায় মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো তীব্র
নিন্দা জানিয়েছে।
এদিকে, ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ অভিযানের আওতায় মার্কিন নৌবাহিনী
দাবি করেছে, তারা হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজে বাধা দেওয়ার চেষ্টাকালে ইরানের
৬টি ছোট সামরিক নৌকা ডুবিয়ে দিয়েছে।
পাল্টাপাল্টি এই হামলা ও সামরিক তৎপরতায় মধ্যপ্রাচ্যে নতুন
করে যুদ্ধ আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। এক মাসের মাথায় যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘিত হওয়ায় পুরো অঞ্চলের
স্থিতিশীলতা এখন চরম হুমকির মুখে।

মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মে ২০২৬
সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরা পেট্রোলিয়াম স্থাপনায় ইরান থেকে ছোড়া ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (৪ মে) ঘটা এই হামলাকে ‘বিশ্বাসঘাতকতাপূর্ণ’ আখ্যা দিয়ে এর কঠোর জবাব দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে আমিরাত। আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে যে, ফুজাইরাহ
পেট্রোলিয়াম ইন্ডাস্ট্রিজ জোনে ইরানি ড্রোন আঘাত হানলে সেখানে বিশাল আকারে আগুন ছড়িয়ে
পড়ে। এই ঘটনায় সেখানে কর্মরত তিন ভারতীয় নাগরিক আহত হয়েছেন, যাদের বর্তমানে হাসপাতালে
চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তবে আমিরাত দাবি করেছে, তারা ইরান থেকে ছোড়া ১২টি ব্যালিস্টিক
ক্ষেপণাস্ত্র, ৩টি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং ৪টি ড্রোন আকাশেই ধ্বংস করতে সক্ষম হয়েছে।
এই হামলার বিষয়ে ইরান এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি
দেয়নি। তবে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম এক সামরিক সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, তেল
স্থাপনায় হামলার কোনো পূর্বপরিকল্পনা তাদের ছিল না। তেহরানের দাবি, এটি ওই অঞ্চলে
যুক্তরাষ্ট্রের ‘সামরিক দুঃসাহসিকতার’ একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ফলাফল হতে পারে।
গত ৮ এপ্রিল ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার
পর আমিরাতে এটিই প্রথম বড় ধরনের হামলা। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল
ইরানে বিমান হামলা চালালে মধ্যপ্রাচ্যে চরম উত্তেজনা শুরু হয় এবং হরমুজ প্রণালি কার্যত
অচল হয়ে পড়ে। বর্তমান যুদ্ধবিরতির মধ্যে এই হামলার ঘটনায় মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো তীব্র
নিন্দা জানিয়েছে।
এদিকে, ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ অভিযানের আওতায় মার্কিন নৌবাহিনী
দাবি করেছে, তারা হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজে বাধা দেওয়ার চেষ্টাকালে ইরানের
৬টি ছোট সামরিক নৌকা ডুবিয়ে দিয়েছে।
পাল্টাপাল্টি এই হামলা ও সামরিক তৎপরতায় মধ্যপ্রাচ্যে নতুন
করে যুদ্ধ আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। এক মাসের মাথায় যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘিত হওয়ায় পুরো অঞ্চলের
স্থিতিশীলতা এখন চরম হুমকির মুখে।

আপনার মতামত লিখুন