নারী সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং গণমাধ্যম খাতে জেন্ডার-সংবেদনশীল সংস্কারের লক্ষ্য নিয়ে ‘সমতা’ শীর্ষক একটি বিশেষ প্রকল্পের উদ্বোধন করা হয়েছে। সোমবার (৪ মে) বিকেলে রাজধানীর ওয়াইডব্লিউসিএ অডিটোরিয়ামে অধিকারভিত্তিক অ্যাডভোকেসি সংস্থা ‘ভয়েস’ এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
ইউনেস্কো ঢাকা অফিসের তত্ত্বাবধানে এবং ইন্টারন্যাশনাল প্রোগ্রাম
ফর দ্য ডেভেলপমেন্ট অব কমিউনিকেশন (আইপিডিসি)-এর সহায়তায় এই প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, বাংলাদেশে সাংবাদিকতায় নারীদের অংশগ্রহণ
বর্তমানে ১০ শতাংশেরও কম। পেশাগত ক্ষেত্রে তাদের শারীরিক ও ডিজিটাল নিরাপত্তার ঝুঁকি
এবং প্রাতিষ্ঠানিক বৈষম্যগুলো অধিকাংশ ক্ষেত্রেই আড়ালে থেকে যায়। বক্তারা এই চ্যালেঞ্জ
মোকাবিলায় সরকার, গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান ও নাগরিক সমাজের সমন্বিত প্রচেষ্টার ওপর জোর
দেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার
মন্ত্রণালয়ের জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মুহাম্মদ হিরুজ্জামান।
তিনি বলেন, “সবার জন্য, বিশেষ করে নারী সাংবাদিকদের জন্য একটি নিরাপদ ও ন্যায়সঙ্গত
পরিবেশ নিশ্চিত করা আমাদের যৌথ দায়িত্ব। সরকার এ ক্ষেত্রে টেকসই প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা
দিতে বদ্ধপরিকর।”
বিশেষ অতিথি হিসেবে প্রকল্পের উদ্বোধন করেন ইউনেস্কো ঢাকা
অফিসের প্রধান ও বাংলাদেশ প্রতিনিধি ড. সুজান ভাইজ। তিনি বলেন, “সুস্থ গণতন্ত্রের জন্য
নারী সাংবাদিকদের নিরাপত্তা অত্যন্ত জরুরি। এটি কেবল সুরক্ষার বিষয় নয়, বরং নির্ভরযোগ্য
ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সাংবাদিকতার পূর্বশর্ত।”
‘ভয়েস’-এর নির্বাহী পরিচালক আহমেদ স্বপন মাহমুদ প্রকল্পের
গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, “আমাদের লক্ষ্য হলো গণমাধ্যম হাউসগুলোর ভেতরে কাঠামোগত পরিবর্তন
আনা, যাতে নারীরা কোনো বাধা ছাড়াই কাজ করতে পারেন।”
অনুষ্ঠানে প্যানেল আলোচনায় অংশ নিয়ে এমআরডিআই-এর নির্বাহী
পরিচালক হাসিবুর রহমান, ডিজিটাল রাইটস লিমিটেডের মিরাজ আহমেদ চৌধুরী এবং বহ্নিশিখার
সামিনা ইয়াসমিন গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানে বাস্তবসম্মত জেন্ডার নীতিমালা গ্রহণের তাগিদ দেন।
প্রকল্পের কৌশলগত দিক তুলে ধরে জানানো হয়, ‘সমতা’ প্রকল্পের
মাধ্যমে একটি পূর্ণাঙ্গ জেন্ডার নীতিমালা তৈরি এবং কর্মক্ষেত্রে হয়রানি ও বৈষম্য রোধে
কার্যকর প্রতিকার ব্যবস্থা শক্তিশালী করা হবে।
অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত সাংবাদিক ও মানবাধিকারকর্মীরা একটি
অন্তর্ভুক্তিমূলক ও গণতান্ত্রিক গণমাধ্যম পরিবেশ গড়ে তোলার বিষয়ে ঐকমত্য প্রকাশ করেন।
তারা আশা প্রকাশ করেন, এই প্রকল্পের মাধ্যমে সংবাদপত্রে নারীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি পাবে
এবং কাজের পরিবেশ আরও সম্মানজনক হবে।

মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মে ২০২৬
নারী সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং গণমাধ্যম খাতে জেন্ডার-সংবেদনশীল সংস্কারের লক্ষ্য নিয়ে ‘সমতা’ শীর্ষক একটি বিশেষ প্রকল্পের উদ্বোধন করা হয়েছে। সোমবার (৪ মে) বিকেলে রাজধানীর ওয়াইডব্লিউসিএ অডিটোরিয়ামে অধিকারভিত্তিক অ্যাডভোকেসি সংস্থা ‘ভয়েস’ এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
ইউনেস্কো ঢাকা অফিসের তত্ত্বাবধানে এবং ইন্টারন্যাশনাল প্রোগ্রাম
ফর দ্য ডেভেলপমেন্ট অব কমিউনিকেশন (আইপিডিসি)-এর সহায়তায় এই প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, বাংলাদেশে সাংবাদিকতায় নারীদের অংশগ্রহণ
বর্তমানে ১০ শতাংশেরও কম। পেশাগত ক্ষেত্রে তাদের শারীরিক ও ডিজিটাল নিরাপত্তার ঝুঁকি
এবং প্রাতিষ্ঠানিক বৈষম্যগুলো অধিকাংশ ক্ষেত্রেই আড়ালে থেকে যায়। বক্তারা এই চ্যালেঞ্জ
মোকাবিলায় সরকার, গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান ও নাগরিক সমাজের সমন্বিত প্রচেষ্টার ওপর জোর
দেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার
মন্ত্রণালয়ের জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মুহাম্মদ হিরুজ্জামান।
তিনি বলেন, “সবার জন্য, বিশেষ করে নারী সাংবাদিকদের জন্য একটি নিরাপদ ও ন্যায়সঙ্গত
পরিবেশ নিশ্চিত করা আমাদের যৌথ দায়িত্ব। সরকার এ ক্ষেত্রে টেকসই প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা
দিতে বদ্ধপরিকর।”
বিশেষ অতিথি হিসেবে প্রকল্পের উদ্বোধন করেন ইউনেস্কো ঢাকা
অফিসের প্রধান ও বাংলাদেশ প্রতিনিধি ড. সুজান ভাইজ। তিনি বলেন, “সুস্থ গণতন্ত্রের জন্য
নারী সাংবাদিকদের নিরাপত্তা অত্যন্ত জরুরি। এটি কেবল সুরক্ষার বিষয় নয়, বরং নির্ভরযোগ্য
ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সাংবাদিকতার পূর্বশর্ত।”
‘ভয়েস’-এর নির্বাহী পরিচালক আহমেদ স্বপন মাহমুদ প্রকল্পের
গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, “আমাদের লক্ষ্য হলো গণমাধ্যম হাউসগুলোর ভেতরে কাঠামোগত পরিবর্তন
আনা, যাতে নারীরা কোনো বাধা ছাড়াই কাজ করতে পারেন।”
অনুষ্ঠানে প্যানেল আলোচনায় অংশ নিয়ে এমআরডিআই-এর নির্বাহী
পরিচালক হাসিবুর রহমান, ডিজিটাল রাইটস লিমিটেডের মিরাজ আহমেদ চৌধুরী এবং বহ্নিশিখার
সামিনা ইয়াসমিন গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানে বাস্তবসম্মত জেন্ডার নীতিমালা গ্রহণের তাগিদ দেন।
প্রকল্পের কৌশলগত দিক তুলে ধরে জানানো হয়, ‘সমতা’ প্রকল্পের
মাধ্যমে একটি পূর্ণাঙ্গ জেন্ডার নীতিমালা তৈরি এবং কর্মক্ষেত্রে হয়রানি ও বৈষম্য রোধে
কার্যকর প্রতিকার ব্যবস্থা শক্তিশালী করা হবে।
অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত সাংবাদিক ও মানবাধিকারকর্মীরা একটি
অন্তর্ভুক্তিমূলক ও গণতান্ত্রিক গণমাধ্যম পরিবেশ গড়ে তোলার বিষয়ে ঐকমত্য প্রকাশ করেন।
তারা আশা প্রকাশ করেন, এই প্রকল্পের মাধ্যমে সংবাদপত্রে নারীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি পাবে
এবং কাজের পরিবেশ আরও সম্মানজনক হবে।

আপনার মতামত লিখুন