নরসিংদীর শিবপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মো. হারুনুর রশিদ খান হত্যা মামলার এক আসামিকে দুবাই থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ইন্টারপোলের রেড এলার্টের ভিত্তিতে তাকে দুবাই থেকে গ্রেপ্তার করে দেশে ফেরানো হয়।
গ্রেপ্তার আসামি আরিফ সরকার (৪০)। তিনি নরসিংদীর শিবপুর উপজেলার পুটিয়া কামারগাঁও গ্রামের বাসিন্দা।
পিবিআই নরসিংদী সূত্র জানায়, ২০২৩ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি সকাল সোয়া ৬টার দিকে সাবেক চেয়ারম্যান হারুনুর রশিদ খানের নিজ বাসায় পিস্তল দিয়ে গুলি করা হয়। তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ৩১ মে মৃত্যুবরণ করেন।
হারুনুর রশিদ খানের ছেলে আমানুর রশিদ খান বাদী হয়ে শিবপুর মডেল থানায় মামলা করেন। পরে বাদীর আবেদনের প্রেক্ষিতে পিবিআই নরসিংদী মামলার তদন্তভার গ্রহণ করে।
তদন্তকালে ঘটনায় জড়িত আরেক আসামি মহসীনকে এর আগে ইন্টারপোলের সহায়তায় দুবাই থেকে গ্রেপ্তার করে দেশে আনা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই আরিফ সরকারের ভূমিকা নিশ্চিত হয় পিবিআই।
পরে আরিফ সরকারের বিদেশে অবস্থান নিশ্চিত হলে তার বিরুদ্ধে আদালত থেকে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ইস্যু করা হয় এবং ইন্টারপোলের রেড নোটিশ জারির আবেদন করে পিবিআই। গত ২৪ নভেম্বর ২০২৫ অভিযোগপত্র দাখিল করে পিবিআই।
গত ৬ মে আরিফ সরকারকে দুবাই থেকে গ্রেপ্তার করে পিবিআই ও পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের সমন্বয়ে গঠিত বিশেষ টিম। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাকে শিবপুর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে থানা পুলিশ তাকে আদালতে সোপর্দ করে।
পিবিআই নরসিংদী কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিদেশে পলাতক আসামিদের ফেরত আনতে ইন্টারপোলের সহায়তায় এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মে ২০২৬
নরসিংদীর শিবপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মো. হারুনুর রশিদ খান হত্যা মামলার এক আসামিকে দুবাই থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ইন্টারপোলের রেড এলার্টের ভিত্তিতে তাকে দুবাই থেকে গ্রেপ্তার করে দেশে ফেরানো হয়।
গ্রেপ্তার আসামি আরিফ সরকার (৪০)। তিনি নরসিংদীর শিবপুর উপজেলার পুটিয়া কামারগাঁও গ্রামের বাসিন্দা।
পিবিআই নরসিংদী সূত্র জানায়, ২০২৩ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি সকাল সোয়া ৬টার দিকে সাবেক চেয়ারম্যান হারুনুর রশিদ খানের নিজ বাসায় পিস্তল দিয়ে গুলি করা হয়। তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ৩১ মে মৃত্যুবরণ করেন।
হারুনুর রশিদ খানের ছেলে আমানুর রশিদ খান বাদী হয়ে শিবপুর মডেল থানায় মামলা করেন। পরে বাদীর আবেদনের প্রেক্ষিতে পিবিআই নরসিংদী মামলার তদন্তভার গ্রহণ করে।
তদন্তকালে ঘটনায় জড়িত আরেক আসামি মহসীনকে এর আগে ইন্টারপোলের সহায়তায় দুবাই থেকে গ্রেপ্তার করে দেশে আনা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই আরিফ সরকারের ভূমিকা নিশ্চিত হয় পিবিআই।
পরে আরিফ সরকারের বিদেশে অবস্থান নিশ্চিত হলে তার বিরুদ্ধে আদালত থেকে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ইস্যু করা হয় এবং ইন্টারপোলের রেড নোটিশ জারির আবেদন করে পিবিআই। গত ২৪ নভেম্বর ২০২৫ অভিযোগপত্র দাখিল করে পিবিআই।
গত ৬ মে আরিফ সরকারকে দুবাই থেকে গ্রেপ্তার করে পিবিআই ও পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের সমন্বয়ে গঠিত বিশেষ টিম। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাকে শিবপুর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে থানা পুলিশ তাকে আদালতে সোপর্দ করে।
পিবিআই নরসিংদী কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিদেশে পলাতক আসামিদের ফেরত আনতে ইন্টারপোলের সহায়তায় এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন