সংবাদ

স্বামীর দাফন শেষ হতে না হতেই মারা গেলেন স্ত্রী


প্রতিনিধি, রাজবাড়ী
প্রতিনিধি, রাজবাড়ী
প্রকাশ: ৬ মে ২০২৬, ০৮:৪৬ পিএম

স্বামীর দাফন শেষ হতে না হতেই মারা গেলেন স্ত্রী
মিঠু খান (৫০) ও হেনা বেগম (৪৫)।

রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার পাইককান্দি গ্রামে ১৩ ঘণ্টার ব্যবধানে স্বামী ও স্ত্রীর মৃত্যু হয়েছে। স্বামীর শোক সইতে না পেরে স্ত্রীর এমন মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সোমবার (৪ মে) হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন পাইককান্দি গ্রামের ভ্যানচালক মিঠু খান (৫০)। তাকে বালিয়াকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পরদিন মঙ্গলবার দুপুর দুইটায় জানাজা শেষে স্থানীয় গোরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

স্বামীর দাফন সম্পন্ন হওয়ার পরপরই শোকে অসুস্থ হয়ে পড়েন স্ত্রী হেনা বেগম (৪৫)। তাকে দ্রুত বালিয়াকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। ফরিদপুরে পৌঁছানোর কিছুক্ষণ পর বিকেল চারটার দিকে তিনিও মারা যান।

স্থানীয় ইউপি সদস্য আকরাম খান বলেন, ‘হেনা বেগম স্বামীর মৃত্যুর পর মানসিকভাবে একেবারে ভেঙে পড়েছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে, অতিরিক্ত শোকের কারণেই তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।’

১৩ ঘণ্টার ব্যবধানে দম্পতির এমন মৃত্যুতে পুরো গ্রামে স্তব্ধতা বিরাজ করছে। গতকাল রাতেই হেনা বেগমকে তার স্বামীর কবরের পাশে দাফন করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বুধবার, ০৬ মে ২০২৬


স্বামীর দাফন শেষ হতে না হতেই মারা গেলেন স্ত্রী

প্রকাশের তারিখ : ০৬ মে ২০২৬

featured Image

রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার পাইককান্দি গ্রামে ১৩ ঘণ্টার ব্যবধানে স্বামী ও স্ত্রীর মৃত্যু হয়েছে। স্বামীর শোক সইতে না পেরে স্ত্রীর এমন মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সোমবার (৪ মে) হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন পাইককান্দি গ্রামের ভ্যানচালক মিঠু খান (৫০)। তাকে বালিয়াকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পরদিন মঙ্গলবার দুপুর দুইটায় জানাজা শেষে স্থানীয় গোরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

স্বামীর দাফন সম্পন্ন হওয়ার পরপরই শোকে অসুস্থ হয়ে পড়েন স্ত্রী হেনা বেগম (৪৫)। তাকে দ্রুত বালিয়াকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। ফরিদপুরে পৌঁছানোর কিছুক্ষণ পর বিকেল চারটার দিকে তিনিও মারা যান।

স্থানীয় ইউপি সদস্য আকরাম খান বলেন, ‘হেনা বেগম স্বামীর মৃত্যুর পর মানসিকভাবে একেবারে ভেঙে পড়েছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে, অতিরিক্ত শোকের কারণেই তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।’

১৩ ঘণ্টার ব্যবধানে দম্পতির এমন মৃত্যুতে পুরো গ্রামে স্তব্ধতা বিরাজ করছে। গতকাল রাতেই হেনা বেগমকে তার স্বামীর কবরের পাশে দাফন করা হয়েছে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত