আগামী অর্থবছরে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আকার তিন লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়ে ইতিহাস গড়ল। প্রস্তাবিত খসড়া এডিপির আকার ধরা হয়েছে ৩ লাখ ৮ হাজার ৯২৫ কোটি টাকা। চলতি এডিপির চেয়ে যা প্রায় এক লাখ কোটি টাকা বেশি।
শনিবার (৯ মে) পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বর্ধিত সভায় আগামী অর্থবছরের এডিপির খসড়া নিয়ে আলোচনা হয়। অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
প্রস্তাবিত খসড়া এডিপিতে মোট প্রকল্পের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১১২১টিতে। এর মধ্যে দেশজ উৎস থেকে দেওয়া হবে ১ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা। বাকি ১ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকা প্রকল্প সাহায্য হিসেবে পাওয়া যাবে।
স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলোর উন্নয়ন প্রকল্পে আরও ৮ হাজার ৯২৫ কোটি টাকা খরচ হবে। যা মূল এডিপির সঙ্গে যুক্ত হয়ে মোট আকার দাঁড়িয়েছে তিন লাখ ছাড়িয়ে।
বরাদ্দের শীর্ষ পাঁচ খাতের মধ্যে পরিবহন ও যোগাযোগে ৫০ হাজার ৯২ কোটি টাকা (সর্বোচ্চ), শিক্ষায় ৪৭ হাজার ৫৯১ কোটি টাকা, স্বাস্থ্যে ৩৫ হাজার ৫৩৫ কোটি টাকা, বিদ্যুৎ ও জ্বালানিতে ৩২ হাজার ৬৯১ কোটি টাকা এবং গৃহায়ণে ২০ হাজার ৩৬১ কোটি টাকা খরচ হবে।
প্রস্তাবিত খসড়া অনুযায়ী, শিক্ষায় ১৯ হাজার কোটি টাকা ও স্বাস্থ্যে ১৭ হাজার কোটি টাকা বাড়ানো হচ্ছে।
চলতি অর্থবছরে রাজস্ব আদায়ে ঘাটতি প্রায় এক লাখ কোটি টাকা। এ অবস্থায় বড় এডিপি বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন আছে। এ ছাড়া চলতি অর্থবছরের প্রথম নয় মাসে এডিপির বাস্তবায়ন হয়েছে মাত্র ৩৬ শতাংশ, যা গত পাঁচ বছরে সর্বনিম্ন।
পরিকল্পনা কমিশনের বর্ধিত সভায় খসড়া চূড়ান্ত না হলেও আগামী ১৬ মে আরেকটি সভায় এটি চূড়ান্ত হবে। চলতি মাসেই জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (এনইসি) সভায় এডিপি পাস হবে।

শনিবার, ০৯ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ মে ২০২৬
আগামী অর্থবছরে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আকার তিন লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়ে ইতিহাস গড়ল। প্রস্তাবিত খসড়া এডিপির আকার ধরা হয়েছে ৩ লাখ ৮ হাজার ৯২৫ কোটি টাকা। চলতি এডিপির চেয়ে যা প্রায় এক লাখ কোটি টাকা বেশি।
শনিবার (৯ মে) পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বর্ধিত সভায় আগামী অর্থবছরের এডিপির খসড়া নিয়ে আলোচনা হয়। অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
প্রস্তাবিত খসড়া এডিপিতে মোট প্রকল্পের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১১২১টিতে। এর মধ্যে দেশজ উৎস থেকে দেওয়া হবে ১ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা। বাকি ১ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকা প্রকল্প সাহায্য হিসেবে পাওয়া যাবে।
স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলোর উন্নয়ন প্রকল্পে আরও ৮ হাজার ৯২৫ কোটি টাকা খরচ হবে। যা মূল এডিপির সঙ্গে যুক্ত হয়ে মোট আকার দাঁড়িয়েছে তিন লাখ ছাড়িয়ে।
বরাদ্দের শীর্ষ পাঁচ খাতের মধ্যে পরিবহন ও যোগাযোগে ৫০ হাজার ৯২ কোটি টাকা (সর্বোচ্চ), শিক্ষায় ৪৭ হাজার ৫৯১ কোটি টাকা, স্বাস্থ্যে ৩৫ হাজার ৫৩৫ কোটি টাকা, বিদ্যুৎ ও জ্বালানিতে ৩২ হাজার ৬৯১ কোটি টাকা এবং গৃহায়ণে ২০ হাজার ৩৬১ কোটি টাকা খরচ হবে।
প্রস্তাবিত খসড়া অনুযায়ী, শিক্ষায় ১৯ হাজার কোটি টাকা ও স্বাস্থ্যে ১৭ হাজার কোটি টাকা বাড়ানো হচ্ছে।
চলতি অর্থবছরে রাজস্ব আদায়ে ঘাটতি প্রায় এক লাখ কোটি টাকা। এ অবস্থায় বড় এডিপি বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন আছে। এ ছাড়া চলতি অর্থবছরের প্রথম নয় মাসে এডিপির বাস্তবায়ন হয়েছে মাত্র ৩৬ শতাংশ, যা গত পাঁচ বছরে সর্বনিম্ন।
পরিকল্পনা কমিশনের বর্ধিত সভায় খসড়া চূড়ান্ত না হলেও আগামী ১৬ মে আরেকটি সভায় এটি চূড়ান্ত হবে। চলতি মাসেই জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (এনইসি) সভায় এডিপি পাস হবে।

আপনার মতামত লিখুন