রাজধানীর গুলিস্তান বহু বছর ধরেই শুধু একটি বাণিজ্যিক এলাকা নয়, বরং এক ধরনের অনানুষ্ঠানিক অর্থনীতির কেন্দ্র হিসেবেও পরিচিত। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ এখানে আসেন চাকরি, কেনাকাটা, যাতায়াত ও ব্যবসার কাজে। ফুটপাতজুড়ে সারিবদ্ধ হকার, মানুষের ভিড়, ডাকাডাকি, যানজট সব মিলিয়ে গুলিস্তান যেন এক আলাদা শহর। কিন্তু এই চিত্রের আড়ালেই রয়েছে দীর্ঘদিনের এক বাস্তবতা, যেখানে উচ্ছেদ অভিযান হয়, আবার কয়েকদিন পরই হকাররা ফিরে আসে আগের জায়গায়।
সম্প্রতি আবারও উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। কয়েকদিন ফুটপাত ফাঁকা থাকলেও অল্প সময়ের মধ্যেই পুরনো দৃশ্য ফিরে আসে। প্রশ্ন উঠেছে কেন গুলিস্তানের হকারদের পুরোপুরি সরানো যাচ্ছে না? কেন বারবার উচ্ছেদের পরও তারা ফিরে আসে?
সরেজমিন ঘুরে, ব্যবসায়ী, সেলসম্যান ও হকারদের সঙ্গে কথা বলে যে চিত্র পাওয়া গেছে, তাতে বোঝা যায় বিষয়টি শুধু ফুটপাত দখলের নয়; বরং এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে পাইকারি ব্যবসা, স্থানীয় অর্থনীতি, রাজনৈতিক প্রভাব, পুনর্বাসনের আশ্বাস এবং প্রশাসনিক দুর্বলতা।
গুলিস্তানের বিভিন্ন পাইকারি মার্কেট বিশেষ করে বঙ্গ মার্কেট, মহানগর মার্কেট, ফুলবাড়িয়া ও আশপাশের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থেকে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ পণ্য কিনে থাকেন হকাররা। কেউ কাপড়, কেউ প্রসাধনী, কেউ মোবাইল এক্সেসরিজ, আবার কেউ খেলনা বা ছোটখাটো গৃহস্থালি পণ্য কিনে ফুটপাতে বিক্রি করেন। লাভ খুব বেশি নয় কখনও ১০ টাকা, কখনও ২০ টাকা। কিন্তু সংখ্যায় তারা এত বেশি যে পুরো একটি পাইকারি বাজারের বিক্রির বড় অংশই তাদের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে।
সাবেক বঙ্গ মার্কেট এলাকার একটি দোকানের সেলসম্যান জুয়েল, যিনি কেরানীগঞ্জ থেকে এসে কাজ করেন, তিনি বলেন, “১ তারিখে উচ্ছেদের পর কয়েকদিন আমাদের বেচাকেনা কমে গিয়েছিল। কারণ হকাররাই আমাদের কাছ থেকে পণ্য কিনে নিয়ে বিক্রি করে। তারা না থাকলে পাইকারি বিক্রিও কমে যায়।”
তার কথার সঙ্গে মিল পাওয়া গেছে আরও অনেক ব্যবসায়ীর বক্তব্যে। অনেকে নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, প্রতিদিন সকালে হকাররা একসঙ্গে অনেক পণ্য কিনে নিয়ে যান। এতে দোকানদারদের নগদ বিক্রি বাড়ে। একজন পাইকারি ব্যবসায়ী খোলাখুলিই বলেন, “হকার না থাকলে এত দ্রুত পণ্য ছাড়ানো কঠিন।”
একই মার্কেটের ব্যবসায়ী মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, “আমরা তো পাইকারি ব্যবসা করি। হকার থাকলেও খুব সমস্যা হয় না। তবে তারা রাস্তা ব্লক করে ফেললে দোকানে মাল ওঠানামা করতে কষ্ট হয়।”
আরেক সেলসম্যান কুদ্দুসের বক্তব্য আরও স্পষ্ট। তিনি বলেন, “আমাদের পাইকারি বিক্রি বেশি। বেশিরভাগ হকার আমাদের দোকান থেকেই পণ্য নেয়। তাই তারা বসলে ব্যবসাও বাড়ে। তবে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি হয়, রাস্তা দখল করে জ্যাম সৃষ্টি হয়। এটা নিয়ন্ত্রণে আনা দরকার।”
তিনি আরও বলেন, “১ তারিখে উচ্ছেদ হলো, আবার দুইদিন পরই তারা বসে গেল। তাহলে বুঝতে হবে কোথাও না কোথাও দুর্বলতা আছে। আইন যদি শক্তভাবে প্রয়োগ হতো, তাহলে এত দ্রুত ফিরে আসতে পারত না।”
সরেজমিনে দেখা গেছে, ফুটপাতের ব্যবসাকে ঘিরে গড়ে উঠেছে এক ধরনের নির্ভরশীল অর্থনীতি। ফুটপাতের ভিড় দেখে অনেক ক্রেতাই মার্কেটের ভেতরে ঢোকেন। কেউ ফুটপাতে পছন্দের জিনিস না পেয়ে দোকানে যান, আবার কেউ দরদাম করতে করতে শেষ পর্যন্ত মার্কেট থেকেই কেনাকাটা করেন। ফলে অনেক ব্যবসায়ী প্রকাশ্যে বিরোধিতা করলেও ভেতরে ভেতরে হকারদের উপস্থিতি মেনে নিয়েছেন।
মুন্সীগঞ্জের এক দোকান কর্মচারী, যিনি কাজলা এলাকায় থাকেন, তিনি বলেন, “হকাররা বসলে সমস্যা হয় ঠিকই, কিন্তু না বসলে তারা চলবে কীভাবে? উচ্ছেদের পর কয়েকদিন মার্কেট একেবারে ফাঁকা ছিল। বেচাকেনাও কমে গিয়েছিল।”
তিনি আরও বলেন, “হকাররা থাকলে আশপাশ জমজমাট থাকে। ক্রেতারা প্রথমে ফুটপাত ঘুরে পরে মার্কেটের ভেতরেও আসে। তাই অনেক ব্যবসায়ীরও ভেতরে ভেতরে লাভ হয়।”
স্থানীয় কয়েকজন ব্যবসায়ী জানিয়েছেন, কিছু দোকান মালিকের আত্মীয়স্বজনও হকারি করেন। কেউ কেউ নিজেদের দোকানের পণ্য ফুটপাতে বিক্রি করান। ফলে প্রকাশ্যে কঠোর অবস্থান দেখা গেলেও বাস্তবে অনেকেই হকারদের পুরোপুরি সরানোর পক্ষে নন।
তবে এর উল্টো মতও রয়েছে। সাবেক বঙ্গ মার্কেট মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আখতার হোসেইন বলেন, “আমরা চাই হকার এখানে না বসুক। তারা বসলে মার্কেটে আলো-বাতাস ঢোকে না, মাল ওঠানামা করতে সমস্যা হয়। পরিবেশও নষ্ট হয়।”
তিনি বলেন, “অতীতে উচ্ছেদ অভিযানের সময় ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশের ওপর হামলার ঘটনাও ঘটেছে। কিন্তু তাদের উচ্ছেদ করা যায়নি। কারণ বিষয়টা শুধু আইন দিয়ে সমাধান করা কঠিন। তাদেরও পরিবার আছে, জীবিকার প্রশ্ন আছে।”
হকারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, অনেকেই এখন “ডিজিটাল কার্ড” ও পুনর্বাসনের আশায় আছেন। তারা মনে করছেন, ভবিষ্যতে সরকার নির্দিষ্ট সময় ও নির্দিষ্ট স্থানে বসার সুযোগ দেবে। এই আশ্বাসও তাদের আবার ফিরে আসার সাহস দিচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন ইতোমধ্যে গুলিস্তান এলাকায় ১০০ জন হকারকে কিউআর কোড সম্বলিত ডিজিটাল পরিচয়পত্র দিয়েছে। এছাড়া উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন মিলিয়ে এখন পর্যন্ত ৩০২ জন হকারকে ডিজিটাল আইডি কার্ড দেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে আরও হকারকে তালিকাভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
সিটি করপোরেশনের পরিকল্পনায় গুলিস্তান, বাইতুল মোকাররম, মতিঝিল ও আশপাশের এলাকায় নির্দিষ্ট সময় ও নির্দিষ্ট স্থানে হকার বসানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বলা হচ্ছে, পরিচয়পত্রধারী হকাররা নির্ধারিত নিয়মের মধ্যে ব্যবসা করতে পারবেন।

শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ মে ২০২৬
রাজধানীর গুলিস্তান বহু বছর ধরেই শুধু একটি বাণিজ্যিক এলাকা নয়, বরং এক ধরনের অনানুষ্ঠানিক অর্থনীতির কেন্দ্র হিসেবেও পরিচিত। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ এখানে আসেন চাকরি, কেনাকাটা, যাতায়াত ও ব্যবসার কাজে। ফুটপাতজুড়ে সারিবদ্ধ হকার, মানুষের ভিড়, ডাকাডাকি, যানজট সব মিলিয়ে গুলিস্তান যেন এক আলাদা শহর। কিন্তু এই চিত্রের আড়ালেই রয়েছে দীর্ঘদিনের এক বাস্তবতা, যেখানে উচ্ছেদ অভিযান হয়, আবার কয়েকদিন পরই হকাররা ফিরে আসে আগের জায়গায়।
সম্প্রতি আবারও উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। কয়েকদিন ফুটপাত ফাঁকা থাকলেও অল্প সময়ের মধ্যেই পুরনো দৃশ্য ফিরে আসে। প্রশ্ন উঠেছে কেন গুলিস্তানের হকারদের পুরোপুরি সরানো যাচ্ছে না? কেন বারবার উচ্ছেদের পরও তারা ফিরে আসে?
সরেজমিন ঘুরে, ব্যবসায়ী, সেলসম্যান ও হকারদের সঙ্গে কথা বলে যে চিত্র পাওয়া গেছে, তাতে বোঝা যায় বিষয়টি শুধু ফুটপাত দখলের নয়; বরং এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে পাইকারি ব্যবসা, স্থানীয় অর্থনীতি, রাজনৈতিক প্রভাব, পুনর্বাসনের আশ্বাস এবং প্রশাসনিক দুর্বলতা।
গুলিস্তানের বিভিন্ন পাইকারি মার্কেট বিশেষ করে বঙ্গ মার্কেট, মহানগর মার্কেট, ফুলবাড়িয়া ও আশপাশের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থেকে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ পণ্য কিনে থাকেন হকাররা। কেউ কাপড়, কেউ প্রসাধনী, কেউ মোবাইল এক্সেসরিজ, আবার কেউ খেলনা বা ছোটখাটো গৃহস্থালি পণ্য কিনে ফুটপাতে বিক্রি করেন। লাভ খুব বেশি নয় কখনও ১০ টাকা, কখনও ২০ টাকা। কিন্তু সংখ্যায় তারা এত বেশি যে পুরো একটি পাইকারি বাজারের বিক্রির বড় অংশই তাদের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে।
সাবেক বঙ্গ মার্কেট এলাকার একটি দোকানের সেলসম্যান জুয়েল, যিনি কেরানীগঞ্জ থেকে এসে কাজ করেন, তিনি বলেন, “১ তারিখে উচ্ছেদের পর কয়েকদিন আমাদের বেচাকেনা কমে গিয়েছিল। কারণ হকাররাই আমাদের কাছ থেকে পণ্য কিনে নিয়ে বিক্রি করে। তারা না থাকলে পাইকারি বিক্রিও কমে যায়।”
তার কথার সঙ্গে মিল পাওয়া গেছে আরও অনেক ব্যবসায়ীর বক্তব্যে। অনেকে নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, প্রতিদিন সকালে হকাররা একসঙ্গে অনেক পণ্য কিনে নিয়ে যান। এতে দোকানদারদের নগদ বিক্রি বাড়ে। একজন পাইকারি ব্যবসায়ী খোলাখুলিই বলেন, “হকার না থাকলে এত দ্রুত পণ্য ছাড়ানো কঠিন।”
একই মার্কেটের ব্যবসায়ী মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, “আমরা তো পাইকারি ব্যবসা করি। হকার থাকলেও খুব সমস্যা হয় না। তবে তারা রাস্তা ব্লক করে ফেললে দোকানে মাল ওঠানামা করতে কষ্ট হয়।”
আরেক সেলসম্যান কুদ্দুসের বক্তব্য আরও স্পষ্ট। তিনি বলেন, “আমাদের পাইকারি বিক্রি বেশি। বেশিরভাগ হকার আমাদের দোকান থেকেই পণ্য নেয়। তাই তারা বসলে ব্যবসাও বাড়ে। তবে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি হয়, রাস্তা দখল করে জ্যাম সৃষ্টি হয়। এটা নিয়ন্ত্রণে আনা দরকার।”
তিনি আরও বলেন, “১ তারিখে উচ্ছেদ হলো, আবার দুইদিন পরই তারা বসে গেল। তাহলে বুঝতে হবে কোথাও না কোথাও দুর্বলতা আছে। আইন যদি শক্তভাবে প্রয়োগ হতো, তাহলে এত দ্রুত ফিরে আসতে পারত না।”
সরেজমিনে দেখা গেছে, ফুটপাতের ব্যবসাকে ঘিরে গড়ে উঠেছে এক ধরনের নির্ভরশীল অর্থনীতি। ফুটপাতের ভিড় দেখে অনেক ক্রেতাই মার্কেটের ভেতরে ঢোকেন। কেউ ফুটপাতে পছন্দের জিনিস না পেয়ে দোকানে যান, আবার কেউ দরদাম করতে করতে শেষ পর্যন্ত মার্কেট থেকেই কেনাকাটা করেন। ফলে অনেক ব্যবসায়ী প্রকাশ্যে বিরোধিতা করলেও ভেতরে ভেতরে হকারদের উপস্থিতি মেনে নিয়েছেন।
মুন্সীগঞ্জের এক দোকান কর্মচারী, যিনি কাজলা এলাকায় থাকেন, তিনি বলেন, “হকাররা বসলে সমস্যা হয় ঠিকই, কিন্তু না বসলে তারা চলবে কীভাবে? উচ্ছেদের পর কয়েকদিন মার্কেট একেবারে ফাঁকা ছিল। বেচাকেনাও কমে গিয়েছিল।”
তিনি আরও বলেন, “হকাররা থাকলে আশপাশ জমজমাট থাকে। ক্রেতারা প্রথমে ফুটপাত ঘুরে পরে মার্কেটের ভেতরেও আসে। তাই অনেক ব্যবসায়ীরও ভেতরে ভেতরে লাভ হয়।”
স্থানীয় কয়েকজন ব্যবসায়ী জানিয়েছেন, কিছু দোকান মালিকের আত্মীয়স্বজনও হকারি করেন। কেউ কেউ নিজেদের দোকানের পণ্য ফুটপাতে বিক্রি করান। ফলে প্রকাশ্যে কঠোর অবস্থান দেখা গেলেও বাস্তবে অনেকেই হকারদের পুরোপুরি সরানোর পক্ষে নন।
তবে এর উল্টো মতও রয়েছে। সাবেক বঙ্গ মার্কেট মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আখতার হোসেইন বলেন, “আমরা চাই হকার এখানে না বসুক। তারা বসলে মার্কেটে আলো-বাতাস ঢোকে না, মাল ওঠানামা করতে সমস্যা হয়। পরিবেশও নষ্ট হয়।”
তিনি বলেন, “অতীতে উচ্ছেদ অভিযানের সময় ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশের ওপর হামলার ঘটনাও ঘটেছে। কিন্তু তাদের উচ্ছেদ করা যায়নি। কারণ বিষয়টা শুধু আইন দিয়ে সমাধান করা কঠিন। তাদেরও পরিবার আছে, জীবিকার প্রশ্ন আছে।”
হকারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, অনেকেই এখন “ডিজিটাল কার্ড” ও পুনর্বাসনের আশায় আছেন। তারা মনে করছেন, ভবিষ্যতে সরকার নির্দিষ্ট সময় ও নির্দিষ্ট স্থানে বসার সুযোগ দেবে। এই আশ্বাসও তাদের আবার ফিরে আসার সাহস দিচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন ইতোমধ্যে গুলিস্তান এলাকায় ১০০ জন হকারকে কিউআর কোড সম্বলিত ডিজিটাল পরিচয়পত্র দিয়েছে। এছাড়া উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন মিলিয়ে এখন পর্যন্ত ৩০২ জন হকারকে ডিজিটাল আইডি কার্ড দেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে আরও হকারকে তালিকাভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
সিটি করপোরেশনের পরিকল্পনায় গুলিস্তান, বাইতুল মোকাররম, মতিঝিল ও আশপাশের এলাকায় নির্দিষ্ট সময় ও নির্দিষ্ট স্থানে হকার বসানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বলা হচ্ছে, পরিচয়পত্রধারী হকাররা নির্ধারিত নিয়মের মধ্যে ব্যবসা করতে পারবেন।

আপনার মতামত লিখুন