রাজ্যে বিজেপির প্রথম সরকার গঠনের পর রাজনৈতিক পরিস্থিতি নতুন মোড় নিচ্ছে। এই আবহেই বিরোধী দলগুলিকে একজোট হওয়ার ডাক দিলেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা ব্যানার্জী। এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, “ভয় না পেয়ে বাংলার সমস্ত বিজেপি-বিরোধী রাজনৈতিক দল এক হোন। জোট বাঁধুন, যৌথ মঞ্চ তৈরি হোক। বিজেপিকে রুখতে হলে সবাইকে একসঙ্গে আসতে হবে।”
বাম দলগুলিকেও আলোচনায় আসার আহ্বান জানিয়ে তিনি স্পষ্ট করেন, “আমার কোনও ইগো নেই।” একইসঙ্গে তাঁর অভিযোগ, রাজ্যে নতুন সরকার গঠনের পর থেকেই আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে এবং বিরোধী কর্মীদের উপর চাপ তৈরি করা হচ্ছে।“
যেদিন থেকে ওরা জিতেছে, সেদিন রাত থেকেই নিরাপত্তা তুলে দেওয়া হয়েছে,” দাবি করেন তিনি, পাশাপাশি ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখার অভিযোগও তোলেন।
তবে এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিজেপির তরফে এখনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, ক্ষমতার পরিবর্তনের সময়ে এ ধরনের অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ নতুন কিছু নয় এবং প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাসের প্রক্রিয়াতেও এমন পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। বর্তমানে শুভেন্দু অধিকারী-র নেতৃত্বে রাজ্যে বিজেপি সরকার দায়িত্ব নিয়েছে। শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, যা এই সরকারকে কেন্দ্রের সমর্থনের ইঙ্গিত দেয়।
এই পরিস্থিতিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জোটের আহ্বান রাজ্যের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের সম্ভাবনা তৈরি করেছে। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীদের এক মঞ্চে আনার এই চেষ্টা কতটা বাস্তবায়িত হবে, তা এখনই স্পষ্ট নয়। একদিকে তৃণমূলের পক্ষ থেকে সন্ত্রাস ও প্রশাসনিক পক্ষপাতের অভিযোগ উঠছে, অন্যদিকে বিজেপি সরকার উন্নয়ন ও প্রশাসনিক স্থিতিশীলতার ওপর জোর দিচ্ছে—ফলে আগামী দিনে এই দুই বয়ানের সংঘাতই রাজ্যের রাজনৈতিক দিকনির্দেশ ঠিক করতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

রোববার, ১০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ মে ২০২৬
রাজ্যে বিজেপির প্রথম সরকার গঠনের পর রাজনৈতিক পরিস্থিতি নতুন মোড় নিচ্ছে। এই আবহেই বিরোধী দলগুলিকে একজোট হওয়ার ডাক দিলেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা ব্যানার্জী। এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, “ভয় না পেয়ে বাংলার সমস্ত বিজেপি-বিরোধী রাজনৈতিক দল এক হোন। জোট বাঁধুন, যৌথ মঞ্চ তৈরি হোক। বিজেপিকে রুখতে হলে সবাইকে একসঙ্গে আসতে হবে।”
বাম দলগুলিকেও আলোচনায় আসার আহ্বান জানিয়ে তিনি স্পষ্ট করেন, “আমার কোনও ইগো নেই।” একইসঙ্গে তাঁর অভিযোগ, রাজ্যে নতুন সরকার গঠনের পর থেকেই আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে এবং বিরোধী কর্মীদের উপর চাপ তৈরি করা হচ্ছে।“
যেদিন থেকে ওরা জিতেছে, সেদিন রাত থেকেই নিরাপত্তা তুলে দেওয়া হয়েছে,” দাবি করেন তিনি, পাশাপাশি ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখার অভিযোগও তোলেন।
তবে এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিজেপির তরফে এখনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, ক্ষমতার পরিবর্তনের সময়ে এ ধরনের অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ নতুন কিছু নয় এবং প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাসের প্রক্রিয়াতেও এমন পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। বর্তমানে শুভেন্দু অধিকারী-র নেতৃত্বে রাজ্যে বিজেপি সরকার দায়িত্ব নিয়েছে। শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, যা এই সরকারকে কেন্দ্রের সমর্থনের ইঙ্গিত দেয়।
এই পরিস্থিতিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জোটের আহ্বান রাজ্যের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের সম্ভাবনা তৈরি করেছে। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীদের এক মঞ্চে আনার এই চেষ্টা কতটা বাস্তবায়িত হবে, তা এখনই স্পষ্ট নয়। একদিকে তৃণমূলের পক্ষ থেকে সন্ত্রাস ও প্রশাসনিক পক্ষপাতের অভিযোগ উঠছে, অন্যদিকে বিজেপি সরকার উন্নয়ন ও প্রশাসনিক স্থিতিশীলতার ওপর জোর দিচ্ছে—ফলে আগামী দিনে এই দুই বয়ানের সংঘাতই রাজ্যের রাজনৈতিক দিকনির্দেশ ঠিক করতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

আপনার মতামত লিখুন